ঢাকা অফিস: ঝিনাইদহে গণধর্ষনের শিকার ঝুমুরের ধর্ষককে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়। আজ মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সুশিল সমাজ আয়োজিত তরিৎ গতিতে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সুশিল সমাজ।
আসামী ধর্ষক শাহাদত ও উজ্জ্বলকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ভাসানীর সভাপতি স্বপন কুমার সাহা।
আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কনজারভেটিভ পার্টি (বি.সি.পি) চেয়ারম্যান এ. আনিছুর রহমনা দেশ, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ভাসানীর মহাসচিব হামিদা খাতুন সেলি, জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বুদ্ধিজীবী ও সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গগণ।
সকলের একই বক্তব্য যে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও পুলিশ প্রধান আসামীদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখী করা। আমরা এদেশের গণতান্ত্রিকামী মানুষ সকল সময় ন্যায়ের পক্ষে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ভিকটিম গত ২১ নভেম্বর সন্ধ্যার দিকে কোটচাঁদপুর উপজেলার শিশারকুন্ডু গ্রামে তার খালা ছুটু বেগমের বাড়িতে বেড়াতে যায়। এ সময় ভিকটিম গ্রামের পাকা রাস্তার ধারে তাজুলের মেহগনি বাগানের কাছে পৌছলে সন্ধ্যা কালিন পরিবেশে ধর্ষক শাহাদত,লাভলু এবং উজ্জল ঝুমুর কে উঠিয়ে মেহগনি বাগানে নিয়ে যায় এবং একের পর এক গণধর্ষণ করে। এ সময় ভিকটিমের আর্তচিৎকারে আগে থেকে খুজতে থাকা তার খালা ছুটু বেগম,হাশেম মোল্লা এবং পথচারী মুজিবুর রহমান তাকে উদ্ধার করে। পরবর্তিতে ভিকটিম কোটচাঁদপুর থানায় মামলা দিতে যায়। তবে থানা পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। ভিকটিম কোন প্রতিকার না পেয়ে গত ২৫ নভেম্বর ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেন (পি বি আই) কে তদন্তের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
ভিকটিম ঝুমুর খাতুন জানান, চিহ্নিত ধর্ষকরা তাকে মামলা তুলে নিতে ভয়ভীতি দেখানো সহ জীবন নাশের হুমকী দিচ্ছে। তিনি বলেন, আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমার খালা ছুটু বেগম সহ অন্যান্য স্বাক্ষীদের গুম খুনের হুমকী দিয়ে যাচ্ছে এমনকি গ্রাম থেকে পরিবার সহ তাদেরকে বিতাড়িত করার ষঢ়যন্ত্র করে যাচ্ছে।




