প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সরকারী গেজেট অমান্যকারী মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সময়ের দাবী। তিনি মাননীয় পুলিশ কমিশনারকে ঐসব মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদাত্ত আহবান জানান। চট্টগ্রাম অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ সোলাইমানের সভাপতিত্বে আজ শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় বহদ্দারহাট মোড়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে চট্টগ্রাম অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, মালিকের অতিরিক্ত বাড়াবাড়ির কারণে রাজপথে আন্দোলন করতে আমরা বাধ্য হচ্ছি।সরকারি নীতিমালা অমান্য করে সিএনজি ট্যাক্সি মালিকেরা নিজেরাই দৈনিক জমার টাকা বাড়িয়ে দিয়ে চালকদের হয়রানী করার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট মোডে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে হারুনুর রশীদ উপরোক্ত আহবান জানান।
ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক মো: ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির লাইন সম্পাদক মো: সিরাজুল ইসলাম, কার্যনিবার্হী সদস্য মো: কামাল ভান্ডারী, মো: হাসান মোল্লা, কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলম, শ্রমিক নেতা আলমগীর, জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ জহির, মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ ইউসুফ, মো: ইদ্রিস, নাজিম উদ্দিন, মোস্তফা, আলাউদ্দিন, আকতার হোসেন প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রবিউল মাওলা বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশনের অন্তর্ভূক্ত একটি সংগঠন হচ্ছে চট্টগ্রাম অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়ন। এই সংগঠন চট্টগ্রামের সিএনজি চালিত অটোরিকশা শ্রমিকদের একমাত্র সংগঠন। শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে এই সংগঠন অতীতের ন্যায় অগ্রণি ভূমিকা পালন করছে। আমরা তাদের ন্যায় সংগত সকল কর্মকান্ডের সাথে ঐক্যমত পোষণ করছি। তাদের ন্যায্য দাবী মেনে নেয়ার জন্য তিনি মালিকদের প্রতি আহবান জানান।
চট্টগ্রাম অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ বলেন, সরকার নির্ধারিত জমার টাকার অতিরিক্ত আদায়ের প্রতিবাদে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাবরে বারবার জানিয়েছি। যেখানে বর্তমান জমার বাড়তি টাকা পরিশোধে হিমশিম খেতে হচ্ছে চালকদের। অন্যদিকে, মালিকের বর্ধিত জমার টাকার মাশুল প্রত্যক্ষভাবে যাত্রীদের ওপরই পড়ছে। সরকারি গেজেটে ট্যাক্সির দৈনিক জমা ৯শ টাকা করা হয়। তা কিন্তু অনেক বেশি। তারপরও সরকারি নীতিমালা মেনে ৯শ টাকা হারে জমা দিয়ে আসছে চালকরা। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মালিকেরা জমা বাড়িয়েছে ৯৭০-৯৮০ টাকা থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত নিচ্ছেন। যা সড়ক পরিবহন আইনের পরিপন্থী । এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা পুলিশ কমিশনারকে স্মারকলিপি দিয়েছি। তিনি বলেন, আমরা আশাকরি পুলিশ কমিশনার মহোদয় একটি কার্যকরী পদক্ষেপ নিবেন।
সমাবেশ শেষে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বহদ্দারহাট এসে শেষ হয়।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ সরকারী গেজেট অমান্য করে অতিরিক্ত জমা নেয়ার প্রতিবাদে মাসব্যাপী নগরীর থানা ও ওয়ার্ড ভিত্তিক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল এর কর্মসূচী ঘোষণা করেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: সরকারী গেজেট অমান্যকারী মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা সময়ের দাবী। তিনি মাননীয় পুলিশ কমিশনারকে ঐসব মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদাত্ত আহবান জানান। চট্টগ্রাম অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ সোলাইমানের সভাপতিত্বে আজ শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় বহদ্দারহাট মোড়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে চট্টগ্রাম অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, মালিকের অতিরিক্ত বাড়াবাড়ির কারণে রাজপথে আন্দোলন করতে আমরা বাধ্য হচ্ছি।সরকারি নীতিমালা অমান্য করে সিএনজি ট্যাক্সি মালিকেরা নিজেরাই দৈনিক জমার টাকা বাড়িয়ে দিয়ে চালকদের হয়রানী করার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট মোডে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে হারুনুর রশীদ উপরোক্ত আহবান জানান।
ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক মো: ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির লাইন সম্পাদক মো: সিরাজুল ইসলাম, কার্যনিবার্হী সদস্য মো: কামাল ভান্ডারী, মো: হাসান মোল্লা, কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলম, শ্রমিক নেতা আলমগীর, জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ জহির, মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ ইউসুফ, মো: ইদ্রিস, নাজিম উদ্দিন, মোস্তফা, আলাউদ্দিন, আকতার হোসেন প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রবিউল মাওলা বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশনের অন্তর্ভূক্ত একটি সংগঠন হচ্ছে চট্টগ্রাম অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়ন। এই সংগঠন চট্টগ্রামের সিএনজি চালিত অটোরিকশা শ্রমিকদের একমাত্র সংগঠন। শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে এই সংগঠন অতীতের ন্যায় অগ্রণি ভূমিকা পালন করছে। আমরা তাদের ন্যায় সংগত সকল কর্মকান্ডের সাথে ঐক্যমত পোষণ করছি। তাদের ন্যায্য দাবী মেনে নেয়ার জন্য তিনি মালিকদের প্রতি আহবান জানান।
চট্টগ্রাম অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ বলেন, সরকার নির্ধারিত জমার টাকার অতিরিক্ত আদায়ের প্রতিবাদে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাবরে বারবার জানিয়েছি। যেখানে বর্তমান জমার বাড়তি টাকা পরিশোধে হিমশিম খেতে হচ্ছে চালকদের। অন্যদিকে, মালিকের বর্ধিত জমার টাকার মাশুল প্রত্যক্ষভাবে যাত্রীদের ওপরই পড়ছে। সরকারি গেজেটে ট্যাক্সির দৈনিক জমা ৯শ টাকা করা হয়। তা কিন্তু অনেক বেশি। তারপরও সরকারি নীতিমালা মেনে ৯শ টাকা হারে জমা দিয়ে আসছে চালকরা। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মালিকেরা জমা বাড়িয়েছে ৯৭০-৯৮০ টাকা থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত নিচ্ছেন। যা সড়ক পরিবহন আইনের পরিপন্থী । এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা পুলিশ কমিশনারকে স্মারকলিপি দিয়েছি। তিনি বলেন, আমরা আশাকরি পুলিশ কমিশনার মহোদয় একটি কার্যকরী পদক্ষেপ নিবেন।
সমাবেশ শেষে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বহদ্দারহাট এসে শেষ হয়।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ সরকারী গেজেট অমান্য করে অতিরিক্ত জমা নেয়ার প্রতিবাদে মাসব্যাপী নগরীর থানা ও ওয়ার্ড ভিত্তিক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল এর কর্মসূচী ঘোষণা করেন।