রাজশাহী: দীর্ঘ সময় একটা কর্তৃত্ববাদী শাসনের ফলে আমরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারিনি। অনেকদিন পর একটি গণভোটের মাধ্যমে আমরা সেই অধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছি, অর্থাৎ সংস্কারের দিকে যাচ্ছি। কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন চাইলে গণভোটে হ্যাঁ বলতে হবে।

আজ মঙ্গলবার(১৩ জানুয়ারী) রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ ও রাজশাহী কলেজে নারী ভোটার এবং প্রথমবারের ভোটারদের জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘গণভোট ও নির্বাচন ২০২৬ প্রচারণা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা এসব কথা বলেন।

গণভোট কী তা বুঝাতে গিয়ে সচিব বলেন, গণভোট হচ্ছে গণতান্ত্রিক উপায়ে নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার প্রক্রিয়া। গণভোটে চারটি প্রশ্ন রয়েছে, যে চারটি প্রশ্নের মধ্যে ১১-১২টি বিষয় রয়েছে। এরপর গণভোটের বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করে সচিব বলেন, গণভোটের বিবেচ্য বিষয়গুলো হলো-দশ বছরের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবে না; কেউ ইচ্ছেমতো সংবিধান সংস্কার করতে পারবে না; সংবিধান সংশোধনে জনগণের মতামতের প্রতিফলন ঘটতে হবে; গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আবার একটি গণভোট হবে; সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়বে–দেশে এ মুহূর্তে অর্ধেকের বেশি নারী রয়েছে; ক্ষমতার ভারসাম্যের জন্য সংসদে একটি উচ্চকক্ষ ও একটি নিম্নকক্ষ থাকবে; দেশের বিচার ব্যবস্থা স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হতে হবে অর্থাৎ ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হতে হবে; নাগরিকের মৌলিক অধিকার ইন্টারনেট সেবা কখনো বন্ধ হবে না; জনগণের মত প্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে; ও দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করতে পারবেন না, কেবল ভুক্তভোগী ক্ষমা করতে পারবেন। মাহবুবা ফারজানা বলেন, এসব সংস্কারের জন্য লিখিত দলিল হচ্ছে জুলাই সনদ। আমরা এসেছি একটি ন্যায্যতার জন্য, যেন দেশটা সুন্দরভাবে চলে।

অংশগ্রহণকারী নারী ভোটারদের কন্যা, জায়া, জননী উল্লেখ করে মাহবুবা ফারজানা বলেন, আপনারা এক একজন পরিবর্তনের মুখপাত্র। আপনারা আপনাদের পরিবার, প্রতিবেশী এবং রাজশাহী জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই বার্তাগুলো ছড়িয়ে দেবেন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠী হ্যাঁ-না ভোট বোঝে না, তাদেরকে হ্যাঁ-না ভোট বোঝাবেন।

প্রথমবারের ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা নতুন বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। সংস্কারের পক্ষে অপনাদের মত দিন গণভোটে। তিনি এ বিষয়ে সরকারের নানা ধরনের প্রচার কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করেন।

তথ্য ও সম্প্রচার সচিব বলেন, জেলা তথ্য অফিসগুলো সব জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নে তথা সমগ্র বাংলাদেশে গণভোটের প্রচারে নিবিড় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আমরা এ বিষয়ে সবার সহযোগিতা চাই। আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে আমরা সবাইকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব বলে তিনি মন্তব্য করেন। ‘এবারের নির্বাচন হবে ইউনিক এবং শতাব্দীর সেরা নির্বাচন’—প্রধান উপদেষ্টার এ উক্তি উল্লেখ করে এ সময় তিনি সকল ভোটারকে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান।

রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজের অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সানোয়ার জাহানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুল জলিল, রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রলালয়ের যুগ্মসচিব রিয়াসাত আল ওয়াসিফ। রাজশাহী কলেজের অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ ইব্রাহিম আলী সভাপতিত্ব করেন।

পরে সচিব পবা উপজেলায় গণভোট ও নির্বাচন উপলক্ষ্যে আয়োজিত উঠান বৈঠকে অংশ নেন।

রাজশাহী: দীর্ঘ সময় একটা কর্তৃত্ববাদী শাসনের ফলে আমরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারিনি। অনেকদিন পর একটি গণভোটের মাধ্যমে আমরা সেই অধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছি, অর্থাৎ সংস্কারের দিকে যাচ্ছি। কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন চাইলে গণভোটে হ্যাঁ বলতে হবে।

আজ মঙ্গলবার(১৩ জানুয়ারী) রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ ও রাজশাহী কলেজে নারী ভোটার এবং প্রথমবারের ভোটারদের জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘গণভোট ও নির্বাচন ২০২৬ প্রচারণা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা এসব কথা বলেন।

গণভোট কী তা বুঝাতে গিয়ে সচিব বলেন, গণভোট হচ্ছে গণতান্ত্রিক উপায়ে নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার প্রক্রিয়া। গণভোটে চারটি প্রশ্ন রয়েছে, যে চারটি প্রশ্নের মধ্যে ১১-১২টি বিষয় রয়েছে। এরপর গণভোটের বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করে সচিব বলেন, গণভোটের বিবেচ্য বিষয়গুলো হলো-দশ বছরের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবে না; কেউ ইচ্ছেমতো সংবিধান সংস্কার করতে পারবে না; সংবিধান সংশোধনে জনগণের মতামতের প্রতিফলন ঘটতে হবে; গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আবার একটি গণভোট হবে; সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়বে–দেশে এ মুহূর্তে অর্ধেকের বেশি নারী রয়েছে; ক্ষমতার ভারসাম্যের জন্য সংসদে একটি উচ্চকক্ষ ও একটি নিম্নকক্ষ থাকবে; দেশের বিচার ব্যবস্থা স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হতে হবে অর্থাৎ ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হতে হবে; নাগরিকের মৌলিক অধিকার ইন্টারনেট সেবা কখনো বন্ধ হবে না; জনগণের মত প্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে; ও দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করতে পারবেন না, কেবল ভুক্তভোগী ক্ষমা করতে পারবেন। মাহবুবা ফারজানা বলেন, এসব সংস্কারের জন্য লিখিত দলিল হচ্ছে জুলাই সনদ। আমরা এসেছি একটি ন্যায্যতার জন্য, যেন দেশটা সুন্দরভাবে চলে।

অংশগ্রহণকারী নারী ভোটারদের কন্যা, জায়া, জননী উল্লেখ করে মাহবুবা ফারজানা বলেন, আপনারা এক একজন পরিবর্তনের মুখপাত্র। আপনারা আপনাদের পরিবার, প্রতিবেশী এবং রাজশাহী জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই বার্তাগুলো ছড়িয়ে দেবেন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠী হ্যাঁ-না ভোট বোঝে না, তাদেরকে হ্যাঁ-না ভোট বোঝাবেন।

প্রথমবারের ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা নতুন বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। সংস্কারের পক্ষে অপনাদের মত দিন গণভোটে। তিনি এ বিষয়ে সরকারের নানা ধরনের প্রচার কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করেন।

তথ্য ও সম্প্রচার সচিব বলেন, জেলা তথ্য অফিসগুলো সব জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নে তথা সমগ্র বাংলাদেশে গণভোটের প্রচারে নিবিড় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আমরা এ বিষয়ে সবার সহযোগিতা চাই। আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে আমরা সবাইকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব বলে তিনি মন্তব্য করেন। ‘এবারের নির্বাচন হবে ইউনিক এবং শতাব্দীর সেরা নির্বাচন’—প্রধান উপদেষ্টার এ উক্তি উল্লেখ করে এ সময় তিনি সকল ভোটারকে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান।

রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজের অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সানোয়ার জাহানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুল জলিল, রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রলালয়ের যুগ্মসচিব রিয়াসাত আল ওয়াসিফ। রাজশাহী কলেজের অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ ইব্রাহিম আলী সভাপতিত্ব করেন।

পরে সচিব পবা উপজেলায় গণভোট ও নির্বাচন উপলক্ষ্যে আয়োজিত উঠান বৈঠকে অংশ নেন।