দি ক্রাইম ডেস্ক: সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং আরও দুই পুলিশ পরিদর্শকসহ ৩ জনকে বদলি করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক আদেশে সাতকানিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশে বদলি করা হয়।
আদেশে এই বদলিকে জনস্বার্থে’ বলে উল্লেখ করা হলেও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বিতর্কিত একটি মামলার পরপরই এমন আদেশে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, ঠিকাদারি সমিতির বিরোধকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হওয়ার এক দিনের মাথায় ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে বদলি করা হয়।
ডিআইজি কার্যালয়ের আদেশ অনুযায়ী, বদলি হওয়া কর্মকর্তাকে আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে ছাড়পত্র গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) বলে গণ্য হবেন। বদলির আদেশে ওসির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়নি।
একই আদেশে দুই পুলিশ পরিদর্শককে বদলি করা হয়। এর মধ্যে চাঁদপুর জেলার পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ কামরুল হাসানকে চট্টগ্রাম জেলায় এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ পরিদর্শক এ কে এম সফিকুল আলম চৌধুরীকে রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় বদলি করা হয়।
এর আগে গত সোমবার রাতে সাতকানিয়া থানায় ঠিকাদারি সমিতির বিরোধের জের ধরে চারজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন মো. আব্দুল কাদের সিকদার। মামলার আসামিরা হলেন, আফিল উদ্দিন আহমদ, মো. সাইফুল ইসলাম, ইলিয়াছ বাবুল ও কামাল উদ্দিন চৌধুরী বাচা।
মামলার এজাহারে আসামিদের এলডিপি এবং বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী হিসেবে দাবি করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র, নাশকতার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিছিল এবং বিএনপির শীর্ষ নেতাদের ছবি সংবলিত ব্যানার ছিঁড়ে পদদলিত করার অভিযোগ আনা হয়।




