চকরিয়া অফিস :: এবার সাংসদ জাফর আলমের হামলার শিকার হলেন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য আলমগীর হোছাইন। পরে সাংসদের নির্দেশে তার ব্যক্তিগত সহকারি আমিন চৌধুরী ও ছাত্রলীগ ক্যাডার মিসকাত খোকার নেতৃত্বে ১০-১২জন সন্ত্রাসীরা তাকে হামলা করে। আওয়ামী লীগ নেতাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সিনিয়র নেতারা। আজ রবিবার ০৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টার দিকে পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের পুকপুকুরিয়া পৌর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন চলাকালিন সময়ে এ ঘটনা ঘটে। এই নিয়ে পুরো উপজেলায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দলের নেতাকর্মীরা জানান, রবিবার দুপুর ১২টার দিকে চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন চলাকালিন সময় আলমগীর হোছাইন বক্তব্য দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ওইসময় সাংসদ জাফর আলম বক্তব্য দেওয়া যাবে না বলে তাকে জানিয়ে দেন। একপর্যায়ে কেন বক্তব্য দেয়া হবে জানতে চান আলমগীর। এসময় সাংসদ ক্ষিপ্ত হয়ে আলমগীরের মা-বাবার নাম ধরে গালিগালাজ ও থাপ্পড় মারেন। ওইসময় সাংসদের ব্যক্তিগত সহকারি আমিন চৌধুরী ও ছাত্রলীগ ক্যাডার মিসকাত খোকার নেতৃত্বে আরমগীরের উপর হামলা চালায়। এতে মারাত্মকভাবে আহত হন তিনি। পরে আওয়ামী লীগ নেতারা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। এসময় তার কাছে থাকা একটি স্যামস্যাং এর মোবাইল ও নগদ ১২হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
এদিকে বিকাল ৫টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে আহত আলমগীর হোছাইন বলেন, পরিকল্পিতভাবে সাংসদ জাফর আলম তাকে মারধর ও হামলা করেছে। পরে তার উপর ঝাপিয়ে পড়ে সাংসদের ব্যক্তিগত সহকারি আমিন চৌধুরী ও মিসকাত খোকার নেতৃত্বে ১০-১২জন সন্ত্রাসী। তারা আমার শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম করেছে। এতে মারাত্মক আহত হই।
তিনি আরও বলেন, তার পুরো পরিবার আওয়ামী লীগ করে। যে কোন আন্দোলন সংগ্রামে তার পরিবারের ভূমিকা রয়েছে। আমি এ হামলার ঘটনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাছের বিচার দাবী করছি।
এব্যাপারে ঘটনাস্থলে উপস্থিত কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চকরিয়া সাংগঠনিক টীমের সদস্য সচিব এডভোকেট রনজিত দাশ বলেন, আওয়ামীলীগ নেতা আলমগীর বক্তব্য দেয়া নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় সাংসদের সাথে। ওইসময় তার অনুসারীরা এসে মারধর করেছে।

চকরিয়া অফিস :: এবার সাংসদ জাফর আলমের হামলার শিকার হলেন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য আলমগীর হোছাইন। পরে সাংসদের নির্দেশে তার ব্যক্তিগত সহকারি আমিন চৌধুরী ও ছাত্রলীগ ক্যাডার মিসকাত খোকার নেতৃত্বে ১০-১২জন সন্ত্রাসীরা তাকে হামলা করে। আওয়ামী লীগ নেতাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সিনিয়র নেতারা। আজ রবিবার ০৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টার দিকে পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের পুকপুকুরিয়া পৌর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন চলাকালিন সময়ে এ ঘটনা ঘটে। এই নিয়ে পুরো উপজেলায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দলের নেতাকর্মীরা জানান, রবিবার দুপুর ১২টার দিকে চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন চলাকালিন সময় আলমগীর হোছাইন বক্তব্য দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ওইসময় সাংসদ জাফর আলম বক্তব্য দেওয়া যাবে না বলে তাকে জানিয়ে দেন। একপর্যায়ে কেন বক্তব্য দেয়া হবে জানতে চান আলমগীর। এসময় সাংসদ ক্ষিপ্ত হয়ে আলমগীরের মা-বাবার নাম ধরে গালিগালাজ ও থাপ্পড় মারেন। ওইসময় সাংসদের ব্যক্তিগত সহকারি আমিন চৌধুরী ও ছাত্রলীগ ক্যাডার মিসকাত খোকার নেতৃত্বে আরমগীরের উপর হামলা চালায়। এতে মারাত্মকভাবে আহত হন তিনি। পরে আওয়ামী লীগ নেতারা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে। এসময় তার কাছে থাকা একটি স্যামস্যাং এর মোবাইল ও নগদ ১২হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
এদিকে বিকাল ৫টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে আহত আলমগীর হোছাইন বলেন, পরিকল্পিতভাবে সাংসদ জাফর আলম তাকে মারধর ও হামলা করেছে। পরে তার উপর ঝাপিয়ে পড়ে সাংসদের ব্যক্তিগত সহকারি আমিন চৌধুরী ও মিসকাত খোকার নেতৃত্বে ১০-১২জন সন্ত্রাসী। তারা আমার শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম করেছে। এতে মারাত্মক আহত হই।
তিনি আরও বলেন, তার পুরো পরিবার আওয়ামী লীগ করে। যে কোন আন্দোলন সংগ্রামে তার পরিবারের ভূমিকা রয়েছে। আমি এ হামলার ঘটনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাছের বিচার দাবী করছি।
এব্যাপারে ঘটনাস্থলে উপস্থিত কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চকরিয়া সাংগঠনিক টীমের সদস্য সচিব এডভোকেট রনজিত দাশ বলেন, আওয়ামীলীগ নেতা আলমগীর বক্তব্য দেয়া নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় সাংসদের সাথে। ওইসময় তার অনুসারীরা এসে মারধর করেছে।