ঢাকা অফিস: আইজিপি পদে সম্ভাব্য পরিবর্তনের আলোচনায় এসেছে সাবেক সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজের নাম। ১৫ তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের এই কর্মকর্তা বর্তমানে এপিবিএন’র প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন। ইন্টেরিম সরকারের আমলে তিনি সিএমপিতে পুলিশ কমীশনার হিসাবে যোগদান করেছিলেন। সে সময় অস্ত্র বের করলেই গুলি করার নির্দেশ দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া ওই নির্দেশে তিনি বলেছিলেন, শটগান হবে না, চীনা রাইফেলও বাদ, এখন এসএমজি “বার্স্টফায়ার মোডে”। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হাতে নগরের বন্দর থানার এক কর্মকর্তা গুরুতর আহত হওয়ার পর তিনি এই বার্তা দিয়েছিলেন। সিএমপিতে পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নারী সংক্রান্ত ইটিশ-পিটিশের ছবি সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। এছাড়াও ওসিদের পোস্টিং বানিজ্য সংক্রান্ত ঘুষ দুর্ণীতির খবর সিএমপিতে চাউর হয়।

বর্তমান আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পর পুলিশ প্রধান পদে সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এ পদে হাসিব আজিজ ছাড়াও একই ব্যাচের আরও দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নাম বিবেচনায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রটি জানিয়েছে।

একটি দৈনিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত তথ্য সংবলিত নথি চেয়ে পাঠিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। অন্য দুই কর্মকর্তা হলেন- পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) মহাপরিদর্শক অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবিব পলাশ। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদের নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে আইজিপি নিয়োগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর।

হাসিব আজিজ ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি সিএমপি কমিশনারের দায়িত্ব নেন। প্রায় দেড় বছর দায়িত্ব পালনের পর ২০২৬ সালের মার্চে তাঁকে এপিবিএন প্রধান করা হয়। সিএমপি কমিশনার হওয়ার আগে তিনি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুলের কমান্ড্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনে ইন্টারপোল ডেস্কের প্রধান, টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট এবং এপিবিএন সদর দপ্তরের বিভিন্ন পদেও কাজ করেছেন তিনি।

১৯৭১ সালে শরীয়তপুরে জন্ম নেওয়া হাসিব আজিজ সাবেক আইজিপি এম আজিজুল হকের ছেলে। এম আজিজুল হক ২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

আইজিপি পদে সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত হয় বর্তমান পুলিশ প্রধানের ‘ক্রসফায়ার’ সংক্রান্ত বক্তব্যের পর। গত সোমবার পুরান ঢাকার চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আলী হোসেন ফকির বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে পুলিশ ক্রসফায়ারে যেতে দ্বিধা করবে না। বক্তব্যটি নিয়ে রাজনৈতিক ও সরকারি পর্যায়ে সমালোচনা তৈরি হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদও মন্তব্যটি ‘ঠিক হয়নি’ বলেও জানান।

পরে পুলিশ সদর দপ্তরের ব্যাখ্যায় বলা হয়, আইজিপি বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাতে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করেননি; অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ বোঝাতে রূপক অর্থে শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

ঢাকা অফিস: আইজিপি পদে সম্ভাব্য পরিবর্তনের আলোচনায় এসেছে সাবেক সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজের নাম। ১৫ তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের এই কর্মকর্তা বর্তমানে এপিবিএন’র প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন। ইন্টেরিম সরকারের আমলে তিনি সিএমপিতে পুলিশ কমীশনার হিসাবে যোগদান করেছিলেন। সে সময় অস্ত্র বের করলেই গুলি করার নির্দেশ দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া ওই নির্দেশে তিনি বলেছিলেন, শটগান হবে না, চীনা রাইফেলও বাদ, এখন এসএমজি “বার্স্টফায়ার মোডে”। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হাতে নগরের বন্দর থানার এক কর্মকর্তা গুরুতর আহত হওয়ার পর তিনি এই বার্তা দিয়েছিলেন। সিএমপিতে পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নারী সংক্রান্ত ইটিশ-পিটিশের ছবি সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। এছাড়াও ওসিদের পোস্টিং বানিজ্য সংক্রান্ত ঘুষ দুর্ণীতির খবর সিএমপিতে চাউর হয়।

বর্তমান আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের পর পুলিশ প্রধান পদে সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এ পদে হাসিব আজিজ ছাড়াও একই ব্যাচের আরও দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নাম বিবেচনায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রটি জানিয়েছে।

একটি দৈনিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত তথ্য সংবলিত নথি চেয়ে পাঠিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। অন্য দুই কর্মকর্তা হলেন- পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) মহাপরিদর্শক অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবিব পলাশ। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদের নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে আইজিপি নিয়োগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর।

হাসিব আজিজ ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি সিএমপি কমিশনারের দায়িত্ব নেন। প্রায় দেড় বছর দায়িত্ব পালনের পর ২০২৬ সালের মার্চে তাঁকে এপিবিএন প্রধান করা হয়। সিএমপি কমিশনার হওয়ার আগে তিনি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুলের কমান্ড্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনে ইন্টারপোল ডেস্কের প্রধান, টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট এবং এপিবিএন সদর দপ্তরের বিভিন্ন পদেও কাজ করেছেন তিনি।

১৯৭১ সালে শরীয়তপুরে জন্ম নেওয়া হাসিব আজিজ সাবেক আইজিপি এম আজিজুল হকের ছেলে। এম আজিজুল হক ২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

আইজিপি পদে সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত হয় বর্তমান পুলিশ প্রধানের ‘ক্রসফায়ার’ সংক্রান্ত বক্তব্যের পর। গত সোমবার পুরান ঢাকার চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আলী হোসেন ফকির বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে পুলিশ ক্রসফায়ারে যেতে দ্বিধা করবে না। বক্তব্যটি নিয়ে রাজনৈতিক ও সরকারি পর্যায়ে সমালোচনা তৈরি হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদও মন্তব্যটি ‘ঠিক হয়নি’ বলেও জানান।

পরে পুলিশ সদর দপ্তরের ব্যাখ্যায় বলা হয়, আইজিপি বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাতে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করেননি; অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ বোঝাতে রূপক অর্থে শব্দটি ব্যবহার করেছেন।