বান্দরবান প্রতিনিধি : লামার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে বউয়ের জ্বালা যন্ত্রণা সইতে না পেরে ক্যওচিং মার্মা (৪৮) বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। ইউনিয়নের বনপুর ছোট মার্মা পাড়ায় আজ শুক্রবার (০৪ মার্চ) রাত ১টায় এই ঘটনা ঘটে।
বিষপানের পরপরই ক্যওচিং মার্মাকে সিএনজি করে পার্শ্ববর্তী চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নেয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। সে ছোট মার্মা পাড়ার মৃত ক্যওজাইংহ্লা মার্মার ছেলে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার আপ্রুসিং মার্মা বলেন, ক্যওচিং মার্মার প্রচন্ড পেট ব্যাথা ছিল। পেট ব্যথা সহ্য করতে না পেরে বিষপান করেছে। নিহতের পরিবারের কারো অভিযোগ না থাকায় তারা ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশের শেষকার্য্য সম্পাদন করতে চায়।
নাম প্রকাশ না করা সত্ত্বে ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ক্যওচিং মার্মা পারিবারিক অশান্তি থেকে বিষপান করেছে বলে জানা যায়। তার স্ত্রী তাকে খুব নির্যাতন করতো। আগেও ২/৩ বার বিষপান করে এই লোক আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল।
লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) শিবেন বিশ্বাস বলেন, লাশ লামা থানায় আনা হয়েছে।

বান্দরবান প্রতিনিধি : লামার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে বউয়ের জ্বালা যন্ত্রণা সইতে না পেরে ক্যওচিং মার্মা (৪৮) বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। ইউনিয়নের বনপুর ছোট মার্মা পাড়ায় আজ শুক্রবার (০৪ মার্চ) রাত ১টায় এই ঘটনা ঘটে।
বিষপানের পরপরই ক্যওচিং মার্মাকে সিএনজি করে পার্শ্ববর্তী চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নেয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। সে ছোট মার্মা পাড়ার মৃত ক্যওজাইংহ্লা মার্মার ছেলে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার আপ্রুসিং মার্মা বলেন, ক্যওচিং মার্মার প্রচন্ড পেট ব্যাথা ছিল। পেট ব্যথা সহ্য করতে না পেরে বিষপান করেছে। নিহতের পরিবারের কারো অভিযোগ না থাকায় তারা ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশের শেষকার্য্য সম্পাদন করতে চায়।
নাম প্রকাশ না করা সত্ত্বে ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ক্যওচিং মার্মা পারিবারিক অশান্তি থেকে বিষপান করেছে বলে জানা যায়। তার স্ত্রী তাকে খুব নির্যাতন করতো। আগেও ২/৩ বার বিষপান করে এই লোক আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল।
লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) শিবেন বিশ্বাস বলেন, লাশ লামা থানায় আনা হয়েছে।