দেশে সাম্প্রদায়িক উস্কানি ক্রমাগত হারে বাড়ছে।চলতি বছরে দেশের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের অপতৎপরতা আশংকাজনকহারে বেড়েই চলছে। এর দায় কি সরকার নেবে না? সরকার সাম্প্রদায়িক উস্কানীদাতাদের চিহ্নিত করে বিচারের কাঠ গড়ায় আনতে না পারে তাহলে বরংবার এ ঘঠনা বৃদ্ধি পাবে। কঠোর হস্তে দমন করা না হলে সরকার জনগনের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হবে। ‘একের পর এক ঘটনা কিন্তু আমাদের হৃদয়কে ভেঙে দিচ্ছে। এই সরকারের আমলে এ ধরনের ঘটনার মাত্রা যে বাড়বে, তা তো আমরা ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে কল্পনাও করিনি। উন্নয়ন হচ্ছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে, কিন্তু মানসিকতার জায়গায় যুদ্ধাপরাধীরা যা লালন করে, তাই ছড়িয়ে যাচ্ছে। তাদের রাজনীতি প্রকাশ্যে নেই, কিন্তু অপ্রকাশ্যে তাদের রাজনীতি তৃণমূল পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে।’

প্রসঙ্গত, গত ২২ মার্চ সকালে মুন্সীগঞ্জের বিনোদপুর রামকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ওঠে বিজ্ঞান ও গণিতের শিক্ষক হৃদয় মণ্ডলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিচারের দাবিতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনতে না পেরে প্রধান শিক্ষক আলাউদ্দিন আহম্মেদ পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং শিক্ষক হৃদয় মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরে বিদ্যালয়ের ইলেকট্রিশিয়ান আসাদ বাদী হয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্মানুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

তবে, হৃদয় মণ্ডলের ক্ষেত্রে যা হয়েছে, এটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক একটি ঘটনা। এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটছে এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে যেভাবে আসামি বানানো হচ্ছে, তাতে এ ঘটনা নতুন কিছু না। এ রকম ঘটনা আগেও অনেক ঘটেছে এবং প্রশাসনের মধ্যে থেকে করা হয়েছে। এগুলো তো কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য না।  এগুলো তদন্ত করে যারা এর পেছনে দায়ী, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। বৈষম্য বিলোপ আইনের কথা সংসদে আলোচনা হয়েছে, এগুলো কী সরকারের নজরে আসে না, দেশের ভাবমূর্তি কী খুব উজ্জ্বল করছে তা।

দেশের ভেতর সরকার একটি সাম্প্রদায়িক নীতি অনুসরণ করছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় তার প্রতিফলন ঘটানোর ফলে একের পর এক এ ধরনের ঘটনা ঘটে চলছে। তারই সর্বশেষ নিদর্শন হচ্ছে হৃদয় মণ্ডলের এ ঘটনা। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। সরকার অবিলম্বে তার মুক্তির ব্যবস্থা করুক। এ ধরনের তৎপরতা কঠোরভাবে দমন করতে হবে।’

এটি শুধু হৃদয় মণ্ডলের ঘটনাই না, বাংলাদেশের সম্প্রীতি, সমাজকে যারা নষ্ট করতে চায়, ধর্মকে একটি ঘৃণার জায়গায় নিয়ে যেতে চায়, শান্তির একটি ধর্মকে হিংসাত্মক ধর্মে রূপান্তরিত করতে চাই; তারাই এ ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে। তাদের তো কোনও সীমা নেই। এখানে অল্প বয়সের শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা হচ্ছে। তারা কারা? তাদের অবিলম্বে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হোক।

দেশে সাম্প্রদায়িক উস্কানি ক্রমাগত হারে বাড়ছে।চলতি বছরে দেশের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের অপতৎপরতা আশংকাজনকহারে বেড়েই চলছে। এর দায় কি সরকার নেবে না? সরকার সাম্প্রদায়িক উস্কানীদাতাদের চিহ্নিত করে বিচারের কাঠ গড়ায় আনতে না পারে তাহলে বরংবার এ ঘঠনা বৃদ্ধি পাবে। কঠোর হস্তে দমন করা না হলে সরকার জনগনের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হবে। ‘একের পর এক ঘটনা কিন্তু আমাদের হৃদয়কে ভেঙে দিচ্ছে। এই সরকারের আমলে এ ধরনের ঘটনার মাত্রা যে বাড়বে, তা তো আমরা ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে কল্পনাও করিনি। উন্নয়ন হচ্ছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে, কিন্তু মানসিকতার জায়গায় যুদ্ধাপরাধীরা যা লালন করে, তাই ছড়িয়ে যাচ্ছে। তাদের রাজনীতি প্রকাশ্যে নেই, কিন্তু অপ্রকাশ্যে তাদের রাজনীতি তৃণমূল পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে।’

প্রসঙ্গত, গত ২২ মার্চ সকালে মুন্সীগঞ্জের বিনোদপুর রামকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ওঠে বিজ্ঞান ও গণিতের শিক্ষক হৃদয় মণ্ডলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিচারের দাবিতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনতে না পেরে প্রধান শিক্ষক আলাউদ্দিন আহম্মেদ পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং শিক্ষক হৃদয় মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরে বিদ্যালয়ের ইলেকট্রিশিয়ান আসাদ বাদী হয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্মানুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

তবে, হৃদয় মণ্ডলের ক্ষেত্রে যা হয়েছে, এটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক একটি ঘটনা। এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটছে এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে যেভাবে আসামি বানানো হচ্ছে, তাতে এ ঘটনা নতুন কিছু না। এ রকম ঘটনা আগেও অনেক ঘটেছে এবং প্রশাসনের মধ্যে থেকে করা হয়েছে। এগুলো তো কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য না।  এগুলো তদন্ত করে যারা এর পেছনে দায়ী, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। বৈষম্য বিলোপ আইনের কথা সংসদে আলোচনা হয়েছে, এগুলো কী সরকারের নজরে আসে না, দেশের ভাবমূর্তি কী খুব উজ্জ্বল করছে তা।

দেশের ভেতর সরকার একটি সাম্প্রদায়িক নীতি অনুসরণ করছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় তার প্রতিফলন ঘটানোর ফলে একের পর এক এ ধরনের ঘটনা ঘটে চলছে। তারই সর্বশেষ নিদর্শন হচ্ছে হৃদয় মণ্ডলের এ ঘটনা। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। সরকার অবিলম্বে তার মুক্তির ব্যবস্থা করুক। এ ধরনের তৎপরতা কঠোরভাবে দমন করতে হবে।’

এটি শুধু হৃদয় মণ্ডলের ঘটনাই না, বাংলাদেশের সম্প্রীতি, সমাজকে যারা নষ্ট করতে চায়, ধর্মকে একটি ঘৃণার জায়গায় নিয়ে যেতে চায়, শান্তির একটি ধর্মকে হিংসাত্মক ধর্মে রূপান্তরিত করতে চাই; তারাই এ ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে। তাদের তো কোনও সীমা নেই। এখানে অল্প বয়সের শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা হচ্ছে। তারা কারা? তাদের অবিলম্বে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হোক।