নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয়করণ করা প্রাথমিক শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ ও পদোন্নতি নিয়ে জটিলতার অবসান ঘটল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ে।

এর ফলে দেশের সাড়ে ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আর কোনো আইনি বাধা থাকল না বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেয়।

বেঞ্চের অপর বিচারকরা হলেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

পদোন্নতি ও জ্যেষ্ঠতা নিয়ে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্তদের সঙ্গে জাতীয়করণ হওয়া শিক্ষকদের দ্বন্দ্ব থেকে এ মামলার সূত্রপাত।

২০১৩ সালের এক বিধিমালায় বলা হয়েছিল, সদ্য জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান হবে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ ব্যক্তির নিচে।

একদল শিক্ষকের রিট আবেদনে বিধিমালার ওই ধারা অবৈধ ঘোষণা করেছিল হাই কোর্ট। ফলে সাড়ে ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ আটকে যায়।

এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল গ্রহণ করে হাই কোর্টের ওই রায় বালিত করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। তার ফলে ২০১৩ সালের বিধিমালার ওই ধারা বহাল থাকছে।

অর্থাৎ, জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ ব্যক্তির নিচেই হবে।

আপিল বিভাগের রায়ের পর অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যে আইনি জটিলতা ছিল, আজকের এই রায়ের মাধ্যমে সেই জটিলতা দূরীভূত হল।”

তিনি বলেন, “সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমে আজকের এই রায়টি একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এই কারণে যে, শিক্ষকদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে এবং পাঠদানের ক্ষেত্রে একটা শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।”

কেন এই মামলা

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এ মামলার শুনানি শেষ হয় গত ১৮ জুন।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং সরকারের পক্ষে নিয়োজিত আইনজীবী ব্যারিস্টার মুনতাসির আহমেদ। শিক্ষকদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী রমজান আলী শিকদার।

রমজান আলী শিকদার মামলার সার্বিক দিক, আইনি প্রেক্ষাপট এবং শুনানির বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করেন।

তিনি সেদিন বলেন, বাংলাদেশে এক সময় প্রচুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল, যেগুলো এনজিও বা নিজস্ব প্রাইভেট ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হত।

সেখানে নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতার কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম বা কড়াকড়ি ছিল না। পরে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ১৯৭৪ সালের ‘টেকিং ওভার’ আইনের অধীনে এই স্কুলগুলোকে অধিগ্রহণ বা জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত নেয়।

জাতীয়করণের পর শিক্ষকদের চাকরি কীভাবে পরিচালিত হবে, তা ঠিক করে দিয়ে ২০১৩ সালে একটি সার্ভিস রুলস বা বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই বিধিমালা চূড়ান্ত করতে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মতামতের প্রয়োজন ছিল।

পিএসসির ইতিবাচক মতামতের পর ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে এটি চূড়ান্ত করা হয় এবং শিক্ষকদের নিয়োগ ১ জানুয়ারি ২০১৩ থেকে ভূতাপেক্ষভাবে কার্যকর করা হয়।

জাতীয়করণ বা অধিগ্রহণের সময় এই শিক্ষকদের বেশ কিছু বড় ছাড় ও সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। প্রথমত, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সাধারণ বয়সসীমা (৩০ বা ৩২ বছর) তাদের জন্য শিথিল করা হয়। দ্বিতীয়ত, যাদের প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত বা পেশাগত যোগ্যতা ছিল না, তাদের যোগ্যতা অর্জনের জন্য তিন বছর সময় দেওয়া হয়।

পাশাপাশি তারা বেসরকারি খাতে যে কয় বছর চাকরি করেছিলেন, তার ৫০ শতাংশ সময় সিনিয়রিটি এবং ভবিষ্যৎ অবসরকালীন পেনশন সুবিধার ক্ষেত্রে গণনার সুযোগ দেওয়া হয়। অর্থাৎ, কেউ যদি বেসরকারি স্কুলে ১০ বছর শিক্ষকতা করে থাকেন, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে তার ৫ বছর গণনা করার বিধান রাখা হয়।

কিন্তু এরপর পদোন্নতি ও জ্যেষ্ঠতা নিয়ে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্তদের সঙ্গে জাতীয়করণ হওয়া শিক্ষকদের দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।

‘অধিগ্রহণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০১৩’ এর ৯(১) ধারায় বলা ছিল, সদ্য জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ ব্যক্তির নিচে নির্ধারিত হবে।

কিন্তু অধিগ্রহণকৃত শিক্ষকরা এটি মানতে চাননি। পূর্ববর্তী বেসরকারি চাকরির বিষয়টি তুলে ধরে তারা সরাসরি সরকারি নিয়োগপ্রাপ্তদের উপরে অবস্থান বা জ্যেষ্ঠতা দাবি করেন। সেই দাবিতে বিধিমালার ৯(১) ধারা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন ৩৮৩ জন শিক্ষক।

শুনানি শেষে হাই কোর্ট ২০১৯ সালের ১১ মার্চ শিক্ষকদের পক্ষে রায় দেয় এবং বিধিমালার ৯(১) ধারার ওই নির্দিষ্ট অংশটিকে ‘বেআইনি’ ঘোষণা করে।

এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে ‘লিভ টু আপিল’ দায়ের করে। ২০২২ সালের গত ২০ নভেম্বর আপিল বিভাগ হাই কোর্টের ওই রায় স্থগিত করে এবং জ্যেষ্ঠতা ও বর্তমান পদের অবস্থানের ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেয়।

চার বছর পর চূড়ান্ত শুনানি শেষে আপিল বিভাগ যে রায় দিল, তাতে বিধিমালার ৯(১) ধারা বহাল থাকল।

এই রায়ের ফলে জ্যেষ্ঠতা নিয়ে কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনালে বলেন, “দেখুন, আসলে তো এটি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়। আর আদালত তো সবসময় রায় প্রকাশ করে নির্মোহভাবে। সুতরাং, আদালতের রায় মেনে নেওয়া রাষ্ট্রের প্রত্যেকটি নাগরিকের দায়িত্ব।”

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয়করণ করা প্রাথমিক শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ ও পদোন্নতি নিয়ে জটিলতার অবসান ঘটল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ে।

এর ফলে দেশের সাড়ে ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আর কোনো আইনি বাধা থাকল না বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেয়।

বেঞ্চের অপর বিচারকরা হলেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

পদোন্নতি ও জ্যেষ্ঠতা নিয়ে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্তদের সঙ্গে জাতীয়করণ হওয়া শিক্ষকদের দ্বন্দ্ব থেকে এ মামলার সূত্রপাত।

২০১৩ সালের এক বিধিমালায় বলা হয়েছিল, সদ্য জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান হবে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ ব্যক্তির নিচে।

একদল শিক্ষকের রিট আবেদনে বিধিমালার ওই ধারা অবৈধ ঘোষণা করেছিল হাই কোর্ট। ফলে সাড়ে ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ আটকে যায়।

এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল গ্রহণ করে হাই কোর্টের ওই রায় বালিত করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। তার ফলে ২০১৩ সালের বিধিমালার ওই ধারা বহাল থাকছে।

অর্থাৎ, জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ ব্যক্তির নিচেই হবে।

আপিল বিভাগের রায়ের পর অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যে আইনি জটিলতা ছিল, আজকের এই রায়ের মাধ্যমে সেই জটিলতা দূরীভূত হল।”

তিনি বলেন, “সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমে আজকের এই রায়টি একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এই কারণে যে, শিক্ষকদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে এবং পাঠদানের ক্ষেত্রে একটা শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।”

কেন এই মামলা

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এ মামলার শুনানি শেষ হয় গত ১৮ জুন।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং সরকারের পক্ষে নিয়োজিত আইনজীবী ব্যারিস্টার মুনতাসির আহমেদ। শিক্ষকদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী রমজান আলী শিকদার।

রমজান আলী শিকদার মামলার সার্বিক দিক, আইনি প্রেক্ষাপট এবং শুনানির বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করেন।

তিনি সেদিন বলেন, বাংলাদেশে এক সময় প্রচুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল, যেগুলো এনজিও বা নিজস্ব প্রাইভেট ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হত।

সেখানে নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতার কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম বা কড়াকড়ি ছিল না। পরে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ১৯৭৪ সালের ‘টেকিং ওভার’ আইনের অধীনে এই স্কুলগুলোকে অধিগ্রহণ বা জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত নেয়।

জাতীয়করণের পর শিক্ষকদের চাকরি কীভাবে পরিচালিত হবে, তা ঠিক করে দিয়ে ২০১৩ সালে একটি সার্ভিস রুলস বা বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই বিধিমালা চূড়ান্ত করতে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মতামতের প্রয়োজন ছিল।

পিএসসির ইতিবাচক মতামতের পর ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে এটি চূড়ান্ত করা হয় এবং শিক্ষকদের নিয়োগ ১ জানুয়ারি ২০১৩ থেকে ভূতাপেক্ষভাবে কার্যকর করা হয়।

জাতীয়করণ বা অধিগ্রহণের সময় এই শিক্ষকদের বেশ কিছু বড় ছাড় ও সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। প্রথমত, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সাধারণ বয়সসীমা (৩০ বা ৩২ বছর) তাদের জন্য শিথিল করা হয়। দ্বিতীয়ত, যাদের প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত বা পেশাগত যোগ্যতা ছিল না, তাদের যোগ্যতা অর্জনের জন্য তিন বছর সময় দেওয়া হয়।

পাশাপাশি তারা বেসরকারি খাতে যে কয় বছর চাকরি করেছিলেন, তার ৫০ শতাংশ সময় সিনিয়রিটি এবং ভবিষ্যৎ অবসরকালীন পেনশন সুবিধার ক্ষেত্রে গণনার সুযোগ দেওয়া হয়। অর্থাৎ, কেউ যদি বেসরকারি স্কুলে ১০ বছর শিক্ষকতা করে থাকেন, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে তার ৫ বছর গণনা করার বিধান রাখা হয়।

কিন্তু এরপর পদোন্নতি ও জ্যেষ্ঠতা নিয়ে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্তদের সঙ্গে জাতীয়করণ হওয়া শিক্ষকদের দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।

‘অধিগ্রহণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০১৩’ এর ৯(১) ধারায় বলা ছিল, সদ্য জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ ব্যক্তির নিচে নির্ধারিত হবে।

কিন্তু অধিগ্রহণকৃত শিক্ষকরা এটি মানতে চাননি। পূর্ববর্তী বেসরকারি চাকরির বিষয়টি তুলে ধরে তারা সরাসরি সরকারি নিয়োগপ্রাপ্তদের উপরে অবস্থান বা জ্যেষ্ঠতা দাবি করেন। সেই দাবিতে বিধিমালার ৯(১) ধারা চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন ৩৮৩ জন শিক্ষক।

শুনানি শেষে হাই কোর্ট ২০১৯ সালের ১১ মার্চ শিক্ষকদের পক্ষে রায় দেয় এবং বিধিমালার ৯(১) ধারার ওই নির্দিষ্ট অংশটিকে ‘বেআইনি’ ঘোষণা করে।

এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে ‘লিভ টু আপিল’ দায়ের করে। ২০২২ সালের গত ২০ নভেম্বর আপিল বিভাগ হাই কোর্টের ওই রায় স্থগিত করে এবং জ্যেষ্ঠতা ও বর্তমান পদের অবস্থানের ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেয়।

চার বছর পর চূড়ান্ত শুনানি শেষে আপিল বিভাগ যে রায় দিল, তাতে বিধিমালার ৯(১) ধারা বহাল থাকল।

এই রায়ের ফলে জ্যেষ্ঠতা নিয়ে কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনালে বলেন, “দেখুন, আসলে তো এটি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়। আর আদালত তো সবসময় রায় প্রকাশ করে নির্মোহভাবে। সুতরাং, আদালতের রায় মেনে নেওয়া রাষ্ট্রের প্রত্যেকটি নাগরিকের দায়িত্ব।”