দি ক্রাইম ডেস্ক: ভাগ্যক্রমে ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল গ্যাসবাহী জাহাজ। একইসাথে রক্ষা পেল কাফকো জেটিসহ অবকাঠামো। বন্দর চ্যানেলও বড় ধরনের সংকট তৈরি হওয়ার হাত থেকে নিস্তার পেয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন আসিফ আহমেদের সাহসী ও দক্ষতায় জাহাজটি রক্ষা পাওয়ার ঘটনা ঘটে।

বন্দর সূত্র জানিয়েছে, কর্ণফুলীর দক্ষিণ পাড়স্থ ইউনাইটেড ট্যাংক টার্মিনালের জেটিতে গতকাল সকাল পৌনে এগারটা নাগাদ এলপিজি গ্যাস বহনকারী জাহাজ ‘গ্যাস হারমোনি’ বার্থিং নিচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই জাহাজটির যান্ত্রিক ক্রুটি দেখা দেয়। এতে জাহাজটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কাফকো অ্যামোনিয়া জেটির দিকে ধেয়ে যেতে থাকে। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার শংকা তৈরি হয়। প্রায় ৫২৫ ফুট (১৫৯.৯ মিটার) লম্বা জাহাজটিতে প্রায় ৫১৫ মেট্রিক টন প্রোপেন ও ৪ হাজার ৮৭০ মেট্রিক টন বিউটেনসহ বিপুল পরিমাণ দাহ্য গ্যাস মজুত ছিল।

জাহাজটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে ক্যাপ্টেন আসিফ আহমেদের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত, অসীম সাহসিকতা ও পেশাদার দক্ষতায় জাহাজটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তিনি তার উপস্থিত বুদ্ধি, দৃঢ় মনোবল ও অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে জাহাজের নোঙর ও টাগবোট যথাযথভাবে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। দক্ষতার সঙ্গে জাহাজের গতি কমিয়ে দিক পরিবর্তন করে শেষ পর্যন্ত জেটি কাঠামো থেকে আনুমানিক মাত্র ১.২ মিটার দূরে জাহাজটি থামাতে সক্ষম হন। ক্যাপ্টেন আসিফের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে সম্ভাব্য ভয়াবহ বিস্ফোরণ, জেটি ও চ্যানেলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানির ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হয়। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের ভিটিএমএস কর্তৃপক্ষ পুরো সময়জুড়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করে। ক্যাপ্টেন আসিফের এই সাহসী ভূমিকার জন্য সংশ্লিষ্ট জাহাজ কর্তৃপক্ষ তার প্রশংসা করেন। এ ঘটনায় বন্দর ও দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় তার অবদান প্রশংসনীয় হয়ে থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন।

দি ক্রাইম ডেস্ক: ভাগ্যক্রমে ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল গ্যাসবাহী জাহাজ। একইসাথে রক্ষা পেল কাফকো জেটিসহ অবকাঠামো। বন্দর চ্যানেলও বড় ধরনের সংকট তৈরি হওয়ার হাত থেকে নিস্তার পেয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন আসিফ আহমেদের সাহসী ও দক্ষতায় জাহাজটি রক্ষা পাওয়ার ঘটনা ঘটে।

বন্দর সূত্র জানিয়েছে, কর্ণফুলীর দক্ষিণ পাড়স্থ ইউনাইটেড ট্যাংক টার্মিনালের জেটিতে গতকাল সকাল পৌনে এগারটা নাগাদ এলপিজি গ্যাস বহনকারী জাহাজ ‘গ্যাস হারমোনি’ বার্থিং নিচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই জাহাজটির যান্ত্রিক ক্রুটি দেখা দেয়। এতে জাহাজটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কাফকো অ্যামোনিয়া জেটির দিকে ধেয়ে যেতে থাকে। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার শংকা তৈরি হয়। প্রায় ৫২৫ ফুট (১৫৯.৯ মিটার) লম্বা জাহাজটিতে প্রায় ৫১৫ মেট্রিক টন প্রোপেন ও ৪ হাজার ৮৭০ মেট্রিক টন বিউটেনসহ বিপুল পরিমাণ দাহ্য গ্যাস মজুত ছিল।

জাহাজটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে ক্যাপ্টেন আসিফ আহমেদের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত, অসীম সাহসিকতা ও পেশাদার দক্ষতায় জাহাজটি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তিনি তার উপস্থিত বুদ্ধি, দৃঢ় মনোবল ও অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে জাহাজের নোঙর ও টাগবোট যথাযথভাবে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। দক্ষতার সঙ্গে জাহাজের গতি কমিয়ে দিক পরিবর্তন করে শেষ পর্যন্ত জেটি কাঠামো থেকে আনুমানিক মাত্র ১.২ মিটার দূরে জাহাজটি থামাতে সক্ষম হন। ক্যাপ্টেন আসিফের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে সম্ভাব্য ভয়াবহ বিস্ফোরণ, জেটি ও চ্যানেলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানির ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হয়। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের ভিটিএমএস কর্তৃপক্ষ পুরো সময়জুড়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করে। ক্যাপ্টেন আসিফের এই সাহসী ভূমিকার জন্য সংশ্লিষ্ট জাহাজ কর্তৃপক্ষ তার প্রশংসা করেন। এ ঘটনায় বন্দর ও দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায় তার অবদান প্রশংসনীয় হয়ে থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন।