জুলাই-আগস্টের ছাত্র আন্দোলনে যে কিশোর গ্যাংগুলো আন্দোলনের শক্তি হিসেবে ভূমিকা রেখেছিল, সরকার পতনের পর তারাই এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। কিশোর অপরাধ দমনে বিদ্যমান আইনে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনা হলে এবং আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ বন্ধ করতে হবে।

‘২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে কিশোর ও তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আন্দোলনকে বেগবান করেছিল, এটি অনস্বীকার্য। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর থেকে সেই একই কিশোর গ্যাংগুলোর একাংশ নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ক্ষমতার শূন্যতা, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার পালাবদল এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দুর্বলতার সুযোগে তারা ছুরিকাঘাত, চাঁদাবাজি, এলাকা দখলসহ নানা সহিংস কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়তে শুরু করে।

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এখন আর নীরব থাকার সুযোগ নেই। বর্তমানে কিশোর অপরাধীদের জন্য বিদ্যমান আইনের কিছু বিশেষ সুবিধা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অপব্যবহার করা হচ্ছে। কম বয়সের সুবাদে আইনি ছাড় পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকায় অনেকে নির্ভয়ে গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে এবং ধীরে ধীরে ভয়ংকর সন্ত্রাসীতে রূপান্তরিত হচ্ছে। এই বাস্তবতায় আইনি সংস্কার এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অবশ্য এই ঘোষণায় এক ধরনের রাজনৈতিক বিড়ম্বনা দেখছেন। তাদের প্রশ্ন, যে শক্তিকে আন্দোলনের সময় কাজে লাগানো হয়েছিল, পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার পর সেই একই শক্তিকে এখন দমন করতে হচ্ছে -এই পরিণতির দায় কার? তারা বলছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কিশোরদের ব্যবহার করার সংস্কৃতি বন্ধ না হলে শুধু আইন সংস্কারে সমস্যার স্থায়ী সমাধান আসবে না।

কিশোর গ্যাং সমস্যার শিকড় অনেক গভীরে। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা, পারিবারিক ভাঙন, শিক্ষার সুযোগের অভাব ও দারিদ্র্য -এই সব মিলিয়েই তৈরি হয় কিশোর গ্যাংয়ের উর্বর ভূমি। তাই আইন কঠোর করার পাশাপাশি এই কিশোরদের সংশোধন, পুনর্বাসন ও বিকল্প জীবিকার সুযোগ তৈরিতেও সমান মনোযোগ দেওয়া জরুরি।

ঘোষণা নয়, দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে।ভবিষ্যতে যেন কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে আর কখনো কিশোরদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা না হয় -সেটি নিশ্চিত করাই হবে সরকারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।

জুলাই-আগস্টের ছাত্র আন্দোলনে যে কিশোর গ্যাংগুলো আন্দোলনের শক্তি হিসেবে ভূমিকা রেখেছিল, সরকার পতনের পর তারাই এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। কিশোর অপরাধ দমনে বিদ্যমান আইনে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনা হলে এবং আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ বন্ধ করতে হবে।

‘২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে কিশোর ও তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আন্দোলনকে বেগবান করেছিল, এটি অনস্বীকার্য। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর থেকে সেই একই কিশোর গ্যাংগুলোর একাংশ নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ক্ষমতার শূন্যতা, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার পালাবদল এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দুর্বলতার সুযোগে তারা ছুরিকাঘাত, চাঁদাবাজি, এলাকা দখলসহ নানা সহিংস কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়তে শুরু করে।

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এখন আর নীরব থাকার সুযোগ নেই। বর্তমানে কিশোর অপরাধীদের জন্য বিদ্যমান আইনের কিছু বিশেষ সুবিধা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অপব্যবহার করা হচ্ছে। কম বয়সের সুবাদে আইনি ছাড় পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকায় অনেকে নির্ভয়ে গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে এবং ধীরে ধীরে ভয়ংকর সন্ত্রাসীতে রূপান্তরিত হচ্ছে। এই বাস্তবতায় আইনি সংস্কার এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অবশ্য এই ঘোষণায় এক ধরনের রাজনৈতিক বিড়ম্বনা দেখছেন। তাদের প্রশ্ন, যে শক্তিকে আন্দোলনের সময় কাজে লাগানো হয়েছিল, পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার পর সেই একই শক্তিকে এখন দমন করতে হচ্ছে -এই পরিণতির দায় কার? তারা বলছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কিশোরদের ব্যবহার করার সংস্কৃতি বন্ধ না হলে শুধু আইন সংস্কারে সমস্যার স্থায়ী সমাধান আসবে না।

কিশোর গ্যাং সমস্যার শিকড় অনেক গভীরে। রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা, পারিবারিক ভাঙন, শিক্ষার সুযোগের অভাব ও দারিদ্র্য -এই সব মিলিয়েই তৈরি হয় কিশোর গ্যাংয়ের উর্বর ভূমি। তাই আইন কঠোর করার পাশাপাশি এই কিশোরদের সংশোধন, পুনর্বাসন ও বিকল্প জীবিকার সুযোগ তৈরিতেও সমান মনোযোগ দেওয়া জরুরি।

ঘোষণা নয়, দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে।ভবিষ্যতে যেন কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে আর কখনো কিশোরদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা না হয় -সেটি নিশ্চিত করাই হবে সরকারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।