বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার: কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের রামপুর কাজলী বাপের চর এলাকায় গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ডাকাতদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে দিদার নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, আজ বুধবার ভোররাতে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত ডেমুশিয়া মোহছেনিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মৌলানা আব্দুল মোমেন হেলালীর বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে মোবাইল ফোনসহ কিছু প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে যায়।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যাওয়ার সময় ভুক্তভোগীর চাচাতো ভাই দিদার তাদের ধাওয়া করেন এবং একজনকে আটকানোর চেষ্টা করেন। এতে ডাকাত দলের অন্য সদস্যরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়। স্বজনদের দাবি, তার অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।

ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের অভিযোগ, নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় রাতের বেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল থাকায় চুরি, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঝুঁকি বেড়েছে। নিয়মিত পুলিশি টহল ও দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত না হলে সাধারণ মানুষ আরও বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

ঘটনার বিষয়ে মাতামুহুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-এর বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে ঘটনার তদন্ত, মামলা গ্রহণ বা অভিযানে পুলিশের অবস্থান সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানা সম্ভব হয়নি।

এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সঙ্গে তারা মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে ঘটনাটির বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং তদন্তের ফলাফল পাওয়া গেলে সেই তথ্য অনুযায়ী পরবর্তী প্রতিবেদন হালনাগাদ করা হবে।

বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার: কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের রামপুর কাজলী বাপের চর এলাকায় গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ডাকাতদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে দিদার নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, আজ বুধবার ভোররাতে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত ডেমুশিয়া মোহছেনিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মৌলানা আব্দুল মোমেন হেলালীর বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে মোবাইল ফোনসহ কিছু প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে যায়।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যাওয়ার সময় ভুক্তভোগীর চাচাতো ভাই দিদার তাদের ধাওয়া করেন এবং একজনকে আটকানোর চেষ্টা করেন। এতে ডাকাত দলের অন্য সদস্যরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়। স্বজনদের দাবি, তার অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।

ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের অভিযোগ, নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় রাতের বেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল থাকায় চুরি, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঝুঁকি বেড়েছে। নিয়মিত পুলিশি টহল ও দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত না হলে সাধারণ মানুষ আরও বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

ঘটনার বিষয়ে মাতামুহুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-এর বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে ঘটনার তদন্ত, মামলা গ্রহণ বা অভিযানে পুলিশের অবস্থান সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানা সম্ভব হয়নি।

এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সঙ্গে তারা মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে ঘটনাটির বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং তদন্তের ফলাফল পাওয়া গেলে সেই তথ্য অনুযায়ী পরবর্তী প্রতিবেদন হালনাগাদ করা হবে।