সমাজের জন্য নিবেদিত প্রাণ স্বাধীনতা সংগ্রামী দেশ প্রেমিক মানুষরাই যুগের পর যুগ মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে থাকবে। আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কাদের চৌধুরীসহ তার সমসাময়িক ব্যক্তিদের দেশপ্রেম ও মুক্তির তৃষ্ণায় এ দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। তারা জনসেবাকে পরিণত করেছে শিল্পে। তাদের ধ্যানে জ্ঞানে ছিল মানুষ ও সমাজের কল্যাণে নির্মোহ কাজ করা। এসব মৃত্যুঞ্জয়ী সমাজসেবী বীরদের সামাজিক মূল্যায়ন করে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা উচিত ।
আওয়ামী লীগ নেতা সমাজহিতৈষী আলহাজ্ব গোলাম কাদের চৌধুরীর নাগরিক শোকসভায় বক্তারা এ কথা বলেন।
১৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে উক্ত শোকসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আব্দুল ওহাব।
নাগরিক শোকসভা কমিটির আহ্বায়ক সাংবাদিক খোরশেদুল আলম শামীমের সভাপতিত্বে সদস্যসচিব সাংবাদিক আলমগীর সবুজের সঞ্চালনায় আলোচনায় শোকসভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে কাজী আব্দুল ওহাব বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামে অপারেশন জেকপটে গোলাম কাদের চৌধুরীর অবদান অবিস্মরণীয়। তিনি পরিবহন ব্যবসায় জড়িত থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিজের গাড়িতে করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে বিস্ফোরক পৌঁছানোর মাধ্যমের মুক্তি সংগ্রামকে আরও জোরদার করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে ফাণ্ড গঠনেও রয়েছে তার বিশেষ ভূমিকা আওয়ামী লীগের হাল ধরেছিলেন দুঃসময়ে। রাউজানে আওয়ামী লীগের পতাকা উড্ডীন রাখতে বঙ্গবন্ধুর এ সৈনিক নিরবিচ্ছিন্ন কাজ করে গেছেন। পদ পদবী ও স্বীকৃতির তোয়াক্কা না করে দেশ ও জাতির জন্য নিরবে কাজ করা এমন ব্যক্তি খুবই বিরল। তার রেখে যাওয়া কর্মময় জীবন প্রগতিশীলদের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
শোকসভা উদযাপন পরিষদের সচিব সাংবাদিক আলমগীর সবুজের সঞ্চালনায় অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন- রাউজান সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিএম জসিম উদ্দিন হিরু, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের গভর্ণর আমিনুল হক বাবু, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর শাহীন আক্তার রোজী, স্লোগান সম্পাদক মোহাম্মদ জহির, লেখক সাংবাদিক শওকত বাঙালি, অধ্যক্ষ আবদুল হালিম চৌধুরী, সাংবাদিক সাইদুল ইসলাম, কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব মহসিন চৌধুরী ও মরহুমের সন্তান রিডার্স স্কুল এন্ড কলেজের চেয়ারম্যান মঈনুদ্দীন কাদের লাভলু। মরহুমের জীবনী পাঠ করেন অধ্যাপক হুমায়ুন করিম।
আলোচনায় অংশ নেন, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম খান, গোলাম মামুন জাবু, মোজাফফর ছালাম মুবিন, সারজু মোহাম্মদ নাসের, মো. শওকত হোসেন ও জিএম মোর্শেদ চৌধুরী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি




