ব্রাসেলসে নিজ পাঠ্যটেবিলে বসে দেশের শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে স্লোগান লিখছিলেন ১৯ বছর বয়সী শিক্ষার্থী মায়া গুরদেল। ২০১২ সালের ‘দ্য হাঙ্গার গেমস’ চলচ্চিত্র থেকে নেওয়া তার সেই স্লোগান ছিল—‘আমরা পুড়লে, তোমরাও আমাদের সঙ্গে পুড়বে!’ বিশ্বজুড়ে ক্ষুব্ধ তরুণদের সংগ্রামের প্রতীকে পরিণত হওয়া এই বক্তব্য এখন ইউরোপের রাজপথে ধ্বনিত হচ্ছে। প্যারিসের শহরতলি থেকে শুরু করে বেলগ্রেডের রাজপথ পর্যন্ত ইউরোপজুড়ে তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে ছড়িয়ে পড়ছে এক নজিরবিহীন বিক্ষোভ।

ক্ষোভ, হতাশা এবং জীবনযাত্রার মান পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা থেকে এই জেন-জি (১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া প্রজন্ম) আন্দোলন গড়ে উঠেছে। আন্দোলনকারীদের দাবির মধ্যে রয়েছে জরাজীর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অর্থনৈতিক সুযোগের ঘাটতি, লাগামহীন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, দুর্নীতি, তীব্র আবাসন সংকট এবং নীতিনির্ধারকদের কাছে নিজেদের মতামত উপেক্ষিত হওয়ার ক্ষোভ। ফ্রান্সসহ বেশ কিছু দেশে এই বিক্ষোভ সহিংস রূপ রূপ নিয়েছে; যেখানে হাজার হাজার দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের মুখে পড়েছে এবং পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশকে টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করতে হয়েছে।

তবে বিক্ষোভের ফলশ্রুতিতে কিছু দেশে ইতোমধ্যে বড় ধরনের রাজনৈতিক রদবদল ঘটেছে। দীর্ঘ দুই বছর ধরে দুর্নীতি ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে চলা শিক্ষার্থী নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের মুখে চলতি সপ্তাহে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন সার্বিয়ার দীর্ঘদিনের নেতা আলেকসান্দার ভুচিচ। এই বিজয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী স্তাশা পিলেতিচ জানান, ঘুম থেকে উঠেই তাদের মধ্যে এক ধরনের স্বাধীনতা ও স্বস্তির অনুভূতি কাজ করছে। তারা এখন আন্দোলন থেকে দেশ পরিচালনায় দায়িত্ব গ্রহণের পর্যায়ে পৌঁছেছেন। যদিও নতুন সরকারের পরিচালকদের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তবে আন্দোলনকারী সদস্য লুকা স্তোয়াকোভিচ বলেন, অভিজ্ঞ রাজনীতিকরা দেশকে কোথায় নিয়ে গেছেন তা সবাই দেখেছে।

ইতালির মিলানে চলা বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ২১ বছর বয়সী শিক্ষার্থী কিয়ারা জানান, বর্তমান শাসকশ্রেণি নতুন প্রজন্মের কাছ থেকে ভবিষ্যৎ কল্পনা বা স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে। তাদের জন্য অপেক্ষা করছে কম বেতনের অপ্রাসঙ্গিক চাকরি, জরাজীর্ণ স্কুল ভবন এবং নিজ শহরের বাইরে অতিরিক্ত ব্যয়ের ছোট ঘরে বসবাস করার নির্মম বাস্তবতা। এই ক্ষোভের সুযোগেই সম্মিলিত পদক্ষেপের জন্ম হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।

রাজনৈতিক অঙ্গনে তরুণদের এই জোয়ার কোনো একক দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ, ২০২৫ সালে নেপাল এবং চলতি বছর ভারতে তরুণদের বিক্ষোভের পর এবার ইউরোপ হয়ে উঠেছে জেন-জি আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২০২৫ সালের একটি জরিপ অনুযায়ী, ১৬ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণদের ৪০ শতাংশের প্রধান উদ্বেগ হলো দ্রব্যমূল্য ও জীবনযাত্রার ব্যয়। ওই বছর ইউরোপীয় ইউনিয়নে দারিদ্র্য ও সামাজিক বঞ্চনার ঝুঁকিতে থাকা ৯ কোটি ২৭ লাখ মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ছিলেন ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সীরা, যার হার ২৬.৩ শতাংশ। বিপরীতে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে এই হার ছিল ১৮.৮ শতাংশ।

বয়স্ক প্রজন্মের আর্থিক সুবিধা যোগাতে গিয়ে তরুণরা বাড়তি চাপের মুখে পড়ছেন বলেও বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ফরাসি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওএফসিই-র তথ্যমতে, ফ্রান্সে মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশের বয়স ৬০ বছরের বেশি হলেও দেশের মোট সম্পদের ৬০ শতাংশই তাদের অধীনে। ফ্রান্সে সরকারি ব্যয়ের সবচেয়ে বড় খাত পেনশন, যা জিডিপির ১৪ শতাংশের দিকে এগোচ্ছে। অথচ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ কমছে। ফরাসি সরকারের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০০০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে পেনশন খাতে ব্যয় জিডিপির অনুপাতে ২.৫ শতাংশ পয়েন্ট বাড়লেও শিক্ষা খাতে কমেছে ০.৫ শতাংশ পয়েন্ট। এমনকি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেটের ৩২ শতাংশই চলে যাচ্ছে পেনশনে।

পেনশন খাতের ব্যয়ে ফ্রান্সের চেয়েও এগিয়ে রয়েছে গ্রিস ও ইতালি। অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার (ওইসিডি) ২০২৫ সালের তথ্য অনুসারে, দেশ দুটি তাদের জাতীয় আয়ের প্রায় ১৬ শতাংশ সরকারি পেনশনে ব্যয় করে, যেখানে অস্ট্রেলিয়া, চিলি, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়ায় এই ব্যয় জিডিপির ৪ শতাংশের নিচে। প্যারিসের উত্তরের ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থী বিলাল নারজিসি নিজের স্কুলের শোচনীয় পরিবেশের কথা তুলে ধরে জানান, তাদের স্কুলে আগে ইঁদুরের উপদ্রব ছিল এবং ছাদ ধসে পড়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। বেলজিয়ামেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নতির দাবিতে তরুণরা সোচ্চার হয়েছেন, যেখানে শান্তভাবে কথা না শুনলে মানুষ শেষ পর্যন্ত চরম পথ বেছে নিতে বাধ্য হয় বলে মন্তব্য করেছেন গুরদেল।

এদিকে জীবনযাত্রার ব্যয়, সামাজিক বৈষম্য ও যুদ্ধের প্রতিবাদে চলতি সপ্তাহান্তে জার্মানিতে বিক্ষোভের প্রস্তুতি চলছে। আলবেনিয়াতেও প্রধানমন্ত্রী এদি রামার সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও কর্মসংস্থানের অভাব নিয়ে রাজপথে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। রাজধানী তিরানা ছাড়িয়ে অন্যান্য শহরে ছড়িয়ে পড়া এই আন্দোলনে অংশ নেওয়া ১৯ বছর বয়সী স্থাপত্যের শিক্ষার্থী জাইক কুর্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ১৩০ দিন ধরে প্রধানমন্ত্রী তাদের কথা শোনেননি। তার মতে, নিজের দেশে স্বজনপ্রীতি ও প্রভাবশালী যোগাযোগ ছাড়া সুযোগ না থাকায় বেশিরভাগ আলবেনীয় শিক্ষার্থী তাদের ভবিষ্যৎ দেশের বাইরে দেখছেন।

ব্রাসেলসে নিজ পাঠ্যটেবিলে বসে দেশের শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে স্লোগান লিখছিলেন ১৯ বছর বয়সী শিক্ষার্থী মায়া গুরদেল। ২০১২ সালের ‘দ্য হাঙ্গার গেমস’ চলচ্চিত্র থেকে নেওয়া তার সেই স্লোগান ছিল—‘আমরা পুড়লে, তোমরাও আমাদের সঙ্গে পুড়বে!’ বিশ্বজুড়ে ক্ষুব্ধ তরুণদের সংগ্রামের প্রতীকে পরিণত হওয়া এই বক্তব্য এখন ইউরোপের রাজপথে ধ্বনিত হচ্ছে। প্যারিসের শহরতলি থেকে শুরু করে বেলগ্রেডের রাজপথ পর্যন্ত ইউরোপজুড়ে তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে ছড়িয়ে পড়ছে এক নজিরবিহীন বিক্ষোভ।

ক্ষোভ, হতাশা এবং জীবনযাত্রার মান পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা থেকে এই জেন-জি (১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া প্রজন্ম) আন্দোলন গড়ে উঠেছে। আন্দোলনকারীদের দাবির মধ্যে রয়েছে জরাজীর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অর্থনৈতিক সুযোগের ঘাটতি, লাগামহীন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, দুর্নীতি, তীব্র আবাসন সংকট এবং নীতিনির্ধারকদের কাছে নিজেদের মতামত উপেক্ষিত হওয়ার ক্ষোভ। ফ্রান্সসহ বেশ কিছু দেশে এই বিক্ষোভ সহিংস রূপ রূপ নিয়েছে; যেখানে হাজার হাজার দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের মুখে পড়েছে এবং পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশকে টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করতে হয়েছে।

তবে বিক্ষোভের ফলশ্রুতিতে কিছু দেশে ইতোমধ্যে বড় ধরনের রাজনৈতিক রদবদল ঘটেছে। দীর্ঘ দুই বছর ধরে দুর্নীতি ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে চলা শিক্ষার্থী নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের মুখে চলতি সপ্তাহে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন সার্বিয়ার দীর্ঘদিনের নেতা আলেকসান্দার ভুচিচ। এই বিজয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী স্তাশা পিলেতিচ জানান, ঘুম থেকে উঠেই তাদের মধ্যে এক ধরনের স্বাধীনতা ও স্বস্তির অনুভূতি কাজ করছে। তারা এখন আন্দোলন থেকে দেশ পরিচালনায় দায়িত্ব গ্রহণের পর্যায়ে পৌঁছেছেন। যদিও নতুন সরকারের পরিচালকদের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তবে আন্দোলনকারী সদস্য লুকা স্তোয়াকোভিচ বলেন, অভিজ্ঞ রাজনীতিকরা দেশকে কোথায় নিয়ে গেছেন তা সবাই দেখেছে।

ইতালির মিলানে চলা বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ২১ বছর বয়সী শিক্ষার্থী কিয়ারা জানান, বর্তমান শাসকশ্রেণি নতুন প্রজন্মের কাছ থেকে ভবিষ্যৎ কল্পনা বা স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে। তাদের জন্য অপেক্ষা করছে কম বেতনের অপ্রাসঙ্গিক চাকরি, জরাজীর্ণ স্কুল ভবন এবং নিজ শহরের বাইরে অতিরিক্ত ব্যয়ের ছোট ঘরে বসবাস করার নির্মম বাস্তবতা। এই ক্ষোভের সুযোগেই সম্মিলিত পদক্ষেপের জন্ম হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।

রাজনৈতিক অঙ্গনে তরুণদের এই জোয়ার কোনো একক দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ, ২০২৫ সালে নেপাল এবং চলতি বছর ভারতে তরুণদের বিক্ষোভের পর এবার ইউরোপ হয়ে উঠেছে জেন-জি আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২০২৫ সালের একটি জরিপ অনুযায়ী, ১৬ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণদের ৪০ শতাংশের প্রধান উদ্বেগ হলো দ্রব্যমূল্য ও জীবনযাত্রার ব্যয়। ওই বছর ইউরোপীয় ইউনিয়নে দারিদ্র্য ও সামাজিক বঞ্চনার ঝুঁকিতে থাকা ৯ কোটি ২৭ লাখ মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ছিলেন ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সীরা, যার হার ২৬.৩ শতাংশ। বিপরীতে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে এই হার ছিল ১৮.৮ শতাংশ।

বয়স্ক প্রজন্মের আর্থিক সুবিধা যোগাতে গিয়ে তরুণরা বাড়তি চাপের মুখে পড়ছেন বলেও বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ফরাসি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওএফসিই-র তথ্যমতে, ফ্রান্সে মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশের বয়স ৬০ বছরের বেশি হলেও দেশের মোট সম্পদের ৬০ শতাংশই তাদের অধীনে। ফ্রান্সে সরকারি ব্যয়ের সবচেয়ে বড় খাত পেনশন, যা জিডিপির ১৪ শতাংশের দিকে এগোচ্ছে। অথচ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ কমছে। ফরাসি সরকারের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০০০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে পেনশন খাতে ব্যয় জিডিপির অনুপাতে ২.৫ শতাংশ পয়েন্ট বাড়লেও শিক্ষা খাতে কমেছে ০.৫ শতাংশ পয়েন্ট। এমনকি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেটের ৩২ শতাংশই চলে যাচ্ছে পেনশনে।

পেনশন খাতের ব্যয়ে ফ্রান্সের চেয়েও এগিয়ে রয়েছে গ্রিস ও ইতালি। অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার (ওইসিডি) ২০২৫ সালের তথ্য অনুসারে, দেশ দুটি তাদের জাতীয় আয়ের প্রায় ১৬ শতাংশ সরকারি পেনশনে ব্যয় করে, যেখানে অস্ট্রেলিয়া, চিলি, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়ায় এই ব্যয় জিডিপির ৪ শতাংশের নিচে। প্যারিসের উত্তরের ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থী বিলাল নারজিসি নিজের স্কুলের শোচনীয় পরিবেশের কথা তুলে ধরে জানান, তাদের স্কুলে আগে ইঁদুরের উপদ্রব ছিল এবং ছাদ ধসে পড়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। বেলজিয়ামেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নতির দাবিতে তরুণরা সোচ্চার হয়েছেন, যেখানে শান্তভাবে কথা না শুনলে মানুষ শেষ পর্যন্ত চরম পথ বেছে নিতে বাধ্য হয় বলে মন্তব্য করেছেন গুরদেল।

এদিকে জীবনযাত্রার ব্যয়, সামাজিক বৈষম্য ও যুদ্ধের প্রতিবাদে চলতি সপ্তাহান্তে জার্মানিতে বিক্ষোভের প্রস্তুতি চলছে। আলবেনিয়াতেও প্রধানমন্ত্রী এদি রামার সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও কর্মসংস্থানের অভাব নিয়ে রাজপথে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। রাজধানী তিরানা ছাড়িয়ে অন্যান্য শহরে ছড়িয়ে পড়া এই আন্দোলনে অংশ নেওয়া ১৯ বছর বয়সী স্থাপত্যের শিক্ষার্থী জাইক কুর্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, ১৩০ দিন ধরে প্রধানমন্ত্রী তাদের কথা শোনেননি। তার মতে, নিজের দেশে স্বজনপ্রীতি ও প্রভাবশালী যোগাযোগ ছাড়া সুযোগ না থাকায় বেশিরভাগ আলবেনীয় শিক্ষার্থী তাদের ভবিষ্যৎ দেশের বাইরে দেখছেন।