বশির আহাম্মদ,বান্দরবান প্রতিনিধি : বান্দরবানের নাইক্ষ‍্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম-মিয়ানমার সীমান্তে বৃষ্টির কারণে গোলাগুলির শব্দ শোনা না গেলেও বেলা বাড়ার পর ঘুমধুম সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে অভ‍্যন্তরে ফের গোলাগুলি শুরু হয়। সীমান্তের ওপারে হলেও নাইক্ষ‍্যংছড়ির ঘুমধুমের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা গোলাগুলির শব্দ শুনেছে বলে জানিয়েছেন।
নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানায়, বাংলাদেশের ঘুমধুম সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের ওয়ালিডং পাহাড় এবং খ্য মং সেক পাহাড় থেকে সরকারি বাহিনী ও স্বাধীনতাকামী ‘আরাকান আর্মির’ গেরিলারা পরস্পরের দিক লক্ষ্য করে মর্টার শেল ও ভারী গোলা ছুঁড়ছে। এ দু’টি এলাকায় মিয়ানমারের উপজাতীয় কয়েকটি সম্প্রদায় বসবাস করে। যুদ্ধের কারণে তাদের পক্ষে সেখানে থাকা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়েছে।
ঘুমধুমের জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দাদের অনেকে বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারের ওইসব উপজাতীয় সদস্য সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে।
বাংলাদেশের অভ‍্যন্তরে যাতে মিয়ানমারের উপজাতি বা নতুন করে কোনো রোহিঙ্গা প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে টেকনাফ পর্যন্ত দীর্ঘ সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করেছে বিজিবি।ঘুমধুমের জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং স্থানীয় বাসিন্দদের সূত্রে এসব তথ‍্য জানা গেছে।
নাইক্ষ‍্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালমা ফেরদৌস বলেছেন, সীমান্তের পরিস্থিতি তাঁরা পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তবে সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে গোলাগুলির বিষয়ে কোনো মন্তব‍্য না করে ইউএনও সাংবাদিকদের বলেন, সীমান্তের এপারের বাংলাদেশের লোকজন যেন আতঙ্কিত না হয় সে ব‍্যাপারে প্রশাসন ও সীমান্ত বাহিনী কাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, রাত থেকে টানা বৃষ্টিপাত চললেও বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে গতকাল সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) মিয়ানমারের সরকার বাহিনী এবং বিদ্রোহী গেরিলাদের মধ্যকার গোলাগুলি অব্যাহত ছিল।
ঘুমধুমের তমব্রু এলাকার বাসিন্দা এনামুল হক জানান, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম, তমব্রু, বাইশফাঁড়ি, ফাত্রাঝিরি, কোনারপাড়া থেকে সোমবারের গোলাগুলির শব্দ অন্যদিনের তুলনায় অনেক কম শোনা গেছে। তবে কয়েকদিন আগে দুদফায় সীমান্তের ওপার থেকে এপারে ঘুমধুমে মর্টার শেল এসে পড়া ও একদিন গুলির খোসা পাওয়ায় ঘুমধুম সীমান্ত বাসিন্দাদের মধ‍্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এছাড়া সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের যুদ্ধ বিমান ও হেলিকপ্টার ঘুমধুমের সংলগ্নে মহড়া দেওয়ায় এপারের লোকজনের মধ‍্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে শ্রমিকরা কাজ বন্ধ রেখে নিরাপদে সরে এসেছেন বলে ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারমান জাহাঙ্গীর আজিজ ও ২নং ওয়ার্ড মেম্বার দিল মোহাম্মদ ও ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল কালাম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। সে আতঙ্ক সীমান্ত এলাকার লোকজনের মধ‍্যে এখনো রয়েছে।
নাইক্ষ‍্যংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শফি উল্লাহ বলেন, ঘুমধুম সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় মিয়ানমারে প্রায় একমাস যাবত সরকারি বাহিনীর সাথে স্বাধীনতাকামী আরাকান বাহিনীর সংঘর্ষ ও গোলাগুলি যে কোনো সময়ই হচ্ছে। সেদেশের নিক্ষিপ্ত মর্টারশেল ঘুমধুমের অভ‍্যন্তরে পড়ায় বাংলাদেশের ঘুমধুম সীমান্তের লোকজনের ম‍ধ‍্যে ভীতি কাজ করছে। অনেকে ভয়ে কাজে যাচ্ছেন না।
ঘুমধুম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ প্রথমদিকে গণমাধ‍্যমের সাথে কথা বললেও এখন তেমন কথা বলছেন না।
বান্দরবান জেলা সদর থেকে ঘুমধুমের দূরত্ব প্রায় ১৭০ কিলোমিটার। ঘুমধুম সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবি কক্সবাজার বিজিবি সেক্টরের নিয়ন্ত্রণে হওয়ায় এবং কক্সবাজার বিজিবি কর্মকর্তাদের বক্তব‍্য না পাওয়ায় গণমাধ্যমগুলো স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এলাকার বাসিন্দা এবং নিজস্ব সূত্রগুলো (সোর্স) এর কাছে হতেই সেখানকার পরিস্থিতি প্রকাশ করছে। বান্দরবানের সাংবাদিকরাও জনপ্রতিনিধি ও এলাকার লোকজন থেকে তথ‍্য পাওয়ার ওপর নির্ভরশীল।

কয়েকজন সাংবাদিক বলেন, প্রশাসন কিংবা সরকারের পক্ষ থেকে সীমান্তের পরিস্থিতি জানানো হলে সঠিক তথ‍্য নিশ্চিত হওয়া যেত, অন‍্যথায় সীমান্ত নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।

বশির আহাম্মদ,বান্দরবান প্রতিনিধি : বান্দরবানের নাইক্ষ‍্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম-মিয়ানমার সীমান্তে বৃষ্টির কারণে গোলাগুলির শব্দ শোনা না গেলেও বেলা বাড়ার পর ঘুমধুম সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে অভ‍্যন্তরে ফের গোলাগুলি শুরু হয়। সীমান্তের ওপারে হলেও নাইক্ষ‍্যংছড়ির ঘুমধুমের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা গোলাগুলির শব্দ শুনেছে বলে জানিয়েছেন।
নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানায়, বাংলাদেশের ঘুমধুম সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের ওয়ালিডং পাহাড় এবং খ্য মং সেক পাহাড় থেকে সরকারি বাহিনী ও স্বাধীনতাকামী ‘আরাকান আর্মির’ গেরিলারা পরস্পরের দিক লক্ষ্য করে মর্টার শেল ও ভারী গোলা ছুঁড়ছে। এ দু’টি এলাকায় মিয়ানমারের উপজাতীয় কয়েকটি সম্প্রদায় বসবাস করে। যুদ্ধের কারণে তাদের পক্ষে সেখানে থাকা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়েছে।
ঘুমধুমের জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দাদের অনেকে বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারের ওইসব উপজাতীয় সদস্য সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে।
বাংলাদেশের অভ‍্যন্তরে যাতে মিয়ানমারের উপজাতি বা নতুন করে কোনো রোহিঙ্গা প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে টেকনাফ পর্যন্ত দীর্ঘ সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করেছে বিজিবি।ঘুমধুমের জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং স্থানীয় বাসিন্দদের সূত্রে এসব তথ‍্য জানা গেছে।
নাইক্ষ‍্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালমা ফেরদৌস বলেছেন, সীমান্তের পরিস্থিতি তাঁরা পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তবে সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে গোলাগুলির বিষয়ে কোনো মন্তব‍্য না করে ইউএনও সাংবাদিকদের বলেন, সীমান্তের এপারের বাংলাদেশের লোকজন যেন আতঙ্কিত না হয় সে ব‍্যাপারে প্রশাসন ও সীমান্ত বাহিনী কাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, রাত থেকে টানা বৃষ্টিপাত চললেও বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে গতকাল সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) মিয়ানমারের সরকার বাহিনী এবং বিদ্রোহী গেরিলাদের মধ্যকার গোলাগুলি অব্যাহত ছিল।
ঘুমধুমের তমব্রু এলাকার বাসিন্দা এনামুল হক জানান, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম, তমব্রু, বাইশফাঁড়ি, ফাত্রাঝিরি, কোনারপাড়া থেকে সোমবারের গোলাগুলির শব্দ অন্যদিনের তুলনায় অনেক কম শোনা গেছে। তবে কয়েকদিন আগে দুদফায় সীমান্তের ওপার থেকে এপারে ঘুমধুমে মর্টার শেল এসে পড়া ও একদিন গুলির খোসা পাওয়ায় ঘুমধুম সীমান্ত বাসিন্দাদের মধ‍্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এছাড়া সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের যুদ্ধ বিমান ও হেলিকপ্টার ঘুমধুমের সংলগ্নে মহড়া দেওয়ায় এপারের লোকজনের মধ‍্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে শ্রমিকরা কাজ বন্ধ রেখে নিরাপদে সরে এসেছেন বলে ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারমান জাহাঙ্গীর আজিজ ও ২নং ওয়ার্ড মেম্বার দিল মোহাম্মদ ও ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল কালাম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। সে আতঙ্ক সীমান্ত এলাকার লোকজনের মধ‍্যে এখনো রয়েছে।
নাইক্ষ‍্যংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শফি উল্লাহ বলেন, ঘুমধুম সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় মিয়ানমারে প্রায় একমাস যাবত সরকারি বাহিনীর সাথে স্বাধীনতাকামী আরাকান বাহিনীর সংঘর্ষ ও গোলাগুলি যে কোনো সময়ই হচ্ছে। সেদেশের নিক্ষিপ্ত মর্টারশেল ঘুমধুমের অভ‍্যন্তরে পড়ায় বাংলাদেশের ঘুমধুম সীমান্তের লোকজনের ম‍ধ‍্যে ভীতি কাজ করছে। অনেকে ভয়ে কাজে যাচ্ছেন না।
ঘুমধুম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ প্রথমদিকে গণমাধ‍্যমের সাথে কথা বললেও এখন তেমন কথা বলছেন না।
বান্দরবান জেলা সদর থেকে ঘুমধুমের দূরত্ব প্রায় ১৭০ কিলোমিটার। ঘুমধুম সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবি কক্সবাজার বিজিবি সেক্টরের নিয়ন্ত্রণে হওয়ায় এবং কক্সবাজার বিজিবি কর্মকর্তাদের বক্তব‍্য না পাওয়ায় গণমাধ্যমগুলো স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এলাকার বাসিন্দা এবং নিজস্ব সূত্রগুলো (সোর্স) এর কাছে হতেই সেখানকার পরিস্থিতি প্রকাশ করছে। বান্দরবানের সাংবাদিকরাও জনপ্রতিনিধি ও এলাকার লোকজন থেকে তথ‍্য পাওয়ার ওপর নির্ভরশীল।

কয়েকজন সাংবাদিক বলেন, প্রশাসন কিংবা সরকারের পক্ষ থেকে সীমান্তের পরিস্থিতি জানানো হলে সঠিক তথ‍্য নিশ্চিত হওয়া যেত, অন‍্যথায় সীমান্ত নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।