নিজস্ব প্রতিবেদক: ট্রুথ কমিশনে দুর্নীতির দায় স্বীকার ও অক্সিজেন কুয়াইশ সংযোগ সড়ক প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ এর চার্জশিটভূক্ত দূর্ণীতি দমন কমিশনের ৩টি মামলার আসামী চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামসকে সম্পূন্ন অবৈধভাবে তৎকালীন চউক চেয়ারম্যান ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী পদে পদায়ন করেন।

দুদকের দায়ের করা নগরীর কোতোয়ালী থানার মামলা নং- যথাক্রমে ১৪, ২৩ ও ২৪ তাং ২০০৮। এই মামলাগুলোর বিরুদ্ধে মহামান্য হাই কোর্ট থেকে “স্টে” নিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর সিডিএতে লুঠপাটসহ বিভিন্ন কৌশলে বিভিন্ন প্রকল্প ও “বাইন্য সিন্ডিকেট” থেকে ভুমি ব্যবহার ছাড়পত্র ও অবৈধ উপায়ে নকশা ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। কারণ অবসরে গেলে মামলার কারণে পেনসনসহ যাবতীয় ভাতাদি পা’বেনা বিধায় আজান দিয়ে অবৈধভাবে ৭/৮টি পদ আঁকড়িয়ে রেখে দুর্দান্ত সাহসে দুর্ণীতি করছে। মামলা দায়ের করার পর সুদীর্ঘ ১৬ বছরে দুদক তার বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হয়নি।

ভুক্তভোগীরা গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় চউক চেয়ারম্যান বরাবরে অভিযোগের কারণে মন্ত্রণালয় গত ৩০ জুলাই তার বদলীর প্রজ্ঞাপন জারী করলেও তার পরের দিন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের “প্রধান প্রকৌশলী” পদে পদায়নের বিষয়ে মাননীয় হাইকোর্টে দায়েরকৃত রীট পিটিশন মামলা নং-২৫২৯/২০২৪ এর ৬ মাসের “স্টেটাসকো” থাকায় গত ৩১ জুলাই অর্থাৎ একদিন পর বদলীর প্রজ্ঞাপন রহিত করা হয়।

অসমর্থিত একটি সুত্রে জানা গেছে, বদলী রহিত করণের জন্য এই নির্বাহী প্রকৌশলী বিশাল অংকের অর্থ তোফা দিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের কথেক কর্মকর্তাকে।

রীট পিটিশন মামলার নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আগামী সেপ্টম্বর মাসে “স্টেটাসকো” এর মেয়দ শেষ হবে। পদ ধরে রাখার জন্য এই কর্মকর্তা আদালতে পুন তদবীর করার অপেক্ষায় রয়েছে।

সুত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ ৪/৫ মাস যাবৎ নকশা অনুমোদন কমিটির সভা, নগর উন্নয়ন কমিটির সভা, বিশেষ প্রকল্পের সভা সঠিক সময়ে না হওয়ায় জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি একাই এই কমিটিগুলোর পদাধীকারবলে চেয়ারম্যান। সম্প্রতি কয়েকটি সভায় অনুমোদিত নকশার নাথি নিয়ে জনৈক সদস্যের মাধ্যমে নব নিয়োগকৃত সৎ চেয়ারম্যানকে ইমারত নির্মাণ বিধিমালার ভুলভাল ব্যাখ্যা দিয়ে নকশা ডেলিভারিতে জঠিলতা সৃষ্ঠি করে রেখেছে। নগর উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান ২০০৮ সালের বিধিমালায় স্বয়ং চউক চেয়ারম্যানকে ক্ষমতা দিলেও চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরের স্থলে সর্বকাজের কাজী নিজেই স্বাক্ষর করে নগর উন্নয়ন কমিটিতে অনুমোদন হওয়া নথি ডেলিভারী দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানায়,তিনি অবৈধভাবে প্রধান প্রকৌশলীর বাংলো ও সর্বাক্ষনিক কোটি টাকা দামের গাড়িও ব্যবহার করতেন যা বিধি বিধিবর্হিরভূত। অবৈধভাবে বাংলো ও গাড়ী ব্যবহারে চউকের কয়েক কোটি টাকা তছরুপ করেছেন। এছাড়াও বাংলো ব্যবহারের জন্য সিডিএ’র তৎকালীন সংস্থা প্রধান তার পক্ষে কোন দপ্তরাদেশ দেয়নি। তিনি তার স্ব-ক্ষমতাবলে এ সব ব্যবহার করেছেন। আর্থিক সংক্রান্ত ও নকশা অনুমোদন,ভুমি ব্যবহার ছাড়পত্র অনুমোদন, নগর উন্নয়ন কমিঠির ছাড়পত্র অনুমোদন ও বিশেষ প্রকল্পের ছাড়পত্র অনুমোদন সংক্রান্ত বিভিন্ন বেজাল নথি অনুমোদনে কোটি কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য করে অবৈধ আয়ের উৎস তৈরী করেন।

বিশেষকরে “বাইন্যা সিন্ডিকেটের”অনুমোদিত ভুমি ব্যবহার ছাড়পত্র,অনুমোদিত নকশা, নগর উন্নয়ন কমিটির ছাড়পত্র ও বিশেষ প্রকল্পে ছাড়পত্র পযার্লোচনা করলে কি পরিমান ঘুষ-দুর্নীতি হয়েছে তা বের হয়ে আসবে জানান নাম প্রকাশ না করা অনেক সিনিয়র কর্মকর্তা।

জানা যায়,কাজী হাসান বিন শামস চউকের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসাবে দায়িত্বের সময়কালে তিনি অক্সিজেন-কুয়াইশ-বুড়িশ্চর সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু ঐ প্রকল্পে কাজ না করেই বিপুল অঙ্কের বিল উত্তোলনসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে অন্তত ১৬টি মামলা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা এমন মামলার আসামি তিনি
নিজেও।

সূত্রটি জানায়,ট্রুথ কমিশনে দায় স্বীকার ও মামলার কারণে অনেকের মতো কাজী হাসানেরও আর নিয়মিত পদোন্নতি হয়নি। তবে কাগজে-কলমে পদোন্নতি না হলেও প্রকৌশল ও পরিকল্পনা বিভাগের সর্বোচ্চ পদসহ অন্তত ৮টি পদ তিনি একাই দখল করে আছেন। তাকে চউক কর্তৃপক্ষ তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব), প্রধান প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্ব দিয়ে রেখেছে। একইভাবে তিনি বর্তমানে সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্পের পরিচালক (পিডি)। ডিপিপি (ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রোফাইল) অনুযায়ী ওই প্রকল্পে ফুলটাইম বা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালনের কথা তার। সেখান থেকে তিনি ৪০ শতাংশ ভাতাও পান। বড় প্রকল্পে পরিচালক সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন না করলে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা যায় না। একাধিক দায়িত্ব থাকলে কাজের বিঘ্ন ঘটে। আড়াই হাজার কোটি টাকার রিং রোড প্রকল্পের কাজ ২০১৯ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ২০২৪-এ এসেও তা শেষ হয়নি।

গত ২০১৩ সালে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং-২৫.০১৮.০০৫.০২.০০.০০৬.২০১২.২৯৬ তাং-০৯/০৬/২০১৩ মূলে তাকে চাকুরী থেকে অব্যহতি প্রদানের জন্য চউক চেয়ারম্যান আবদুস ছালামকে অবহিত করা সত্বেও তৎকালীন চউক সচিব তাহের বেগম তা বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা না নিয়ে ২০১৯ সালে তাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী পদ দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক: ট্রুথ কমিশনে দুর্নীতির দায় স্বীকার ও অক্সিজেন কুয়াইশ সংযোগ সড়ক প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ এর চার্জশিটভূক্ত দূর্ণীতি দমন কমিশনের ৩টি মামলার আসামী চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামসকে সম্পূন্ন অবৈধভাবে তৎকালীন চউক চেয়ারম্যান ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী পদে পদায়ন করেন।

দুদকের দায়ের করা নগরীর কোতোয়ালী থানার মামলা নং- যথাক্রমে ১৪, ২৩ ও ২৪ তাং ২০০৮। এই মামলাগুলোর বিরুদ্ধে মহামান্য হাই কোর্ট থেকে “স্টে” নিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর সিডিএতে লুঠপাটসহ বিভিন্ন কৌশলে বিভিন্ন প্রকল্প ও “বাইন্য সিন্ডিকেট” থেকে ভুমি ব্যবহার ছাড়পত্র ও অবৈধ উপায়ে নকশা ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। কারণ অবসরে গেলে মামলার কারণে পেনসনসহ যাবতীয় ভাতাদি পা’বেনা বিধায় আজান দিয়ে অবৈধভাবে ৭/৮টি পদ আঁকড়িয়ে রেখে দুর্দান্ত সাহসে দুর্ণীতি করছে। মামলা দায়ের করার পর সুদীর্ঘ ১৬ বছরে দুদক তার বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারণে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হয়নি।

ভুক্তভোগীরা গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় চউক চেয়ারম্যান বরাবরে অভিযোগের কারণে মন্ত্রণালয় গত ৩০ জুলাই তার বদলীর প্রজ্ঞাপন জারী করলেও তার পরের দিন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের “প্রধান প্রকৌশলী” পদে পদায়নের বিষয়ে মাননীয় হাইকোর্টে দায়েরকৃত রীট পিটিশন মামলা নং-২৫২৯/২০২৪ এর ৬ মাসের “স্টেটাসকো” থাকায় গত ৩১ জুলাই অর্থাৎ একদিন পর বদলীর প্রজ্ঞাপন রহিত করা হয়।

অসমর্থিত একটি সুত্রে জানা গেছে, বদলী রহিত করণের জন্য এই নির্বাহী প্রকৌশলী বিশাল অংকের অর্থ তোফা দিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের কথেক কর্মকর্তাকে।

রীট পিটিশন মামলার নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আগামী সেপ্টম্বর মাসে “স্টেটাসকো” এর মেয়দ শেষ হবে। পদ ধরে রাখার জন্য এই কর্মকর্তা আদালতে পুন তদবীর করার অপেক্ষায় রয়েছে।

সুত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ ৪/৫ মাস যাবৎ নকশা অনুমোদন কমিটির সভা, নগর উন্নয়ন কমিটির সভা, বিশেষ প্রকল্পের সভা সঠিক সময়ে না হওয়ায় জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি একাই এই কমিটিগুলোর পদাধীকারবলে চেয়ারম্যান। সম্প্রতি কয়েকটি সভায় অনুমোদিত নকশার নাথি নিয়ে জনৈক সদস্যের মাধ্যমে নব নিয়োগকৃত সৎ চেয়ারম্যানকে ইমারত নির্মাণ বিধিমালার ভুলভাল ব্যাখ্যা দিয়ে নকশা ডেলিভারিতে জঠিলতা সৃষ্ঠি করে রেখেছে। নগর উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান ২০০৮ সালের বিধিমালায় স্বয়ং চউক চেয়ারম্যানকে ক্ষমতা দিলেও চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরের স্থলে সর্বকাজের কাজী নিজেই স্বাক্ষর করে নগর উন্নয়ন কমিটিতে অনুমোদন হওয়া নথি ডেলিভারী দিচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানায়,তিনি অবৈধভাবে প্রধান প্রকৌশলীর বাংলো ও সর্বাক্ষনিক কোটি টাকা দামের গাড়িও ব্যবহার করতেন যা বিধি বিধিবর্হিরভূত। অবৈধভাবে বাংলো ও গাড়ী ব্যবহারে চউকের কয়েক কোটি টাকা তছরুপ করেছেন। এছাড়াও বাংলো ব্যবহারের জন্য সিডিএ’র তৎকালীন সংস্থা প্রধান তার পক্ষে কোন দপ্তরাদেশ দেয়নি। তিনি তার স্ব-ক্ষমতাবলে এ সব ব্যবহার করেছেন। আর্থিক সংক্রান্ত ও নকশা অনুমোদন,ভুমি ব্যবহার ছাড়পত্র অনুমোদন, নগর উন্নয়ন কমিঠির ছাড়পত্র অনুমোদন ও বিশেষ প্রকল্পের ছাড়পত্র অনুমোদন সংক্রান্ত বিভিন্ন বেজাল নথি অনুমোদনে কোটি কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য করে অবৈধ আয়ের উৎস তৈরী করেন।

বিশেষকরে “বাইন্যা সিন্ডিকেটের”অনুমোদিত ভুমি ব্যবহার ছাড়পত্র,অনুমোদিত নকশা, নগর উন্নয়ন কমিটির ছাড়পত্র ও বিশেষ প্রকল্পে ছাড়পত্র পযার্লোচনা করলে কি পরিমান ঘুষ-দুর্নীতি হয়েছে তা বের হয়ে আসবে জানান নাম প্রকাশ না করা অনেক সিনিয়র কর্মকর্তা।

জানা যায়,কাজী হাসান বিন শামস চউকের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসাবে দায়িত্বের সময়কালে তিনি অক্সিজেন-কুয়াইশ-বুড়িশ্চর সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু ঐ প্রকল্পে কাজ না করেই বিপুল অঙ্কের বিল উত্তোলনসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে অন্তত ১৬টি মামলা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা এমন মামলার আসামি তিনি
নিজেও।

সূত্রটি জানায়,ট্রুথ কমিশনে দায় স্বীকার ও মামলার কারণে অনেকের মতো কাজী হাসানেরও আর নিয়মিত পদোন্নতি হয়নি। তবে কাগজে-কলমে পদোন্নতি না হলেও প্রকৌশল ও পরিকল্পনা বিভাগের সর্বোচ্চ পদসহ অন্তত ৮টি পদ তিনি একাই দখল করে আছেন। তাকে চউক কর্তৃপক্ষ তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব), প্রধান প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্ব দিয়ে রেখেছে। একইভাবে তিনি বর্তমানে সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্পের পরিচালক (পিডি)। ডিপিপি (ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রোফাইল) অনুযায়ী ওই প্রকল্পে ফুলটাইম বা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালনের কথা তার। সেখান থেকে তিনি ৪০ শতাংশ ভাতাও পান। বড় প্রকল্পে পরিচালক সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন না করলে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা যায় না। একাধিক দায়িত্ব থাকলে কাজের বিঘ্ন ঘটে। আড়াই হাজার কোটি টাকার রিং রোড প্রকল্পের কাজ ২০১৯ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ২০২৪-এ এসেও তা শেষ হয়নি।

গত ২০১৩ সালে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং-২৫.০১৮.০০৫.০২.০০.০০৬.২০১২.২৯৬ তাং-০৯/০৬/২০১৩ মূলে তাকে চাকুরী থেকে অব্যহতি প্রদানের জন্য চউক চেয়ারম্যান আবদুস ছালামকে অবহিত করা সত্বেও তৎকালীন চউক সচিব তাহের বেগম তা বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা না নিয়ে ২০১৯ সালে তাকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী পদ দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।