সাতকানিয়া প্রতিনিধি :

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় আওয়ামী লীগ সমর্থক এনায়ত উল্লাহ ফকিরকে গুলি ও কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) মধ্যরাতে এনায়েত উল্লাহ’র মেয়ে মাহিমা জান্নাত বাদী হয়ে সাতকানিয়া থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় পাঁচ জনকে এজাহারনামীয় ও চার-পাঁচ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকার্ত (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম মামলার বিষয়টি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে, এ পর্যন্ত কোন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এনায়েত বর্তমানে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনার আগে থেকেই জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। এরপর থেকে মামলার বিবাদীরা এনায়েতকে বিভিন্ন সময় ভয়-ভীতি ও হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। ইতোপূর্বে এনায়েতকে দল বেঁধে বিবাদীরা মারধরও করে। ঘটনার দিন বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি বিয়ের আকদ অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে পূর্ব বিরোধের জেরে বিবাদীরা রাস্তার উপর গতিরোধ করে এনায়েতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক মারধর ও গুলি করে চলে যায়। এছাড়া এনায়েতের পকেটে থাকা ১২ হাজার টাকাও বিবাদীরা নিয়ে নেয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

মামলার বাদী মাহিমা জান্নাত বলেন, ‘আমার বাবা এখন ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে গুরুতরভাবে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার ডান হাতে অনেক গুলি করা হয়েছে। কিছু গুলি বের করা হয়েছে, আরও অনেক গুলি বের করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই  চিকিৎসক বলছেন, এ হাত কেটে ফেলতে হবে। বাম পায়ে লোহার রডের আঘাত ও গুলি করা হয়েছে। এছাড়া ডান পায়ে ছুরি ও গুলি করা হয়েছে। অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। রক্তক্ষরণ হতে হতে তার শরীরে রক্তের অভাব দেখা দিয়েছে। বলতে গেলে আমার বাবা খুব খারাপ অবস্থায় রয়েছে। যে কোন সময় খারাপ কিছু হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আমাকে ১৫ বছর বয়সে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমার আরও দুই ভাই রয়েছে। তারা এখন পড়ালেখা করছে।’

কান্না বিজড়িত কন্ঠে মাহিমা জান্নাত বলেন, ‘এলাকায় কারো ক্ষতি করেছে, এমন নজির আমার বাবার নেই। জায়গার বিরোধে একজন মানুষকে এভাবে নির্দয়ভাবে গুলি করে ও কুপিয়ে জখম করতে মানুষ পারে? মাহিমা প্রশ্ন রেখে বলেন, ওরা পশু না অন্য কিছু?’  অপর প্রশ্নে তিনি বলেন,  আমার বাবার ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক, যাতে আগামীতে অপরাধীরা এমন কর্ম করে পার পেয়ে না যায়।

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সাতকানিয়া প্রতিনিধি :

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় আওয়ামী লীগ সমর্থক এনায়ত উল্লাহ ফকিরকে গুলি ও কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) মধ্যরাতে এনায়েত উল্লাহ’র মেয়ে মাহিমা জান্নাত বাদী হয়ে সাতকানিয়া থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় পাঁচ জনকে এজাহারনামীয় ও চার-পাঁচ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকার্ত (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম মামলার বিষয়টি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে, এ পর্যন্ত কোন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এনায়েত বর্তমানে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনার আগে থেকেই জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। এরপর থেকে মামলার বিবাদীরা এনায়েতকে বিভিন্ন সময় ভয়-ভীতি ও হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। ইতোপূর্বে এনায়েতকে দল বেঁধে বিবাদীরা মারধরও করে। ঘটনার দিন বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি বিয়ের আকদ অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে পূর্ব বিরোধের জেরে বিবাদীরা রাস্তার উপর গতিরোধ করে এনায়েতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক মারধর ও গুলি করে চলে যায়। এছাড়া এনায়েতের পকেটে থাকা ১২ হাজার টাকাও বিবাদীরা নিয়ে নেয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

মামলার বাদী মাহিমা জান্নাত বলেন, ‘আমার বাবা এখন ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে গুরুতরভাবে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার ডান হাতে অনেক গুলি করা হয়েছে। কিছু গুলি বের করা হয়েছে, আরও অনেক গুলি বের করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই  চিকিৎসক বলছেন, এ হাত কেটে ফেলতে হবে। বাম পায়ে লোহার রডের আঘাত ও গুলি করা হয়েছে। এছাড়া ডান পায়ে ছুরি ও গুলি করা হয়েছে। অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। রক্তক্ষরণ হতে হতে তার শরীরে রক্তের অভাব দেখা দিয়েছে। বলতে গেলে আমার বাবা খুব খারাপ অবস্থায় রয়েছে। যে কোন সময় খারাপ কিছু হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আমাকে ১৫ বছর বয়সে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমার আরও দুই ভাই রয়েছে। তারা এখন পড়ালেখা করছে।’

কান্না বিজড়িত কন্ঠে মাহিমা জান্নাত বলেন, ‘এলাকায় কারো ক্ষতি করেছে, এমন নজির আমার বাবার নেই। জায়গার বিরোধে একজন মানুষকে এভাবে নির্দয়ভাবে গুলি করে ও কুপিয়ে জখম করতে মানুষ পারে? মাহিমা প্রশ্ন রেখে বলেন, ওরা পশু না অন্য কিছু?’  অপর প্রশ্নে তিনি বলেন,  আমার বাবার ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক, যাতে আগামীতে অপরাধীরা এমন কর্ম করে পার পেয়ে না যায়।

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।