নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পাট ছিল প্রধান অর্থকরী ফসল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে গত কয়েক দশকে এ খাতটি অনেকটাই ম্লান হয়ে পড়েছে। রপ্তানি আয়ে পাটের অবদানও খুবই নগন্য। বিশ্ব বাজারে আগের তুলনায় পাটের বাজার সংকুচিত হয়ে পড়েছে। তাই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ও আয় কমতে কমতে নেমে এসেছে অর্ধেকে।

৫০ বছর আগে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে আয় ছিল ৩৪ কোটি ডলার। বর্তমান সময়ে তা ১৮ কোটি ডলারে এসে ঠেকেছে। চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ২০১৭ সালে ৯ লাখ ২৯ হাজার ২৮০ টন পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হলেও গতবছর রপ্তানি হয়েছিল মাত্র ৫ লাখ ৮৪ হাজার ৩৭৫ টন পণ্য।

এদিকে গত পাঁচ বছরের ব্যবধানে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি দফায় দফায় কমেছে। চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ২০১৭ সালে ২ লাখ ৬ হাজার ৪৮০, ২০১৮ সালে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮২৮, ২০১৯ সালে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৪০, ২০২০ সালে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৫ ও গতবছর ১ লাখ ৩৮ হাজার ২৬৮ মেট্রিকটন কাঁচা পাট রপ্তানি হয়। পাশাপাশি পাটজাত পণ্যের মধ্যে ২০১৭ সালে ৭ লাখ ২২ হাজার ৮শ, ২০১৮ সালে ৫ লাখ ৫১ হাজার ৫১৮, ২০১৯ সালে ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৭০, ২০২০ সালে ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৫১ ও গতবছর ৪ লাখ ৪৬ হাজার ১০৭ মেট্রিকটন পণ্য চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে রপ্তানি হয়।

জানা গেছে, বছরের জুলাই থেকে আগস্ট মাসে পাটের মৌসুম শুরু হয়। কিন্তু বিশ্ব বাজারে আগের তুলনায় পাটের বাজার সংকুচিত হয়ে পড়েছে। গত কয়েক বছর ধরে ইরান, সৌদি আরব, সিরিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশের বাজার বন্ধ হয়ে গেছে। তাই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি দফায় দফায় কমেছে।

বর্তমানে সারা দেশে ২৫টি পাটকল রয়েছে। এরমধ্যে সাতটি চট্টগ্রামে অবস্থিত। এসব পাটকলে প্রধানত হেসিয়ান কাপড়, ব্যাগ, বস্তার কাপড়, বস্তা, সুতা, কম্বল, মোটা কাপড়, সিবিসি পণ্য তৈরি করা হয়। চট্টগ্রামের ৭টি পাটকলের মধ্যে প্রথম ১৯৫৪ সালে ৮০ একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠা করা হয় আমিন জুট মিলস। এই পাটকলে ১৯ হাজার ৬২৭ মেট্রিকটন পণ্য উৎপাদনের ক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে কারখানাটিতে ৪ হাজার ৯১০ মেট্রিকটন উৎপাদন কমেছে। ১৯৬৬ সালে ৫১ একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত গুল আহম্মদ জুট মিলস নামের কারখানাটিতে উৎপাদন কমেছে ৪৮৯ মেট্রিকটন। ৫৩ বছরের ব্যবধানে ৬৭ একর জমির উপর গড়ে তোলা হাফিজ জুট মিলে ১ হাজার ৪৮৩ মেট্রিকটন ও এম এম জুট মিলসের উৎপাদন ২৯ মেট্রিকটনে নেমেছে।

এদিকে আর আর জুট মিলে ২ হাজার ৯১৬ মেট্রিকটন পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে সেখোনে উৎপাদন হচ্ছে ১ হাজার ৯৫৮ মেট্রিকটন পণ্য। বাগদাদ-ঢাকা কার্পেট ফ্যাক্টরি লিমিটেডে ধারণক্ষমতার ২৭২ মেট্রিকটন কম পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে। তাছাড়া ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া কেএফডি লিমিটেড জুট মিলে ২ হাজার ২৪৬ মেট্রিকটন পণ্য উৎপাদনের ধারণক্ষমতা থাকলেও সেখানে এখন উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ৭২০ মেট্রিকটন পণ্য।

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পাট ছিল প্রধান অর্থকরী ফসল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে গত কয়েক দশকে এ খাতটি অনেকটাই ম্লান হয়ে পড়েছে। রপ্তানি আয়ে পাটের অবদানও খুবই নগন্য। বিশ্ব বাজারে আগের তুলনায় পাটের বাজার সংকুচিত হয়ে পড়েছে। তাই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ও আয় কমতে কমতে নেমে এসেছে অর্ধেকে।

৫০ বছর আগে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে আয় ছিল ৩৪ কোটি ডলার। বর্তমান সময়ে তা ১৮ কোটি ডলারে এসে ঠেকেছে। চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ২০১৭ সালে ৯ লাখ ২৯ হাজার ২৮০ টন পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হলেও গতবছর রপ্তানি হয়েছিল মাত্র ৫ লাখ ৮৪ হাজার ৩৭৫ টন পণ্য।

এদিকে গত পাঁচ বছরের ব্যবধানে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি দফায় দফায় কমেছে। চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ২০১৭ সালে ২ লাখ ৬ হাজার ৪৮০, ২০১৮ সালে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮২৮, ২০১৯ সালে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৪০, ২০২০ সালে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৫ ও গতবছর ১ লাখ ৩৮ হাজার ২৬৮ মেট্রিকটন কাঁচা পাট রপ্তানি হয়। পাশাপাশি পাটজাত পণ্যের মধ্যে ২০১৭ সালে ৭ লাখ ২২ হাজার ৮শ, ২০১৮ সালে ৫ লাখ ৫১ হাজার ৫১৮, ২০১৯ সালে ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৭০, ২০২০ সালে ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৫১ ও গতবছর ৪ লাখ ৪৬ হাজার ১০৭ মেট্রিকটন পণ্য চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে রপ্তানি হয়।

জানা গেছে, বছরের জুলাই থেকে আগস্ট মাসে পাটের মৌসুম শুরু হয়। কিন্তু বিশ্ব বাজারে আগের তুলনায় পাটের বাজার সংকুচিত হয়ে পড়েছে। গত কয়েক বছর ধরে ইরান, সৌদি আরব, সিরিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশের বাজার বন্ধ হয়ে গেছে। তাই চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি দফায় দফায় কমেছে।

বর্তমানে সারা দেশে ২৫টি পাটকল রয়েছে। এরমধ্যে সাতটি চট্টগ্রামে অবস্থিত। এসব পাটকলে প্রধানত হেসিয়ান কাপড়, ব্যাগ, বস্তার কাপড়, বস্তা, সুতা, কম্বল, মোটা কাপড়, সিবিসি পণ্য তৈরি করা হয়। চট্টগ্রামের ৭টি পাটকলের মধ্যে প্রথম ১৯৫৪ সালে ৮০ একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠা করা হয় আমিন জুট মিলস। এই পাটকলে ১৯ হাজার ৬২৭ মেট্রিকটন পণ্য উৎপাদনের ক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে কারখানাটিতে ৪ হাজার ৯১০ মেট্রিকটন উৎপাদন কমেছে। ১৯৬৬ সালে ৫১ একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত গুল আহম্মদ জুট মিলস নামের কারখানাটিতে উৎপাদন কমেছে ৪৮৯ মেট্রিকটন। ৫৩ বছরের ব্যবধানে ৬৭ একর জমির উপর গড়ে তোলা হাফিজ জুট মিলে ১ হাজার ৪৮৩ মেট্রিকটন ও এম এম জুট মিলসের উৎপাদন ২৯ মেট্রিকটনে নেমেছে।

এদিকে আর আর জুট মিলে ২ হাজার ৯১৬ মেট্রিকটন পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে সেখোনে উৎপাদন হচ্ছে ১ হাজার ৯৫৮ মেট্রিকটন পণ্য। বাগদাদ-ঢাকা কার্পেট ফ্যাক্টরি লিমিটেডে ধারণক্ষমতার ২৭২ মেট্রিকটন কম পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে। তাছাড়া ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া কেএফডি লিমিটেড জুট মিলে ২ হাজার ২৪৬ মেট্রিকটন পণ্য উৎপাদনের ধারণক্ষমতা থাকলেও সেখানে এখন উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ৭২০ মেট্রিকটন পণ্য।