দি ক্রাইম ডেস্ক: চট্টগ্রামে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে কেবি হেলথ কেয়ারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও খাবারে ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও রঙ ব্যবহার করায় বিসমিল্লাহ মেজ্জান নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা–অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর কালামিয়া বাজার ও শাহ আমানত ব্রিজ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জানা গেছে, মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে কেবি হেলথ কেয়ার নামে এক প্রতিষ্ঠান মালিককে ২০ হাজার টাকা একই সঙ্গে খাবারে ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও কৃত্রিম রঙ ব্যবহারের অভিযোগে বিসমিল্লাহ মেজ্জান নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে আরও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা–অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কিংবা ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহার সরাসরি মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠান দুটিকে জরিমানা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত হলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ভোক্তা–অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান, চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক মাহমুদা আক্তার এবং রানা দেবনাথ।

দি ক্রাইম ডেস্ক: চট্টগ্রামে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে কেবি হেলথ কেয়ারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও খাবারে ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও রঙ ব্যবহার করায় বিসমিল্লাহ মেজ্জান নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা–অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর কালামিয়া বাজার ও শাহ আমানত ব্রিজ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জানা গেছে, মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহার ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে কেবি হেলথ কেয়ার নামে এক প্রতিষ্ঠান মালিককে ২০ হাজার টাকা একই সঙ্গে খাবারে ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও কৃত্রিম রঙ ব্যবহারের অভিযোগে বিসমিল্লাহ মেজ্জান নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিককে আরও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা–অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ কিংবা ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহার সরাসরি মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠান দুটিকে জরিমানা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত হলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ভোক্তা–অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান, চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক মাহমুদা আক্তার এবং রানা দেবনাথ।