দি ক্রাইম ডেস্ক: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের মধ্যস্থতায় ৪৮ ঘণ্টার গাড়ি বন্ধ কর্মসূচি স্থগিত করেছে চট্টগ্রাম প্রাইম মুভার ও ফ্ল্যাটবেড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সোমবার (২০ জুলাই) টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে মেয়রের সঙ্গে সংগঠনটির নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অল্প সময় হয়েছে। সংগঠনের দাবিগুলো বিবেচনার জন্য সরকারকে কিছুটা সময় দিতে হবে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী দাবিগুলোর বিষয়ে অবগত রয়েছেন এবং এ বিষয়ে তার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বন্দর দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবিকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই পরিবহন কার্যক্রম বন্ধ না রেখে সরকারকে বিষয়টি সমাধানের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মেয়রের আহ্বানের পর বৈঠক শেষে সংগঠনের সভাপতি মো. আবু ছালেহ জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন ৪৮ ঘণ্টার গাড়ি বন্ধ কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন।

এর আগে সংগঠনটি সড়ক-মহাসড়কে পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইম মুভার ট্রেইলার, ফ্ল্যাটবেড, লো-বেড, সেমি লো-বেড, ক্রেন ও অন্যান্য ভারী যন্ত্রপাতিবাহী যানবাহনের ওপর অগ্রিম আয়কর ৫০ হাজার টাকা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনেও ১১ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোর ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভোর ৬টা পর্যন্ত লকআউটের মাধ্যমে ৪৮ ঘণ্টার কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল।

সংগঠনের ১১ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ সংশোধন, প্রাইম মুভার ও ফ্ল্যাটবেডের জন্য ওজন ও দূরত্বভিত্তিক সরকারি ভাড়া নীতিমালা প্রণয়ন, রেজিস্ট্রেশনসংক্রান্ত জটিলতা নিরসন, মামলা ও হয়রানি বন্ধ, ট্যাক্স টোকেন, রুট পারমিটসহ বিভিন্ন কর ও ফি একক ব্যবস্থার আওতায় আনা, অগ্রিম আয়কর ১০ হাজার টাকায় নামিয়ে আনা, চালকদের একবারেই পেশাদারি ভারী যানবাহনের লাইসেন্স দেওয়া, স্কেল লোড নীতিমালা প্রণয়ন, চট্টগ্রাম বন্দরে প্রাইম মুভার ট্রেইলার টার্মিনাল ও পণ্যবোঝাই গাড়ির জন্য নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের ব্যবস্থা, পণ্য পরিবহন খাতের জন্য পৃথক শ্রমনীতি প্রণয়ন এবং সারা দেশে পণ্যবাহী যানবাহন ও চালক-হেল্পারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

দি ক্রাইম ডেস্ক: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের মধ্যস্থতায় ৪৮ ঘণ্টার গাড়ি বন্ধ কর্মসূচি স্থগিত করেছে চট্টগ্রাম প্রাইম মুভার ও ফ্ল্যাটবেড ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সোমবার (২০ জুলাই) টাইগারপাসে চসিক কার্যালয়ে মেয়রের সঙ্গে সংগঠনটির নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অল্প সময় হয়েছে। সংগঠনের দাবিগুলো বিবেচনার জন্য সরকারকে কিছুটা সময় দিতে হবে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী দাবিগুলোর বিষয়ে অবগত রয়েছেন এবং এ বিষয়ে তার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বন্দর দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবিকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই পরিবহন কার্যক্রম বন্ধ না রেখে সরকারকে বিষয়টি সমাধানের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মেয়রের আহ্বানের পর বৈঠক শেষে সংগঠনের সভাপতি মো. আবু ছালেহ জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন ৪৮ ঘণ্টার গাড়ি বন্ধ কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন।

এর আগে সংগঠনটি সড়ক-মহাসড়কে পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইম মুভার ট্রেইলার, ফ্ল্যাটবেড, লো-বেড, সেমি লো-বেড, ক্রেন ও অন্যান্য ভারী যন্ত্রপাতিবাহী যানবাহনের ওপর অগ্রিম আয়কর ৫০ হাজার টাকা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনেও ১১ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোর ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ভোর ৬টা পর্যন্ত লকআউটের মাধ্যমে ৪৮ ঘণ্টার কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল।

সংগঠনের ১১ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ সংশোধন, প্রাইম মুভার ও ফ্ল্যাটবেডের জন্য ওজন ও দূরত্বভিত্তিক সরকারি ভাড়া নীতিমালা প্রণয়ন, রেজিস্ট্রেশনসংক্রান্ত জটিলতা নিরসন, মামলা ও হয়রানি বন্ধ, ট্যাক্স টোকেন, রুট পারমিটসহ বিভিন্ন কর ও ফি একক ব্যবস্থার আওতায় আনা, অগ্রিম আয়কর ১০ হাজার টাকায় নামিয়ে আনা, চালকদের একবারেই পেশাদারি ভারী যানবাহনের লাইসেন্স দেওয়া, স্কেল লোড নীতিমালা প্রণয়ন, চট্টগ্রাম বন্দরে প্রাইম মুভার ট্রেইলার টার্মিনাল ও পণ্যবোঝাই গাড়ির জন্য নির্দিষ্ট পার্কিংয়ের ব্যবস্থা, পণ্য পরিবহন খাতের জন্য পৃথক শ্রমনীতি প্রণয়ন এবং সারা দেশে পণ্যবাহী যানবাহন ও চালক-হেল্পারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।