২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের অবিলম্বে বিচারের আওতায় আনার দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চরফ্যাশন উপজেলা শাখা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করেছে। বুধবার বিকেল ৪টায় চরফ্যাশন কেন্দ্রীয় খাসমহল মসজিদের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জামায়াত কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভোলা জেলা শাখার সেক্রেটারি কাজী মাওলানা হারুন অর রশিদ বলেন, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধান শেখ হাসিনার নির্দেশে সন্ত্রাসীরা লগি-বৈঠা নিয়ে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, ওই ঘটনায় ছয়জন নেতাকর্মী নিহত হওয়ার পাশাপাশি হামলাকারীরা লাশের ওপর নৃত্য করে গোটা বাংলাদেশকে বিশ্বের সামনে কলঙ্কিত করেছে। তিনি আরও বলেন, সেদিন জামায়াতের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে সভা বানচাল করার পরিকল্পনা থাকলেও মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা পল্টন এলাকায় মানবপ্রাচীর গড়ে তা প্রতিহত করেছিলেন। কাজী মাওলানা হারুন অর রশিদ শেখ হাসিনার আমলের মামলার নথিপত্র গায়েব করার অভিযোগ তুলে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ সকল আসামির বিচার দাবি করেন। এছাড়া তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, গণভোটে জনগণের রায় কার্যকর এবং বাতিল করা অধ্যাদেশগুলো পুনরায় পাস করার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মীর শরীফ হোসেন বলেন, ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। তিনি দাবি করেন, ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করা হয়েছিল, সেদিন জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা বুক চিতিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছিল। বর্তমান সরকারের কাছে তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আবুল কাশেমের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এনামুল হক রায়হান, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা জহির উদ্দিন এবং ছাত্রশিবিরের পৌর সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অফিস সম্পাদক অধ্যাপক রেজাউল হাসান ইমরান ও অ্যাডভোকেট আবু জাফরসহ অন্যান্যরা। বক্তারা অবিলম্বে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জোর দাবি জানান।

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের অবিলম্বে বিচারের আওতায় আনার দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চরফ্যাশন উপজেলা শাখা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করেছে। বুধবার বিকেল ৪টায় চরফ্যাশন কেন্দ্রীয় খাসমহল মসজিদের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জামায়াত কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভোলা জেলা শাখার সেক্রেটারি কাজী মাওলানা হারুন অর রশিদ বলেন, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধান শেখ হাসিনার নির্দেশে সন্ত্রাসীরা লগি-বৈঠা নিয়ে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, ওই ঘটনায় ছয়জন নেতাকর্মী নিহত হওয়ার পাশাপাশি হামলাকারীরা লাশের ওপর নৃত্য করে গোটা বাংলাদেশকে বিশ্বের সামনে কলঙ্কিত করেছে। তিনি আরও বলেন, সেদিন জামায়াতের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে সভা বানচাল করার পরিকল্পনা থাকলেও মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা পল্টন এলাকায় মানবপ্রাচীর গড়ে তা প্রতিহত করেছিলেন। কাজী মাওলানা হারুন অর রশিদ শেখ হাসিনার আমলের মামলার নথিপত্র গায়েব করার অভিযোগ তুলে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ সকল আসামির বিচার দাবি করেন। এছাড়া তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, গণভোটে জনগণের রায় কার্যকর এবং বাতিল করা অধ্যাদেশগুলো পুনরায় পাস করার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে চরফ্যাশন উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ মীর শরীফ হোসেন বলেন, ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। তিনি দাবি করেন, ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করা হয়েছিল, সেদিন জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা বুক চিতিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছিল। বর্তমান সরকারের কাছে তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আবুল কাশেমের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এনামুল হক রায়হান, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মাওলানা জহির উদ্দিন এবং ছাত্রশিবিরের পৌর সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অফিস সম্পাদক অধ্যাপক রেজাউল হাসান ইমরান ও অ্যাডভোকেট আবু জাফরসহ অন্যান্যরা। বক্তারা অবিলম্বে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জোর দাবি জানান।