সেলিম উদ্দীন,ঈদগাঁও প্রতিনিধি:  কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের পাহাড়ি এলাকায় বিভিন্ন সময় তান্ডব চালিয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসাধণ করে বন্যহাতির দল। এসব ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বন বিভাগ।

এর ধারাবাহিকতায় কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ অফিসে বন্যহাতির আক্রমণে বিভিন্ন সময় ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা যাচাই বাছাই করে ক্ষতিগ্রস্ত ২১ জন পরিবারের সদস্যদের হাতে আজ শনিবার ( ১১ জুন) দুপুরে পৃথক ক্ষতিপূরণের ৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক বিপুল কৃষ্ণ দাস।

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে ও সহকারী বন সংরক্ষক প্রানতোষ চন্দ্র রায়ের পরিচালনায় ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ অফিসে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি বন সংরক্ষক বিপুল কৃষ্ণ দাস বলেন, পাহাড়ে আবাস্থল ও করিডোর নষ্ট হওয়ায় বন্যহাতিগুলো লোকালয়ে নেমে পড়ছে। তাই দুর্গম এলাকায় বসবাসকারীদেরকে জান মালের নিরাপত্তার স্বার্থে বেশি বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

No description available.

তিনি বলেন, বন্য প্রাণীরাও যাতে নিরাপদে বসবাস করতে পারে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। ভবিষ্যতে বন্যপ্রাণী মানুষের ক্ষতি করে থাকলে, বনবিভাগের পক্ষ থেকে বিধি মোতাবেক ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ সরওয়ার আলম, চট্টগ্রাম ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোছাইন, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বন্যপ্রাণী দ্বারা আক্রান্ত মানুষের জান-মাল নিরুপণ কমিটির আহবায়ক জেপি দেওয়ান ও চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী।

এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, বন এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, বন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং নেকম এনজিও‘র প্রতিনিধিগণ। এরআগে বন সংরক্ষক বিপুল কৃষ্ণ দাস কক্সবাজার জেলায় সবুজ বেষ্টনী সৃজন, প্রতিবেশ পুনরুদ্ধার ও ইকোট্যুরিজম উন্নয়ন প্রকল্পের উপকারভোগীদের দিনব্যপী প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠান শেষে বন সংরক্ষক বিপুল কৃষ্ণ দাস ফাসিয়াখালী বনবিটে সুফল প্রকল্পের আওতায় ২০২১-২০২২ আর্থিক সনে সৃজিত এনরিচমেন্ট বাগান পরিদর্শন করেন এবং সেখানে একটি বট গাছের চারা রোপন করে বৃক্ষরোপন অভিযানে সামিল হন।

সেলিম উদ্দীন,ঈদগাঁও প্রতিনিধি:  কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের পাহাড়ি এলাকায় বিভিন্ন সময় তান্ডব চালিয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসাধণ করে বন্যহাতির দল। এসব ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বন বিভাগ।

এর ধারাবাহিকতায় কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ অফিসে বন্যহাতির আক্রমণে বিভিন্ন সময় ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা যাচাই বাছাই করে ক্ষতিগ্রস্ত ২১ জন পরিবারের সদস্যদের হাতে আজ শনিবার ( ১১ জুন) দুপুরে পৃথক ক্ষতিপূরণের ৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক বিপুল কৃষ্ণ দাস।

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে ও সহকারী বন সংরক্ষক প্রানতোষ চন্দ্র রায়ের পরিচালনায় ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ অফিসে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি বন সংরক্ষক বিপুল কৃষ্ণ দাস বলেন, পাহাড়ে আবাস্থল ও করিডোর নষ্ট হওয়ায় বন্যহাতিগুলো লোকালয়ে নেমে পড়ছে। তাই দুর্গম এলাকায় বসবাসকারীদেরকে জান মালের নিরাপত্তার স্বার্থে বেশি বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

No description available.

তিনি বলেন, বন্য প্রাণীরাও যাতে নিরাপদে বসবাস করতে পারে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। ভবিষ্যতে বন্যপ্রাণী মানুষের ক্ষতি করে থাকলে, বনবিভাগের পক্ষ থেকে বিধি মোতাবেক ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ সরওয়ার আলম, চট্টগ্রাম ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোছাইন, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বন্যপ্রাণী দ্বারা আক্রান্ত মানুষের জান-মাল নিরুপণ কমিটির আহবায়ক জেপি দেওয়ান ও চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী।

এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, বন এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, বন বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং নেকম এনজিও‘র প্রতিনিধিগণ। এরআগে বন সংরক্ষক বিপুল কৃষ্ণ দাস কক্সবাজার জেলায় সবুজ বেষ্টনী সৃজন, প্রতিবেশ পুনরুদ্ধার ও ইকোট্যুরিজম উন্নয়ন প্রকল্পের উপকারভোগীদের দিনব্যপী প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠান শেষে বন সংরক্ষক বিপুল কৃষ্ণ দাস ফাসিয়াখালী বনবিটে সুফল প্রকল্পের আওতায় ২০২১-২০২২ আর্থিক সনে সৃজিত এনরিচমেন্ট বাগান পরিদর্শন করেন এবং সেখানে একটি বট গাছের চারা রোপন করে বৃক্ষরোপন অভিযানে সামিল হন।