লিটন কুতুবী: কুতুবদিয়া উপকূলের ফসলি জমিতে বোরো ফসলে সবুজের সমারোহে কৃষকের মুখে হাসি। গত ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম সপ্তাহে কৃষকেরা বোরো চাষে চারা ধান রোপন করে মাঠে। আবহাওয়া প্রতিকূল পরিবেশে এক মাসে যে সবুজের সমারোহ দেখা দিয়েছে যা দৃষ্টি আকর্ষণ করে সবারই মন জুড়ে যায়।

কুতুবদিয়া উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, কুতুবদিয়া উপকূলে চলতি বছর বোরো চাষ হচ্ছে ১৬শ হেক্টর ফসলি জমিতে (অর্থাৎ ৪ হাজার ৭২ একর)। গত বছরের চেয়ে চলতি বছর বোরো চাষ হচ্ছে বেশী। তেমনি সারের চাহিদাও আছে। সরকারিভাবে বোরো ফসলে সারের চাহিদা পূরণে ইউরিয়া ১৪শ মেট্রিকটন,টিএসপি ৬০০ মেট্রিকটন, এমওপি ৪৫০ মেট্রিকটন টার্গেট ধরা হয়েছে। এতে অধিকাংশ সার কুতুবদিয়ার সার ডিলার ও কৃষকের নিকট পৌছে গেছে। অবশ্য বোরো চাষ শুরু করার পূর্বে কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক বরাদ্দকৃত কুতুবদিয়া উপজেলার ১৫শ কৃষককে কৃষি প্রনোদনা দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ১২শ জনকে হাইব্রিড বীজধান, তিনশ জনকে উপশয়ী বীজধান পাঁচ কেজি,পাঁচ কেজি টিএসপি, ১০কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়।

কুতুবদিয়া উপজেলা কৃষি অফিসের উপ- সহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষক মোঃ নাজেম উদ্দিন জানান, কুতুবদিয়া উপকূলের জমি খুবই উর্বর। একই জমিতে আউশ,আমন,বোরো চাষ হয়। এমন কি কুতুবদিয়ায় প্রায় ২০০হেক্টর জমিতে রবি শষ্য শাকসবজি থেকে শুরু করে খিরা, তরমুজ, টমেটো,মরিচ,বেগুন,শিম,ফুলকপিসহ বিভিন্ন ধরণের সবজির চাষ হচ্ছে। কুতুবদিয়া উপকূলের কৃষকেরা খিরা আর টমেটো চাষ করে প্রতি একরে লাখ লাখ টাকা আয় করেছে। কুতুবদিয়া উপকূলের খিরা আর টমেটো এতই সুসাধু দেশে প্রত্যন্ত অঞ্চলে চাহিদা পূরণ করে আসছে।

বড়ঘোপ ইউনিয়নের কৃষক আবু সুফিয়ার জানান, চলতি বোরো মৌসুমে ধান চাষ করে যে সুবিধা পেয়েছে অন্যান্য বছর তা পায়নি, জমি চাষ দেয়ার শুরু থেকে এ পর্যন্ত তিন বার বৃষ্টি হয়েছে, এতে ফসলের চেহারা বদলে গেছে। অবশ্য বিভিন্ন পোকামাকড়ের জন্য কীটনাশক ঔষধ দিতে হচ্ছে বেশী।

বড়ঘোপ ইউপির চেয়ারম্যান আবুল কালাম বলেন, বোরো মৌসুমে সবচেয়ে বেশী চাষ হচ্ছে বড়ঘোপ ইউনিয়নে। বর্ষায় যে সব জমি পরিত্যাক্ত হয়ে থাকে,সেসব জমিতে বোরো মৌসুমে চাষ হচ্ছে। এতে প্রান্তিক কৃষকেরা মহা খুশি। তবে ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পাম্প মালিকরা একটু পানি সরবরাহের দাম বৃদ্ধি নেয়ার অভিযোগ ওঠেছে বলে জানান।

লিটন কুতুবী: কুতুবদিয়া উপকূলের ফসলি জমিতে বোরো ফসলে সবুজের সমারোহে কৃষকের মুখে হাসি। গত ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম সপ্তাহে কৃষকেরা বোরো চাষে চারা ধান রোপন করে মাঠে। আবহাওয়া প্রতিকূল পরিবেশে এক মাসে যে সবুজের সমারোহ দেখা দিয়েছে যা দৃষ্টি আকর্ষণ করে সবারই মন জুড়ে যায়।

কুতুবদিয়া উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, কুতুবদিয়া উপকূলে চলতি বছর বোরো চাষ হচ্ছে ১৬শ হেক্টর ফসলি জমিতে (অর্থাৎ ৪ হাজার ৭২ একর)। গত বছরের চেয়ে চলতি বছর বোরো চাষ হচ্ছে বেশী। তেমনি সারের চাহিদাও আছে। সরকারিভাবে বোরো ফসলে সারের চাহিদা পূরণে ইউরিয়া ১৪শ মেট্রিকটন,টিএসপি ৬০০ মেট্রিকটন, এমওপি ৪৫০ মেট্রিকটন টার্গেট ধরা হয়েছে। এতে অধিকাংশ সার কুতুবদিয়ার সার ডিলার ও কৃষকের নিকট পৌছে গেছে। অবশ্য বোরো চাষ শুরু করার পূর্বে কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক বরাদ্দকৃত কুতুবদিয়া উপজেলার ১৫শ কৃষককে কৃষি প্রনোদনা দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ১২শ জনকে হাইব্রিড বীজধান, তিনশ জনকে উপশয়ী বীজধান পাঁচ কেজি,পাঁচ কেজি টিএসপি, ১০কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়।

কুতুবদিয়া উপজেলা কৃষি অফিসের উপ- সহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষক মোঃ নাজেম উদ্দিন জানান, কুতুবদিয়া উপকূলের জমি খুবই উর্বর। একই জমিতে আউশ,আমন,বোরো চাষ হয়। এমন কি কুতুবদিয়ায় প্রায় ২০০হেক্টর জমিতে রবি শষ্য শাকসবজি থেকে শুরু করে খিরা, তরমুজ, টমেটো,মরিচ,বেগুন,শিম,ফুলকপিসহ বিভিন্ন ধরণের সবজির চাষ হচ্ছে। কুতুবদিয়া উপকূলের কৃষকেরা খিরা আর টমেটো চাষ করে প্রতি একরে লাখ লাখ টাকা আয় করেছে। কুতুবদিয়া উপকূলের খিরা আর টমেটো এতই সুসাধু দেশে প্রত্যন্ত অঞ্চলে চাহিদা পূরণ করে আসছে।

বড়ঘোপ ইউনিয়নের কৃষক আবু সুফিয়ার জানান, চলতি বোরো মৌসুমে ধান চাষ করে যে সুবিধা পেয়েছে অন্যান্য বছর তা পায়নি, জমি চাষ দেয়ার শুরু থেকে এ পর্যন্ত তিন বার বৃষ্টি হয়েছে, এতে ফসলের চেহারা বদলে গেছে। অবশ্য বিভিন্ন পোকামাকড়ের জন্য কীটনাশক ঔষধ দিতে হচ্ছে বেশী।

বড়ঘোপ ইউপির চেয়ারম্যান আবুল কালাম বলেন, বোরো মৌসুমে সবচেয়ে বেশী চাষ হচ্ছে বড়ঘোপ ইউনিয়নে। বর্ষায় যে সব জমি পরিত্যাক্ত হয়ে থাকে,সেসব জমিতে বোরো মৌসুমে চাষ হচ্ছে। এতে প্রান্তিক কৃষকেরা মহা খুশি। তবে ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পাম্প মালিকরা একটু পানি সরবরাহের দাম বৃদ্ধি নেয়ার অভিযোগ ওঠেছে বলে জানান।