দি ক্রাইম ডেস্ক: কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত থেকে ৪ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়া (৬৪ বিজিবি) ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।

এর আগে বৃহস্পতিবার ভোরে সদর ও ঝিমংখালি বিওপির একটি বিশেষ টহল দল টেকনাফ ঝিমংখালি সীমান্ত এলাকা থেকে এসব ইয়াবা জব্দ করা হয় বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবি জানায়, বৃহস্পতিবার ভোররাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অবস্থিত রাত ৩টার দিকে মিয়ানমার থেকে তিনজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় চোরাকারবারীরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পার্শ্ববর্তী ঘেরের পানিতে সাঁতরে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো বায়ুরোধী ৪২টি প্যাকেট থেকে মোট ৪ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

তবে দীর্ঘ তল্লাশি চালিয়েও অন্য কোনো অবৈধ সামগ্রী পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে পলাতক চোরাকারবারিদের ধরতে এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হলেও রাতের অন্ধকারে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, পালিয়ে যাওয়া চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধার ইয়াবা টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

দি ক্রাইম ডেস্ক: কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত থেকে ৪ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়া (৬৪ বিজিবি) ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।

এর আগে বৃহস্পতিবার ভোরে সদর ও ঝিমংখালি বিওপির একটি বিশেষ টহল দল টেকনাফ ঝিমংখালি সীমান্ত এলাকা থেকে এসব ইয়াবা জব্দ করা হয় বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবি জানায়, বৃহস্পতিবার ভোররাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অবস্থিত রাত ৩টার দিকে মিয়ানমার থেকে তিনজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় চোরাকারবারীরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পার্শ্ববর্তী ঘেরের পানিতে সাঁতরে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো বায়ুরোধী ৪২টি প্যাকেট থেকে মোট ৪ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

তবে দীর্ঘ তল্লাশি চালিয়েও অন্য কোনো অবৈধ সামগ্রী পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে পলাতক চোরাকারবারিদের ধরতে এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হলেও রাতের অন্ধকারে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, পালিয়ে যাওয়া চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধার ইয়াবা টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।