আগামিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হবে রোহিঙ্গা ক্রাইসিস। একদিকে ভারত তার তিন দিকে কঠোর নজরদারী বাড়াবে, এমনও হতে পারে কঠোর কড়াকড়িতে যেতে পারে। অন্যদিকে বাংলাদেশের চতুর্থ পথ খোলা আছে বঙ্গোপসাগর।
গতকাল বাংলাদেশ ভারতীয়দের ৬০ দিনের ভিসামুক্ত সুবিধা বাতিল করেছে। এখন দেখা যাবে, ভারতও সেই ইস্যুতে, সুযোগ কাজে লাগাবে, ভিসা জঠিলতায় ভারতও কঠোর হবে। ভারতের রাজনীতির কাছে বাংলাদেশ এখনো বাচ্ছা শিশু। ভারতের সিস্টেম হলো, আমরা কিছু করবো না, আমাদের করুক, তারপরই আমরা জবাব দেব। সেই ফাঁদে বাংলাদেশ।
অন্যদিকে এখনো ঢুকছে রোহিঙ্গারা। কোন শব্দ নেই, কোন বাধা নেই। যেন বাংলাদেশটি তাদের বাপ দাদার দেশ। জবাবদিহিতা ছাড়া ঢুকে যাচ্ছে। আর এসব অশিক্ষিত মূর্খ গান্ডু, জঙ্গলি রোহিঙ্গাগুলোর নেই কোন শিক্ষা, ভালো চর্চা। একটা কাজের কাজ জানে অবাধ সেক্স আর ডজন ডজন বাচ্ছা নেওয়া। এরা নাকি শরনার্থী – অসহায়। বাচ্ছা নিতে কোন হেলা নেই। একেক রোহিঙ্গা পরিবারে ১৫-২০ জন সদস্য। ক্যাম্পেই বাড়াচ্ছে হাজার হাজার জনসংখ্যা। আবার নাকি শরনার্থী। সাপের বাচ্ছার মতো চারদিকে ছড়িয়ে যাচ্ছে।
শুধু এতেই থেমে নেই। আমাদের দেশের ভেতরে শরনার্থী ক্যাম্পে থাকা এসব শরনার্থীদের কাছে এত দামি অস্ত্র দিয়েছে কারা? একটা দেশের ভেতর নিরাপত্তার নামে ঢুকে তারা অস্ত্র প্রশিক্ষণ, ফায়ার করা, অন্যদেশকে হুমকি দেয়ার মতো ভয়ংকর কাজ তাদের করতে দিল কারা? আপনার আমার হাতে অস্ত্র তো দূর সারা রুমে খোঁজে হয়তো একটা রান্নার সবজি কাটার দা বা একটা সালাদ কাটার ছুরি পাওয়া যাবে। এদেশের অধিকাংশ মানুষ হইছই করতে পারে, কিন্তু এসব অস্ত্র নিয়ে চলাফেরার পরিবেশে বড় হয়নি। আমাদের পরিবেশ কখনো এসবে পরিচিত না।
আমাদের দেশের শরনার্থী হয়ে, তাদের হাতেই অস্ত্র। তারা সংগঠন করছে। এসব অস্ত্র তাদেরকে দিল কে? এসব অস্ত্র কোন কাজে ব্যবহার হবে? ভিডিওতে গান গেয়ে, এসব রোহিঙ্গারা বলছে, “তারা অস্ত্র হাতে নিয়েছে মগ (মানে চাকমা, মারমা, আরাকানের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মারার জন্য)। তাদের মারতে হলে, আমাদের দেশে থাকার কাজ কি? তাদের দেশে গিয়ে যা করার করলে হয়।
রোহিঙ্গারা এদেশ ছেড়ে কখনো যাবে না। তারা মিড়িয়া পলিটিক্স শিখে গেছে। মিড়িয়ার ক্যামেরার লেন্সের সামনে তারা বলে, ” আমরা আমাদের জন্মভূমি মিয়ানমার ফিরতে চাই, কান্দে, বাচ্ছা শিশুদের দাঁড় করিয়ে রাখে।”, আর মিড়িয়া সরে গেলে, “তারা বলে, আমরা ঐদেশে আর যাবো না, বাংলাদেশে নাগরিকত্ব নেব।” বরং মিড়িয়া রোহিঙ্গাদের পালসই ধরতে পারে না। মিড়িয়াকে বোকা বানিয়ে লেজেগুবরে করে রাস্তায় ছেড়ে দেয়।
তারা, মগ মারার নামে পার্বত্য চট্টগ্রাম বান্দরবান দখল করার ঘোষনা দিয়েছে। নয়তো উল্টো কক্সবাজর – চট্টগ্রাম দখলের ঘোষনা দিয়ে বসে আছে। নাম হবে রোহিঙ্গা বিদ্রোহ। ঐ বিদ্রোহে দেখা যাবে কক্সবাজার, চট্টগ্রামের মানুষ ভয়ে তাদের ভূমি ছেড়ে দিয়ে ভারতের সীমান্তে জড়ো হচ্ছে। একদিকে ভারতের দৌড়ানি খাবে, আরেকদিকে রোহিঙ্গাদের দৌড়ানি খাবে। দা চুরি নিয়ে রোহিঙ্গাদের একে ৪৭ এর সামনে দাঁড়াবে চট্টগ্রামের মানুষ।



