বনানী (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ রাজধানীর বনানীতে যুবলীগ নেতা কাজী রাশেদ হত্যার সিসি টিভি ফুটেজ ছিল স্পস্ট। অথচ মামলার ছয় বছরেও বিচার পায়নি পরিবার। বিচারের দাবিতে কখনো আদালত আবার কখনো কবরস্থানে ঘুরে বিলাপ করছেন পরিবারের সদস্যরা।

হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ইউসুফ সরদার সোহেল ওরফে সুন্দরী সোহেলসহ সবাই আসামি আছেন জামিনে। মামলায় চলছে সাক্ষ্যগ্রহণ।

নিহত কাজী রাশেদের স্ত্রী মৌসুমী বলেন, এখন খুনিরা দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমাদের সামনে যা ইচ্ছা তাই করতেছে। কিন্তু আমরা এখনো বিচার পাইনাই।

গত ২০১৮ সালের ১৪ জুলাই একটি সিসি টিভি ফুটেজে দেখা যায়, বনানী যুবলীগের ওই সময়ের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ২০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ সরদার সোহেল ওরফে সুন্দরী সোহেল ঢুকছেন তার নিজ কার্যালয়ে। তার সাথে ছিল দীর্ঘদিনের সঙ্গী একই ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি কাজী রাশেদ সহ চারজন। কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে বের হোন সোহেলসহ দু’জন। এরপর পলিথিন নিয়ে কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকেন একজন। পরে হাসু, ফিরোজ, জহির ও দিপু হাত-পা ধরে টেনে হেঁচড়ে বের করেন কাজী রাশেদকে। এরপর টেনে লাশ নিয়ে ফেলে দেওয়া হয় মহাখালী বন ভবনের পেছনে।

এই ঘটনায় মামলার কয়েকমাস পরেই চার্জশিট দেয় পুলিশ। অপরাধ আমলে নিয়ে বিচার শুরু করে আদালত। পলাতক মূল অভিযুক্ত সুন্দরী সোহেল দেশে ফিরে উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পদে না থেকেও রাজনৈতিক বারান্দায় উঠবস সুন্দরী সোহেলের। প্রভাবশালী নেতাদের সাথে ছবি তুলে প্রচার করে পিঠ বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর হওয়ার দৌড়ে আছেন তিনি। আর অন্য চার আসামিও জামিন নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে প্রকাশ্যে। শুধু রাশেদ হত্যাই নয় এরকম আরো ৭টি হত্যা মামলার আসামি সুন্দরী সোহেল।

মামলার বিষয়ে বাদী পক্ষের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান ববি বলেন, আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছে। মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। এখানে বাদী সাক্ষী হয়েছে। আদালত সাজা প্রদান করলে আসামিদের সাজা খাটতে হবে।

বনানী (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ রাজধানীর বনানীতে যুবলীগ নেতা কাজী রাশেদ হত্যার সিসি টিভি ফুটেজ ছিল স্পস্ট। অথচ মামলার ছয় বছরেও বিচার পায়নি পরিবার। বিচারের দাবিতে কখনো আদালত আবার কখনো কবরস্থানে ঘুরে বিলাপ করছেন পরিবারের সদস্যরা।

হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ইউসুফ সরদার সোহেল ওরফে সুন্দরী সোহেলসহ সবাই আসামি আছেন জামিনে। মামলায় চলছে সাক্ষ্যগ্রহণ।

নিহত কাজী রাশেদের স্ত্রী মৌসুমী বলেন, এখন খুনিরা দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমাদের সামনে যা ইচ্ছা তাই করতেছে। কিন্তু আমরা এখনো বিচার পাইনাই।

গত ২০১৮ সালের ১৪ জুলাই একটি সিসি টিভি ফুটেজে দেখা যায়, বনানী যুবলীগের ওই সময়ের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ২০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ সরদার সোহেল ওরফে সুন্দরী সোহেল ঢুকছেন তার নিজ কার্যালয়ে। তার সাথে ছিল দীর্ঘদিনের সঙ্গী একই ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি কাজী রাশেদ সহ চারজন। কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে বের হোন সোহেলসহ দু’জন। এরপর পলিথিন নিয়ে কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকেন একজন। পরে হাসু, ফিরোজ, জহির ও দিপু হাত-পা ধরে টেনে হেঁচড়ে বের করেন কাজী রাশেদকে। এরপর টেনে লাশ নিয়ে ফেলে দেওয়া হয় মহাখালী বন ভবনের পেছনে।

এই ঘটনায় মামলার কয়েকমাস পরেই চার্জশিট দেয় পুলিশ। অপরাধ আমলে নিয়ে বিচার শুরু করে আদালত। পলাতক মূল অভিযুক্ত সুন্দরী সোহেল দেশে ফিরে উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পদে না থেকেও রাজনৈতিক বারান্দায় উঠবস সুন্দরী সোহেলের। প্রভাবশালী নেতাদের সাথে ছবি তুলে প্রচার করে পিঠ বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর হওয়ার দৌড়ে আছেন তিনি। আর অন্য চার আসামিও জামিন নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে প্রকাশ্যে। শুধু রাশেদ হত্যাই নয় এরকম আরো ৭টি হত্যা মামলার আসামি সুন্দরী সোহেল।

মামলার বিষয়ে বাদী পক্ষের আইনজীবী দেলোয়ার জাহান ববি বলেন, আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছে। মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। এখানে বাদী সাক্ষী হয়েছে। আদালত সাজা প্রদান করলে আসামিদের সাজা খাটতে হবে।