নিজস্ব প্রতিবেদক: চাকরি ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ঢাকা খিলঁগাও থানায় ঝালকাঠি নলছিটি উপজেলার ৩ নং কুলকাঠি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আকতারুজ্জামান বাচ্চুর (৪৫) বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন – ২০০০( সংশোধন -২০০৩)এর (০১) ৩০ ধারায় মামলা রুজু করে, (যার মামলা নং ১০৬০(৫)৩ তাং ১১/০২/২০২২ইং)।

গত বৃহস্পতিবার বাচ্চুসহ সহযোগী ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার তোফেল উদ্দিন (কালাই) কন্যা মোরশেদা বেগমকে আসামী করা হয়। অবশ্য পুলিশ ঘটনায় জড়িত মোরশেদাকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরন করে বলে খিলগাঁও থানার ওসি ফারুকুল আলম নিশ্চিত করেন।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ৭-৮ মাস আগে চেয়ারম্যান বাচ্চুর সাথে ওই নারীর সাথে মুঠোফোনের মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরিচয় সূত্রে দীর্ঘদিন মুঠোফোনে অনেক কথা হয়। যার প্রমান ভিডিও রয়েছে। গত বছর ১৩ ডিসেম্বর ওই নারীকে ঢাকায় দক্ষিণ বনশ্রীর মোরশেদা বেগমের বাসায় নিয়ে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেন। কৌশলে ভিকটিম অন্য বাসায় গিয়ে স্থান নিলে রেহায় পায়নি। খবর নিয়ে সহযোগী মোরশেদা বেগমকে পাঠিয়ে সর্বশেষ গত ৬ জানুয়ারী রাত ১০ টার দিকে বিয়ের কথা বলে বনশ্রীর বর্তমান বাসায় নিয়ে আসে।

ভুক্তভোগীর বিষয়ে অভিযুক্ত বাচ্চু বলেন, এলাকার মেয়ে হিসেবে এবং আমি জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালনের সূত্রে তাকে চিনি। তবে এই অভিযোগগুলো শতভাগ মিথ্যা সাজানো। মেয়েটি আমার সামনা সামনি আমার বিরুদ্ধে এ সব কথা বলতে পারবে না।

তিনি আরো জানান, বাচ্চু নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি ইউনিয়নের তিনবার আ’লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন বলে জানান। বর্তমানে কুলকাঠি চেয়ারম্যানের দায়িত্বের পাশাপাশি নলছিটি উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

খিলগাঁও থানার ওসি ফারুকুল আলম বলেন, ভুক্তভোগী নারীকে এনজিওতে চাকরী দেবে এবং বিয়ে করবে বলে প্রলোভন দেখিয়ে আকতারুজ্জামান বাচ্চু নামের একজন ও নারীকে ঢাকায় এনে শারীরিক সম্পর্ক করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এজাহারের সূত্র ধরে ২ নং আসামী মোরশেদা বেগমকে আটক করে। ভিডিও ফুটেজ ও সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে মামলার অগ্রগতি চলমান থাকবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক: চাকরি ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ঢাকা খিলঁগাও থানায় ঝালকাঠি নলছিটি উপজেলার ৩ নং কুলকাঠি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আকতারুজ্জামান বাচ্চুর (৪৫) বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন – ২০০০( সংশোধন -২০০৩)এর (০১) ৩০ ধারায় মামলা রুজু করে, (যার মামলা নং ১০৬০(৫)৩ তাং ১১/০২/২০২২ইং)।

গত বৃহস্পতিবার বাচ্চুসহ সহযোগী ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার তোফেল উদ্দিন (কালাই) কন্যা মোরশেদা বেগমকে আসামী করা হয়। অবশ্য পুলিশ ঘটনায় জড়িত মোরশেদাকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরন করে বলে খিলগাঁও থানার ওসি ফারুকুল আলম নিশ্চিত করেন।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ৭-৮ মাস আগে চেয়ারম্যান বাচ্চুর সাথে ওই নারীর সাথে মুঠোফোনের মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরিচয় সূত্রে দীর্ঘদিন মুঠোফোনে অনেক কথা হয়। যার প্রমান ভিডিও রয়েছে। গত বছর ১৩ ডিসেম্বর ওই নারীকে ঢাকায় দক্ষিণ বনশ্রীর মোরশেদা বেগমের বাসায় নিয়ে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেন। কৌশলে ভিকটিম অন্য বাসায় গিয়ে স্থান নিলে রেহায় পায়নি। খবর নিয়ে সহযোগী মোরশেদা বেগমকে পাঠিয়ে সর্বশেষ গত ৬ জানুয়ারী রাত ১০ টার দিকে বিয়ের কথা বলে বনশ্রীর বর্তমান বাসায় নিয়ে আসে।

ভুক্তভোগীর বিষয়ে অভিযুক্ত বাচ্চু বলেন, এলাকার মেয়ে হিসেবে এবং আমি জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালনের সূত্রে তাকে চিনি। তবে এই অভিযোগগুলো শতভাগ মিথ্যা সাজানো। মেয়েটি আমার সামনা সামনি আমার বিরুদ্ধে এ সব কথা বলতে পারবে না।

তিনি আরো জানান, বাচ্চু নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি ইউনিয়নের তিনবার আ’লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন বলে জানান। বর্তমানে কুলকাঠি চেয়ারম্যানের দায়িত্বের পাশাপাশি নলছিটি উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

খিলগাঁও থানার ওসি ফারুকুল আলম বলেন, ভুক্তভোগী নারীকে এনজিওতে চাকরী দেবে এবং বিয়ে করবে বলে প্রলোভন দেখিয়ে আকতারুজ্জামান বাচ্চু নামের একজন ও নারীকে ঢাকায় এনে শারীরিক সম্পর্ক করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এজাহারের সূত্র ধরে ২ নং আসামী মোরশেদা বেগমকে আটক করে। ভিডিও ফুটেজ ও সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে মামলার অগ্রগতি চলমান থাকবে।