ঢাকা ব্যুরো: রাজাকার স্লোগান দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অপবিত্র করা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ক্ষুন্ন করা হয়েছে বলে বিবৃতি দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী, অধুনা বিলুপ্ত দৈনিক আজকের কাগজের রিপোর্টার, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সদস্য, সোহেল-সামাদ স্মৃতি পুরস্কার ২০০৫ অর্জনকারী ও বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রশান্ত মজুমদার। আজ সোমবার (১৫ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিৃবতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা নিজেদেরকে রাজাকার হিসেবে স্লোগান দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অপবিত্র করেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ক্ষুন্ন করেছে। রাজাকার স্লোগান দিয়ে দাবি আদায়ের চাইতে আত্মহত্যাই শ্রেয়। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করা প্রকৃতপক্ষে নিজের মা-বাবাকেই অস্বীকার করার সমান। শিক্ষার্থীদের এই স্লোগানে আমি লজ্জিত, মর্মাহত এবং আমার হৃদয়ে রক্ত ক্ষরণ হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা এমন ঘৃণ্য স্লোগান দিতে পারে যা আমি কল্পনাও করতে পারি না। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের জরুরি ভিত্তিতে একত্রিত হওয়া প্রয়োজন বলেও বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সাবেক শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর আস্থা ও ভরসা রাখার অনুরোধ জানিয়ে কোটা নিয়ে সৃষ্ট সমস্যার দ্রুত সমাধান জরুরি বলে উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে সাবেক রিপোর্টার প্রশান্ত মজুমদার বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ত্রিশ লক্ষ মানুষ শহীদ হয়েছেন। কমপক্ষে দুই লক্ষ মা বোন ইজ্জত হারিয়েছেন। প্রাণ বাঁচাতে শরণার্থী হিসেবে লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিবেশী দেশ ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। আর এসব হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী রাজকারদের পৃষ্ঠপোষকতায়। এমন ঘৃণ্য ও নিষ্ঠুর, অসুর ও অশুভ শক্তির প্রতীক বাংলাদেশের অপশক্তি রাজাকার নামের সাথে বর্তমানের প্রগতিশীল ছাত্রছাত্রীদের কোনোরূপ সম্পর্ক বা অন্তরের টান থাকতে পারে না এবং নাই বলেই আমি বিশ্বাস করি। তাই ছাত্রছাত্রীদের আহ্বান জানাচ্ছি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নিজেকে উজ্জীবিত করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে সু নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে নিজেকে উৎসর্গ করতে।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সদস্য ও অনুসন্ধানী রিপোর্টে সোহেল সামাদ স্মৃতি পুরস্কার ২০০৫ অর্জনকারী প্রশান্ত মজুমদার বলেন, বিভিন্ন ধরণের কোটার অবশ্যই প্রয়োজন রয়েছে। তবে কোটার বর্তমান নির্ধারিত হার সংস্কার করা প্রয়োজন। কারণ অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী এই সংস্কার চায়। আমি নিজেও এই সংস্কার চাই। আর এটা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে খুব সহজেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব। তাই বিষয়টিকে জটিল না করে এবং শিক্ষা অঙ্গণকে অস্থিতিশীল ও অপবিত্র না করার জন্য এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ও মযার্দা রক্ষা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি জোর অনুরোধ ও আবেদন জানাচ্ছি।

ঢাকা ব্যুরো: রাজাকার স্লোগান দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অপবিত্র করা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ক্ষুন্ন করা হয়েছে বলে বিবৃতি দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী, অধুনা বিলুপ্ত দৈনিক আজকের কাগজের রিপোর্টার, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সদস্য, সোহেল-সামাদ স্মৃতি পুরস্কার ২০০৫ অর্জনকারী ও বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রশান্ত মজুমদার। আজ সোমবার (১৫ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিৃবতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা নিজেদেরকে রাজাকার হিসেবে স্লোগান দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অপবিত্র করেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ক্ষুন্ন করেছে। রাজাকার স্লোগান দিয়ে দাবি আদায়ের চাইতে আত্মহত্যাই শ্রেয়। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করা প্রকৃতপক্ষে নিজের মা-বাবাকেই অস্বীকার করার সমান। শিক্ষার্থীদের এই স্লোগানে আমি লজ্জিত, মর্মাহত এবং আমার হৃদয়ে রক্ত ক্ষরণ হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা এমন ঘৃণ্য স্লোগান দিতে পারে যা আমি কল্পনাও করতে পারি না। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের জরুরি ভিত্তিতে একত্রিত হওয়া প্রয়োজন বলেও বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সাবেক শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর আস্থা ও ভরসা রাখার অনুরোধ জানিয়ে কোটা নিয়ে সৃষ্ট সমস্যার দ্রুত সমাধান জরুরি বলে উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে সাবেক রিপোর্টার প্রশান্ত মজুমদার বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ত্রিশ লক্ষ মানুষ শহীদ হয়েছেন। কমপক্ষে দুই লক্ষ মা বোন ইজ্জত হারিয়েছেন। প্রাণ বাঁচাতে শরণার্থী হিসেবে লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিবেশী দেশ ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। আর এসব হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী রাজকারদের পৃষ্ঠপোষকতায়। এমন ঘৃণ্য ও নিষ্ঠুর, অসুর ও অশুভ শক্তির প্রতীক বাংলাদেশের অপশক্তি রাজাকার নামের সাথে বর্তমানের প্রগতিশীল ছাত্রছাত্রীদের কোনোরূপ সম্পর্ক বা অন্তরের টান থাকতে পারে না এবং নাই বলেই আমি বিশ্বাস করি। তাই ছাত্রছাত্রীদের আহ্বান জানাচ্ছি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নিজেকে উজ্জীবিত করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে সু নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে নিজেকে উৎসর্গ করতে।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সদস্য ও অনুসন্ধানী রিপোর্টে সোহেল সামাদ স্মৃতি পুরস্কার ২০০৫ অর্জনকারী প্রশান্ত মজুমদার বলেন, বিভিন্ন ধরণের কোটার অবশ্যই প্রয়োজন রয়েছে। তবে কোটার বর্তমান নির্ধারিত হার সংস্কার করা প্রয়োজন। কারণ অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী এই সংস্কার চায়। আমি নিজেও এই সংস্কার চাই। আর এটা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে খুব সহজেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব। তাই বিষয়টিকে জটিল না করে এবং শিক্ষা অঙ্গণকে অস্থিতিশীল ও অপবিত্র না করার জন্য এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ও মযার্দা রক্ষা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি জোর অনুরোধ ও আবেদন জানাচ্ছি।