কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজারের চকরিয়ায় কীটনাশক প্রয়োগের পর মুলা ও ধনিয়াপাতার ক্ষেত পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় দুই কৃষকের প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি, বাজার থেকে কেনা একটি কীটনাশক স্প্রে করার পরপরই ফসল দগ্ধ হতে শুরু করে এবং কয়েক দিনের মধ্যে অধিকাংশ ক্ষেত নষ্ট হয়ে যায়। গত সপ্তাহে চকরিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের পাবলিক স্কুলসংলগ্ন চরে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মোর্শেদ আলম ও বেলাল উদ্দিন জানান, বেতুয়া বাজারের আলতাফ স্টোর থেকে অরণী ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইপরোজিম’ নামের কীটনাশক কিনে পচন রোগ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে জমিতে প্রয়োগ করেন। কিন্তু স্প্রে করার কিছুক্ষণের মধ্যেই মুলা ও ধনিয়াপাতার গাছ কালচে হয়ে পুড়ে যেতে শুরু করে।

মোর্শেদ আলম বলেন, “পচন রোধের জন্য ওষুধ দিয়েছিলাম। কিন্তু ওষুধ দেওয়ার পরই গাছ পুড়ে গেছে। কয়েক লাখ টাকার ফসল নষ্ট হয়েছে। আমি সুষ্ঠু তদন্ত ও ক্ষতিপূরণ চাই।

অপর কৃষক বেলাল উদ্দিন বলেন, “বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে কিস্তিতে ঋণ নিয়ে ২০ শতক জমিতে আগাম মুলা ও ধনিয়াপাতার চাষ করেছিলাম। এখন পুরো ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা নিঃস্ব হওয়ার পথে।”

কৃষকদের অভিযোগ, তাঁদের কাছে নকল বা নিম্নমানের কীটনাশক সরবরাহ করা হয়েছে। বিষয়টি ডিলার ও কোম্পানির প্রতিনিধিকে জানানো হলেও এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কার্যকর কোনো সমাধান হয়নি। তারা কীটনাশকের মান যাচাই, ক্ষয়ক্ষতির নিরপেক্ষ মূল্যায়ন এবং ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ক্ষেতজুড়ে মুলা ও ধনিয়াপাতার গাছ শুকিয়ে কালচে হয়ে গেছে। অনেক গাছ সম্পূর্ণ দগ্ধ হয়ে মাটিতে নুয়ে পড়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে অরণী ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চকরিয়ার ডিলার আলতাফ হোসেন ও কোম্পানির প্রতিনিধি বলেন, “ঘটনার খবর পাওয়ার পর আমরা ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেত পরিদর্শন করেছি। কীটনাশকের নমুনা ল্যাব পরীক্ষার জন্য কোম্পানিতে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর উভয় পক্ষের সঙ্গে বসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় কৃষকদের দাবি, দ্রুত সরকারি কৃষি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত করে দায় নির্ধারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হোক।

কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজারের চকরিয়ায় কীটনাশক প্রয়োগের পর মুলা ও ধনিয়াপাতার ক্ষেত পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় দুই কৃষকের প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি, বাজার থেকে কেনা একটি কীটনাশক স্প্রে করার পরপরই ফসল দগ্ধ হতে শুরু করে এবং কয়েক দিনের মধ্যে অধিকাংশ ক্ষেত নষ্ট হয়ে যায়। গত সপ্তাহে চকরিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের পাবলিক স্কুলসংলগ্ন চরে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মোর্শেদ আলম ও বেলাল উদ্দিন জানান, বেতুয়া বাজারের আলতাফ স্টোর থেকে অরণী ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইপরোজিম’ নামের কীটনাশক কিনে পচন রোগ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে জমিতে প্রয়োগ করেন। কিন্তু স্প্রে করার কিছুক্ষণের মধ্যেই মুলা ও ধনিয়াপাতার গাছ কালচে হয়ে পুড়ে যেতে শুরু করে।

মোর্শেদ আলম বলেন, “পচন রোধের জন্য ওষুধ দিয়েছিলাম। কিন্তু ওষুধ দেওয়ার পরই গাছ পুড়ে গেছে। কয়েক লাখ টাকার ফসল নষ্ট হয়েছে। আমি সুষ্ঠু তদন্ত ও ক্ষতিপূরণ চাই।

অপর কৃষক বেলাল উদ্দিন বলেন, “বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে কিস্তিতে ঋণ নিয়ে ২০ শতক জমিতে আগাম মুলা ও ধনিয়াপাতার চাষ করেছিলাম। এখন পুরো ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা নিঃস্ব হওয়ার পথে।”

কৃষকদের অভিযোগ, তাঁদের কাছে নকল বা নিম্নমানের কীটনাশক সরবরাহ করা হয়েছে। বিষয়টি ডিলার ও কোম্পানির প্রতিনিধিকে জানানো হলেও এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কার্যকর কোনো সমাধান হয়নি। তারা কীটনাশকের মান যাচাই, ক্ষয়ক্ষতির নিরপেক্ষ মূল্যায়ন এবং ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ক্ষেতজুড়ে মুলা ও ধনিয়াপাতার গাছ শুকিয়ে কালচে হয়ে গেছে। অনেক গাছ সম্পূর্ণ দগ্ধ হয়ে মাটিতে নুয়ে পড়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে অরণী ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চকরিয়ার ডিলার আলতাফ হোসেন ও কোম্পানির প্রতিনিধি বলেন, “ঘটনার খবর পাওয়ার পর আমরা ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেত পরিদর্শন করেছি। কীটনাশকের নমুনা ল্যাব পরীক্ষার জন্য কোম্পানিতে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর উভয় পক্ষের সঙ্গে বসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় কৃষকদের দাবি, দ্রুত সরকারি কৃষি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত করে দায় নির্ধারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হোক।