রাজধানীর উত্তরায় বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে নামা পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শ্রমিকদের হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন এবং পুলিশের দুটি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেতন বাড়ানোসহ একাধিক দাবিতে সকালে উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়ক দিয়ে মিছিল নিয়ে বের হন পোশাকশ্রমিকরা। তারা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের বাধার মুখে আন্দোলনকারীরা প্রথমে পিছু হটলেও পরে দু'পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন।

ঘটনার বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. রেজাউল করিম জানান, আনুমানিক ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ পোশাকশ্রমিক লাঠিসোঁটা নিয়ে সড়কে অবস্থান নিলে পুলিশ তাদের সঙ্গে কথা বলতে যায়। তবে শ্রমিকরা পুলিশের কথা না শুনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়া হয়। তবে শ্রমিকদের ওপর কোনো লাঠিচার্জ করা হয়নি, কেবল ধাওয়া দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, শ্রমিকদের হামলায় তাদের দু'জন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজনের হাত ভেঙে গেছে। বর্তমানে পুরো এলাকা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

রাজধানীর উত্তরায় বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে নামা পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শ্রমিকদের হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন এবং পুলিশের দুটি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেতন বাড়ানোসহ একাধিক দাবিতে সকালে উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর সড়ক দিয়ে মিছিল নিয়ে বের হন পোশাকশ্রমিকরা। তারা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের বাধার মুখে আন্দোলনকারীরা প্রথমে পিছু হটলেও পরে দু'পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন।

ঘটনার বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. রেজাউল করিম জানান, আনুমানিক ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ পোশাকশ্রমিক লাঠিসোঁটা নিয়ে সড়কে অবস্থান নিলে পুলিশ তাদের সঙ্গে কথা বলতে যায়। তবে শ্রমিকরা পুলিশের কথা না শুনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়া হয়। তবে শ্রমিকদের ওপর কোনো লাঠিচার্জ করা হয়নি, কেবল ধাওয়া দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, শ্রমিকদের হামলায় তাদের দু'জন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন, যার মধ্যে একজনের হাত ভেঙে গেছে। বর্তমানে পুরো এলাকা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।