ক্রাইম প্রতিবেদক: যশোরে নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডি অনুসন্ধানকালে উদ্ধারকৃত কঙ্কালের পরিচয় সনাক্ত এবং আলামত উদ্ধার সহ ঘটনার সাথে জড়িত দুই আসামীকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই যশোর।গতকাল ১৬ জুলাই অটোরিক্সা ড্রাইভার বিল্লাল হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহ খুনী মোঃ আঃ কাদের মোল্যা (২৩) ও মোঃ জুয়েল শেখ (২৫)কে  কতোয়ালী থানা এলাকার কাঁঠালতলাস্থ জনৈক তিতাশ এর বাড়ির সামনে থেকে আটক করেন। গ্রেফতারকৃতদের স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে ভিকটিমের ব্যাটারী চালিত রিক্সা, হত্যার কাজে ব্যবহৃত চাকু ও ভিকটিমের ব্যবহৃত গামছা উদ্ধার করা হয়।
অ্যাডিশনাল আইজিপি পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার এর সঠিক তত্ত্ববধান ও দিক নির্দেশনায় পিবিআই যশোর জেলা ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার রেশমা শারমিনএর নেতৃত্বে মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ডিএম নূর জামাল সঙ্গীয় এসআই স্নেহাশিস দাশ সহ যশোর জেলার চৌকস দল।
পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ জুন বিকাল ৫টায় অটোরিক্সা নিয়ে ভাড়ার উদ্দেশ্যে নিজ বাড়ি হতে বিল্লাল হোসেন বাহির হয়ে যায়। অনেক রাত হওয়ার পরও মোঃ বিল্লাল হোসেন প্রকাশ মিয়াদ (২৮) বাড়িতে ফিরে না আসলে তার স্ত্রী মোছাঃ শারমিন (২২) তার স্বামীর ব্যবহৃত মোবাইলে ফোন করে মোবাইল ফোন বন্ধ পায়। অনেক খোঁজাজাখুজির পরেও তাকে না পেয়ে মোছাঃ শারমিন তার স্বামী নিখোঁজ সংক্রান্তে যশোর কোতয়ালী থানার জিডি নং—১২২১, তারিখ—২২/০৬/২০২২ খ্রিঃ মূলে সাধারণ ডায়রীভুক্ত করেন।
মোছাঃ শারমিন তার নিখোঁজ স্বামীকে উদ্ধারের জন্য উল্লেখিত জিডি কপি নিয়ে পুলিশ সুপার, পিবিআই, যশোর বরাবরে আবেদন করলে পিবিআই যশোর জেলা বিষয়টি আমলে নিয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেন। একপর্যায়ে ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। গত ৩ জুলাই যশোর কোতয়ালী থানাধীন খিতিবদিয়া গ্রামের জনৈক রেজাউল সরদার এর মেহগনি বাগান হতে কোতয়ালী থানা পুলিশ কর্তৃক পরিহিত কাপড়—চোপড়সহ মানুষের একটি কঙ্কাল উদ্ধার হয়। এসআই ডিএম নূর জামাল মোছাঃ শারমিন কে সাথে নিয়ে থানায় হাজির হয়ে উক্ত কঙ্কালের সাথে থাকা লুঙ্গীর অংশ বিশেষ দেখালে উক্ত লুঙ্গির অংশ বিশেষ তার স্বামীর বলে সনাক্ত করেন।
ঘটনা সংক্রান্তে নিহত মোঃ বিল্লাল হোসেন প্রকাশ মিয়াদ (২৮) এর স্ত্রী মোছাঃ শারমিন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী করে যশোর কোতয়ালী মডেল থানার মামলা নং—৫৮, তারিখ—১৬/০৭/২০২২ খ্রিঃ, ধারা—৩৯৪/৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড আইনে মামলা দায়ের করলে পিবিআই তা স্ব—উদ্রোগে গ্রহণ করেন। পুলিশ সুপার পিবিআই যশোর জেলার হাওলা মতে এসআই ডিএম নূর জামাল হোসেন বিধি মোতাবেক মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে তদন্ত কার্যক্রম কার্যক্রম শুরু করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় জানায় যে, ভিকটিম মোঃ বিল্লাল হোসেন  (২৮) পেশায় একজন অটোরিক্সা চালক। গত ২১ জুন সন্ধ্যার দিকে অভিযুক্ত মোঃ আঃ কাদের মোল্যা (২৩) ও মোঃ জুয়েল শেখ (২৫) দ্বয় কোতয়ালী থানাধীন কাঁঠালতলা মোড়ে বসে ভিকটিম মোঃ বিল্লাল হোসেন মিয়াকে হত্যা করতঃ তার ব্যাটারী চালিত রিক্সাটি ছিনতাই করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মোতাবেক ঐদিনই রাতে ভিকটিম মোঃ বিল্লাল হোসেনকে  মোবাইলে কল করে তাকে কাঁঠালতলা মোড়ে আসতে বলে। তখন ভিকটিম মিয়াদ তার রিক্সাসহ কাঁঠালতলা মোড়ে আসলে আসামীদ্বয় তাকে মহিলার সাথে অনৈতিক মেলামেশার প্রস্তাব করে। ভিকটিম রাজী হলে তারা ভিকটিমের রিক্সাযোগে কোতয়ালী থানাধীন খিতিবদিয়া গ্রামে যায়।
পরবর্তীতে তারা খিতিবদিয়া গ্রামস্থ জৈনক সাইদুল ইসলাম (২৪) এর বসত বাড়ির সামনে কাঁচা রাস্তার উপরে ভিকটিম মিয়াদের রিক্সাটি রেখে তাকে জনৈক রেজাউল সরদার এর মেহগনি বাগানে নিয়ে যায়। যাওয়ার পথে আসামী জুয়েল রাস্তায় একটি দড়ি পেয়ে পকেটে ভরে রাখে। মেহগনি বাগানে যাওয়ার পর অভিযুক্ত জুয়েলের কাছে থাকা রশি দিয়ে পিছন দিক থেকে ভিকটিমের গলায় রশি পেচিয়ে ধরে, সেই সময় কাদের ও জুয়েল রশির দুই দিক থেকে টেনে ধরে রাখে ভিকটিম মাটিতে হাঁটু গেড়ে বসে পড়লে অভিযুক্ত কাদের তার কোমরে থাকা চাকু বের করে ভিকটিমের পেটের বাম পাশে ও রানের পেছন দিকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এরপর অভিযুক্ত জুয়েল আসামী কাদের এর কাছ থেকে চাকুটি নিয়ে ভিকটিমের ডান পাশের পাজরে ও পিঠে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। ভিকটিম মাটিতে পড়ে গেলে অভিযুক্ত কাদের জুয়েলের নিকট থেকে চাকু নিয়ে ভিকটিমের কোমরে থাকা গামছা চাকু দিয়ে কেটে দেয় এবং জুয়েল উক্ত গামছা দিয়ে ভিকটিমের দুই পা বাধে।
অতঃপর অভিযুক্ত জুয়েল ভিকটিমের মাথার চুল টেনে ধরলে কাদের তার হাতে থাকা চাকু দিয়ে ভিকটিমকে জবাই করে হত্যা নিশ্চিত করে। এরপর অভিযুক্ত জুয়েল ভিকটিমের মোবাইল ফোনটি নিয়ে ফোন থেকে সিম ও মেমোরিকার্ড খুলে কাদেরকে দিলে কাদের মেমোরি ও সিম কার্ড বাগানের মধ্যে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে অভিযুক্তদ্বয় ভিকটিমের ব্যাটারী চালিত রিক্সাটি নিয়ে রওনা দিয়ে পথিমধ্যে মোবাইল ফোনটি পাটক্ষেতে ফেলে দেয়। পরের দিন অভিযুক্তদ্বয় ভিকটিম মিয়াদ এর রিক্সাটি বিক্রি করে দেয় মর্মে স্বীকার করে।
ক্রাইম প্রতিবেদক: যশোরে নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডি অনুসন্ধানকালে উদ্ধারকৃত কঙ্কালের পরিচয় সনাক্ত এবং আলামত উদ্ধার সহ ঘটনার সাথে জড়িত দুই আসামীকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই যশোর।গতকাল ১৬ জুলাই অটোরিক্সা ড্রাইভার বিল্লাল হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহ খুনী মোঃ আঃ কাদের মোল্যা (২৩) ও মোঃ জুয়েল শেখ (২৫)কে  কতোয়ালী থানা এলাকার কাঁঠালতলাস্থ জনৈক তিতাশ এর বাড়ির সামনে থেকে আটক করেন। গ্রেফতারকৃতদের স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে ভিকটিমের ব্যাটারী চালিত রিক্সা, হত্যার কাজে ব্যবহৃত চাকু ও ভিকটিমের ব্যবহৃত গামছা উদ্ধার করা হয়।
অ্যাডিশনাল আইজিপি পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার এর সঠিক তত্ত্ববধান ও দিক নির্দেশনায় পিবিআই যশোর জেলা ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার রেশমা শারমিনএর নেতৃত্বে মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ডিএম নূর জামাল সঙ্গীয় এসআই স্নেহাশিস দাশ সহ যশোর জেলার চৌকস দল।
পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ জুন বিকাল ৫টায় অটোরিক্সা নিয়ে ভাড়ার উদ্দেশ্যে নিজ বাড়ি হতে বিল্লাল হোসেন বাহির হয়ে যায়। অনেক রাত হওয়ার পরও মোঃ বিল্লাল হোসেন প্রকাশ মিয়াদ (২৮) বাড়িতে ফিরে না আসলে তার স্ত্রী মোছাঃ শারমিন (২২) তার স্বামীর ব্যবহৃত মোবাইলে ফোন করে মোবাইল ফোন বন্ধ পায়। অনেক খোঁজাজাখুজির পরেও তাকে না পেয়ে মোছাঃ শারমিন তার স্বামী নিখোঁজ সংক্রান্তে যশোর কোতয়ালী থানার জিডি নং—১২২১, তারিখ—২২/০৬/২০২২ খ্রিঃ মূলে সাধারণ ডায়রীভুক্ত করেন।
মোছাঃ শারমিন তার নিখোঁজ স্বামীকে উদ্ধারের জন্য উল্লেখিত জিডি কপি নিয়ে পুলিশ সুপার, পিবিআই, যশোর বরাবরে আবেদন করলে পিবিআই যশোর জেলা বিষয়টি আমলে নিয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেন। একপর্যায়ে ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। গত ৩ জুলাই যশোর কোতয়ালী থানাধীন খিতিবদিয়া গ্রামের জনৈক রেজাউল সরদার এর মেহগনি বাগান হতে কোতয়ালী থানা পুলিশ কর্তৃক পরিহিত কাপড়—চোপড়সহ মানুষের একটি কঙ্কাল উদ্ধার হয়। এসআই ডিএম নূর জামাল মোছাঃ শারমিন কে সাথে নিয়ে থানায় হাজির হয়ে উক্ত কঙ্কালের সাথে থাকা লুঙ্গীর অংশ বিশেষ দেখালে উক্ত লুঙ্গির অংশ বিশেষ তার স্বামীর বলে সনাক্ত করেন।
ঘটনা সংক্রান্তে নিহত মোঃ বিল্লাল হোসেন প্রকাশ মিয়াদ (২৮) এর স্ত্রী মোছাঃ শারমিন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী করে যশোর কোতয়ালী মডেল থানার মামলা নং—৫৮, তারিখ—১৬/০৭/২০২২ খ্রিঃ, ধারা—৩৯৪/৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড আইনে মামলা দায়ের করলে পিবিআই তা স্ব—উদ্রোগে গ্রহণ করেন। পুলিশ সুপার পিবিআই যশোর জেলার হাওলা মতে এসআই ডিএম নূর জামাল হোসেন বিধি মোতাবেক মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে তদন্ত কার্যক্রম কার্যক্রম শুরু করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয় জানায় যে, ভিকটিম মোঃ বিল্লাল হোসেন  (২৮) পেশায় একজন অটোরিক্সা চালক। গত ২১ জুন সন্ধ্যার দিকে অভিযুক্ত মোঃ আঃ কাদের মোল্যা (২৩) ও মোঃ জুয়েল শেখ (২৫) দ্বয় কোতয়ালী থানাধীন কাঁঠালতলা মোড়ে বসে ভিকটিম মোঃ বিল্লাল হোসেন মিয়াকে হত্যা করতঃ তার ব্যাটারী চালিত রিক্সাটি ছিনতাই করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মোতাবেক ঐদিনই রাতে ভিকটিম মোঃ বিল্লাল হোসেনকে  মোবাইলে কল করে তাকে কাঁঠালতলা মোড়ে আসতে বলে। তখন ভিকটিম মিয়াদ তার রিক্সাসহ কাঁঠালতলা মোড়ে আসলে আসামীদ্বয় তাকে মহিলার সাথে অনৈতিক মেলামেশার প্রস্তাব করে। ভিকটিম রাজী হলে তারা ভিকটিমের রিক্সাযোগে কোতয়ালী থানাধীন খিতিবদিয়া গ্রামে যায়।
পরবর্তীতে তারা খিতিবদিয়া গ্রামস্থ জৈনক সাইদুল ইসলাম (২৪) এর বসত বাড়ির সামনে কাঁচা রাস্তার উপরে ভিকটিম মিয়াদের রিক্সাটি রেখে তাকে জনৈক রেজাউল সরদার এর মেহগনি বাগানে নিয়ে যায়। যাওয়ার পথে আসামী জুয়েল রাস্তায় একটি দড়ি পেয়ে পকেটে ভরে রাখে। মেহগনি বাগানে যাওয়ার পর অভিযুক্ত জুয়েলের কাছে থাকা রশি দিয়ে পিছন দিক থেকে ভিকটিমের গলায় রশি পেচিয়ে ধরে, সেই সময় কাদের ও জুয়েল রশির দুই দিক থেকে টেনে ধরে রাখে ভিকটিম মাটিতে হাঁটু গেড়ে বসে পড়লে অভিযুক্ত কাদের তার কোমরে থাকা চাকু বের করে ভিকটিমের পেটের বাম পাশে ও রানের পেছন দিকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এরপর অভিযুক্ত জুয়েল আসামী কাদের এর কাছ থেকে চাকুটি নিয়ে ভিকটিমের ডান পাশের পাজরে ও পিঠে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। ভিকটিম মাটিতে পড়ে গেলে অভিযুক্ত কাদের জুয়েলের নিকট থেকে চাকু নিয়ে ভিকটিমের কোমরে থাকা গামছা চাকু দিয়ে কেটে দেয় এবং জুয়েল উক্ত গামছা দিয়ে ভিকটিমের দুই পা বাধে।
অতঃপর অভিযুক্ত জুয়েল ভিকটিমের মাথার চুল টেনে ধরলে কাদের তার হাতে থাকা চাকু দিয়ে ভিকটিমকে জবাই করে হত্যা নিশ্চিত করে। এরপর অভিযুক্ত জুয়েল ভিকটিমের মোবাইল ফোনটি নিয়ে ফোন থেকে সিম ও মেমোরিকার্ড খুলে কাদেরকে দিলে কাদের মেমোরি ও সিম কার্ড বাগানের মধ্যে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে অভিযুক্তদ্বয় ভিকটিমের ব্যাটারী চালিত রিক্সাটি নিয়ে রওনা দিয়ে পথিমধ্যে মোবাইল ফোনটি পাটক্ষেতে ফেলে দেয়। পরের দিন অভিযুক্তদ্বয় ভিকটিম মিয়াদ এর রিক্সাটি বিক্রি করে দেয় মর্মে স্বীকার করে।