ঢাকা ব্যুরো: বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৮ সালে মোবাইল ফোনের মনোপলি ভেঙে দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির যেই সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে দিয়েছিলেন তার চিত্র এখন আমাদের সামনে দৃশ্যমান। আজ রবিবার (০৭ এপ্রিল)দুপুরে এমটব (এসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ) এর সাথে গোলটেবিল বৈঠকে জুনাইদ আহাম্মদ পলক এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, আমাদের বেসরকারি মোবাইল ফোন অফারেটররা শুধু টেলিযোগাযোগ সেক্টরেই ভূমিকা রাখছেনা, পাশাপাশি ডিজিটাল সেবা প্রদান করার মাধ্যমে নাগরিক সেবার পাশাপাশি অবদান রাখছে সরকারি সেবাকে নাগরিক কেন্দ্রিক করার কাজেও। বর্তমানে আমাদের ১৯ কোটি সিম কার্ড, মোবাইল পেনট্রেশন ১০৭%, প্রায় ৪৫ হাজার সাইট, প্রায় ৯৮ শতাংশ ভূখণ্ড ৪জি কাভারেজের আওতায়; এসব আমাদের টেলিকম সেক্টরের সাফল্য।
জুনাইদ আহাম্মদ পলক আরো বলেন, টেলিকম সেক্টর বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতির একটা বড় অংশীদার। টেলিকম সেক্টরে আমরা প্রায় ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ পেয়েছি, প্রায় ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা ট্যাক্স পেয়েছি; যার ফলে আমরা আইসিটি সেক্টরে ২০ লক্ষাধিক তরুণের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পেরেছি এবং এই সেক্টরের রাজস্ব আয় আমাদের উন্নয়ন কাজ পরিচালনা করতে সাহায্য করছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ সফল বাস্তবায়নের সঙ্গী হিসেবে এমটব (এসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ) সরকারের সহযোগী হয়ে কাজ করে এসেছে এবং আগামীর সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নেও জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সাথে কাজ করে যাবে।
তিনি বলেন, দশ বছর আগে জার্মানীতে একটা কনফারেন্সের পর সজীব ওয়াজেদ জয় এক প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেন, এখন আমরা সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি, কিন্তু আরও দশ বছর পর মানুষের চাহিদা তৈরি হবে পার্সোনালাইজড বা বিশেষায়িত সেবার।
তিনি আরো বলেন, টেলিকম সেক্টরের এই সাফল্যে আমরা থেমে থাকতে চাই না, আমরা এই সাফল্যের পথ ধরে আরও বহুদূর এগিয়ে যেতে চাই এবং সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে একসাথে কাজ করতে চাই। তাই আজকের আলোচনা সভায় আলোচিত সবগুলো বিষয় নিয়ে আমরা পর্যালোচনা করবো এবং আমাদের রাজস্ব খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে কিভাবে আরও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা যায় তা বিবেচনায় রেখে ট্যক্সেশন পলিসিটা নতুনভাবে সাজানোর বিষয়ে আলোচনা করবো।




