দেশের একমাত্র প্রবাল সমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্টমার্টিন আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়া হচ্ছে। দ্বীপের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং এর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে সরকার পর্যটক যাতায়াতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা ও বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা থেকে গত ২৫ অক্টোবর জারি করা এক চিঠিতে এই সিদ্ধান্তগুলো জানানো হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন। এছাড়া, দ্বীপে যেতে ইচ্ছুক প্রতিটি পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি প্রদান করতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তর সেন্টমার্টিনগামী কোনো নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না। পর্যটকদের যাতায়াতের জন্য কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত জাহাজগুলো ব্যবহার করতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণ ফি আদায়ের ক্ষেত্রে 'পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬'-এর ২৬ নম্বর বিধি অনুসরণের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের সকল নির্দেশনা বহাল রাখা হয়েছে।

গত ১২ অক্টোবর পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এবং কক্সবাজার জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত প্রবালসমৃদ্ধ এই দ্বীপটি তার স্বচ্ছ পানি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে শীত মৌসুমে পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ হয়ে ওঠে। তবে অতিরিক্ত পর্যটকের চাপ, প্লাস্টিক বর্জ্য এবং অপরিকল্পিত স্থাপনার কারণে দ্বীপটির পরিবেশ দীর্ঘসময় ধরে হুমকির মুখে ছিল। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রবাল ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা, একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সরকার জানিয়েছে, দ্বীপটি খুলে দেওয়া হলেও পরিবেশ সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং পর্যটকদের ভ্রমণের আগে অনুমোদিত জাহাজ, পর্যটক সংখ্যা ও পরিবেশ ফি-সংক্রান্ত নিয়মগুলো জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

দেশের একমাত্র প্রবাল সমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্টমার্টিন আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়া হচ্ছে। দ্বীপের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং এর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে সরকার পর্যটক যাতায়াতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা ও বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা থেকে গত ২৫ অক্টোবর জারি করা এক চিঠিতে এই সিদ্ধান্তগুলো জানানো হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন। এছাড়া, দ্বীপে যেতে ইচ্ছুক প্রতিটি পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি প্রদান করতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তর সেন্টমার্টিনগামী কোনো নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না। পর্যটকদের যাতায়াতের জন্য কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত জাহাজগুলো ব্যবহার করতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণ ফি আদায়ের ক্ষেত্রে 'পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬'-এর ২৬ নম্বর বিধি অনুসরণের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের সকল নির্দেশনা বহাল রাখা হয়েছে।

গত ১২ অক্টোবর পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এবং কক্সবাজার জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত প্রবালসমৃদ্ধ এই দ্বীপটি তার স্বচ্ছ পানি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে শীত মৌসুমে পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ হয়ে ওঠে। তবে অতিরিক্ত পর্যটকের চাপ, প্লাস্টিক বর্জ্য এবং অপরিকল্পিত স্থাপনার কারণে দ্বীপটির পরিবেশ দীর্ঘসময় ধরে হুমকির মুখে ছিল। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রবাল ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করা, একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সরকার জানিয়েছে, দ্বীপটি খুলে দেওয়া হলেও পরিবেশ সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং পর্যটকদের ভ্রমণের আগে অনুমোদিত জাহাজ, পর্যটক সংখ্যা ও পরিবেশ ফি-সংক্রান্ত নিয়মগুলো জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।