বিশেষ প্রতিবেদক: রাজনীতিতে যারা আজন্ম আওয়ামী লীগ তাদের একজন শহিদুল্লাহ চৌধুরী। সপ্তমধাপ ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রতীক পাওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেও নৌকা প্রতীক পাইনি। তাই নিবার্চন থেকে সরে দাঁড়াতে চেয়েছিল। কিন্তু তৃণমুলের কর্মীদের চাপের মুখে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নিবার্চনে নেমেছেন। শুধু মাত্র কর্মীদের আবদার রক্ষাকরা এবং এলাকার উন্নয়নের লক্ষ্যে।

নানাভাবে নির্যাতিত হয়েছে দলীয় চেয়ারম্যানের কাছে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সাথে এলাকার মানুষও। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের জামাত শিবির ক্যাডার দিয়ে মৃত্যুর চেষ্টাও করা হয়েছিল। সেই সংবাদ বিগত দিনের সংবাদ পত্র প্রেমিদের কাছে অজানা নয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন একটি চ্যালেঞ্জিং নির্বাচন আজন্ম লীগের নেতা কর্মীদের কাছে। তেমনি আগ্রহের কমতি নেই সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সংবাদ কর্মীদের কাছেও।

এই স্বতন্ত্র প্রার্থী আর কেউ নয় আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল্লাহ চৌধুরী। এলাকার নির্যাতিত সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তৃণমুলের কাছে জনপ্রিয় ব্যক্তি শহিদুল্লাহ চৌধুরী।

তারই মুখোমুখি হয়েছেন আমাদের বিশেষ প্রতিবেদক।

আজীবন নৌকার মানুষ হঠাৎ করে নৌকা ছেড়ে আনারস প্রতীক থেকে নির্বাচন করছেন কেমন লাগছে জানতে চাইলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, আমি আওয়ামী লীগের মানুষ রক্তে আমার আওয়ামী লীগ মিশে আছে। তৃণমুল নেতা-কর্মীদের বাঁচাতে স্বতন্ত্র প্রতীকে নির্বাচন করছি। মাননীয় নেত্রী যদি ডিজিএফআই দিয়ে তদন্ত করতেন তাহলে বুঝতেন বাজালিয়ার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের তৃণমুল কর্মীদের হৃদয়ের কাঁন্না। নিজের ইচ্ছায় নয়, কর্মীদের ইচ্ছায় নির্বাচন এসেছি।

আনারস প্রতীকে নির্বাচনে বিজয় হলে আপনি সাধারণ মানুষের জন্য কি করবেন জানতে চাইলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, আল্লাহ যদি রহমত করে, বাজালিয়ার মানুষ যদি ভালবেসে ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করে তাহলে আমি পাঁচ বছর শুধু তাদের সেবাই করবো। কারণ বাজালিয়ার মানুষই আমার মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন। সরকারী যত ধরণের সুযোগ সুবিধা আছে সেই সব সুবিধা নিয়ম অনুযায়ী সকলেই পাবে। জন্ম নিবন্ধন থেকে কোন টাকা নেব না। যা সরকারি ফি তা আমি নিজেই দিয়ে দেব। তারপর বিধবা ভাতা, বয়ষ্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মাসিক চাউল, গর্ভবতী ভাতা, কৃষি ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতাসহ সকল ভাতা ভোগীদের আর এক টাকাও খরচ হবে না।

আওয়ামী লীগ সরকারের যে উন্নয়ন হয়েছে সে উন্নয়নতো বাজালিয়ার কোথাও চোখে পড়ে না বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, আমার নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে উন্নয়নের বাজেট দিয়েছে সেই বাজেট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বাস্তবায়ন করার কথা। সেটা যদি চেয়ারম্যান বাস্তবায়ন না করে তাহলে মাননীয় নেত্রী কি করবে ? জনগণ আমাকে একবার নির্বাচনে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুক, বাজালিয়ার উন্নয়ন করতে না পারলে জিন্দেগীতে আর ভোট চাইতে আসবো না। মিড়িয়ার মাধ্যমে আমি আমার সম্মানিত বাজালিয়াবাসীকে জানাতে চাই প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে উন্নয়ন হবে এবং সেই উন্নয়নের রূপরেখা আমি নিজেই তৈরী করে রেখেছি।

কৃষি নির্ভর বাংলাদেশ সাথে কৃষি বান্ধব সরকারও আপনি জয়ী হলে কৃষকের জন্য কি করবেন জানতে চাইলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, প্রথম কথা হলো কৃষিতে খরচ কমানো। সরকার সারের উপর ভুর্তুকি দিচ্ছে, আমি নির্বাচিত হলে প্রাকৃতিক সারের উৎপাদন বাড়াবো। কৃষি সেচের দাম কমানো জন্য যা যা করতে হয় তাই করবো। কৃষিতে ট্রাক্টর খরচ কমাবো। কৃষকের এখন এককানি জমিতে চাষ পানি সার ও মুজুরিসহ একটা বিশাল টাকা খরচ হচ্ছে। আমি এলাকার সকল কৃষকের সাথে বসে কিভাবে খরচ অর্ধেকে আনা যায় তার ব্যবস্থা করবো।

বাজালিয়ার মাহিল্যার ডেবা একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষি উৎপাদন ভূমি এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, এখন মাহিল্যার ডেবাকে অভিশাপ মনে হলেও আসলে এটা বাজালিয়ার জন্য আর্শিবাদ। আমি নির্বাচিত হলে এই মাহিল্যার ডেবাকে চাষাবাদের উপযোগী করে ফেলব। বর্যাকালে মাছের জন্য এবং শীতকালে কৃষি আবাদের উপযোগী করে তুলব। যদি খাল কাটতে হয় খাল কাটবো। যদি সুইচ গেইট দিতে হয় সুইচ গেইট দেব। আমাদেরকে নিজস্ব উৎপাদনের দিকে ফিরে যেতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও গ্রাম ভিক্তিক উন্নয়ন চাই। যদি গ্রাম ভিক্তিক উন্নয়ন না হয় তাহলে গ্রাম শহর কিভাবে হবে?

প্রায়ই পত্র-পত্রিকায় দেখা যায়, বাজালিয়ার তরুণ ও যুবসমাজ মাদক আর ইয়াবার করাল গ্রাসে পড়ে সর্বনাশ হয়ে যাচ্ছে লোকাল প্রশাসন কোন ব্যবস্থাই গ্রহণ করছে না, এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, আসলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশ প্রধান মহোদয়, ব্যারের মাননীয় সদস্যদের পক্ষে কখনো সম্ভবপর নয় ঘরে ঘরে পাহারা দেওয়া। সামাজিক শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য সরকার একটি কাঠামো করে দিয়েছে। সেই কাঠামো হলো প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ। এখানে নয় জন নির্বাচিত মেম্বার, তিন জন নির্বাচিত মহিলা মেম্বার, একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, একজন সচিব, একজন দফাদার, নয় জন গ্রাম পুলিশসহ মোট চব্বিশ জনের একটা বহর। এরাই সমাজের সকল মানুষকে নিয়ে সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে। দুষ্টের দমন ও সৃষ্টের পাহারা দিবে। এটা যদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান না করে, তাহলে মাননীয় নেত্রী কি আমাদের ঘরে ঘরে এসে পাহারা দিবে ? আপনিই বলুন ?

সর্বোপরি নির্বাচন বিষয়ে আমাদের মাধ্যমে আপনি কোন বার্তাটি বাজালিয়াবাসীকে জানাতে চান বললে, তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, বাজালিয়ার সকল জনগণকে, সকল ধর্মের অনুসারীদেরকে আমি জানাতে চাই- আপানারা আমাকে একটি বার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করুন। আমি নির্বাচিত হলে- বাজালিয়ায় কোন হানাহানি থাকবে না, সকলকে নিয়ে মিলে মিশে একটি সুন্দর সমৃদ্ধ বাজালিয়া করতে চাই। বাজালিয়ায় মাদক থাকবে না, জুয়া খেলা থাকবে না, নারী নির্যাতন থাকবে না, অবিচার থাকবে না, অন্যায় থাকবে না। একটি কৃষি বান্ধব বাজালিয়া হবে, ঘরে ঘরে পুষ্টিকর খাদ্যের উৎপাদন বাড়াবো, সমাজের যুবক ও তরুণদের নিয়ে বাজালিয়ায় বিভিন্ন ধরণের উৎপাদনমুখী কর্মকান্ড পরিচালিত হবে। প্রবীণ মা-বাবাদের জন্য বিভিন্ন ধরণের সুযোগ-সুবিধা তৈরী করে দেব। বাজালিয়ার সকল মানুষের জন্য সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবো। সকল ওয়ার্ডের জন সাধারণের যাতাযাতের জন্য রাস্তা-ঘাট করে দেওয়া হবে। প্রত্যেকটা মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল কলেজের অবকাঠামোসহ বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করবো। এলাকার জন সাধারণ, যুবসমাজ, তরুণ-তরুণী, ইমাম, শিক্ষক, সুধী সমাজ এবং সরকারী বে-সরকারী সকল কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি উন্নয়নমুখী উৎপাদনমুখী বাজালিয়া করার প্রত্যয়ে কাজ করবো। এলাকার সকল শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন ধরণের ট্রেনিং এর ব্যবস্থা কবরো। সর্বশেষ বলতে চাই আপনারা কেউ ভোট বিষয়ে মারমারি করবেন না। সকলে আমার ভাই ও এলাকার আপনজন। আমরা কেউ কারো পর নয়। যদি আমাকে যোগ্য মনে হয় এলাকার উন্নয়নে কাজে আসব তাহলে আমাকে আমার “আনারস মার্কায়” একটি ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন। আল্লাহর রহমতে আমি আপনাদের ইজ্জত রক্ষা করব। আসসালামু আলাইকুম। মিড়িয়ার ভাইকে ধন্যবাদ।
আপনাকেও ধন্যবাদ।

বিশেষ প্রতিবেদক: রাজনীতিতে যারা আজন্ম আওয়ামী লীগ তাদের একজন শহিদুল্লাহ চৌধুরী। সপ্তমধাপ ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রতীক পাওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেও নৌকা প্রতীক পাইনি। তাই নিবার্চন থেকে সরে দাঁড়াতে চেয়েছিল। কিন্তু তৃণমুলের কর্মীদের চাপের মুখে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নিবার্চনে নেমেছেন। শুধু মাত্র কর্মীদের আবদার রক্ষাকরা এবং এলাকার উন্নয়নের লক্ষ্যে।

নানাভাবে নির্যাতিত হয়েছে দলীয় চেয়ারম্যানের কাছে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সাথে এলাকার মানুষও। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের জামাত শিবির ক্যাডার দিয়ে মৃত্যুর চেষ্টাও করা হয়েছিল। সেই সংবাদ বিগত দিনের সংবাদ পত্র প্রেমিদের কাছে অজানা নয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন একটি চ্যালেঞ্জিং নির্বাচন আজন্ম লীগের নেতা কর্মীদের কাছে। তেমনি আগ্রহের কমতি নেই সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সংবাদ কর্মীদের কাছেও।

এই স্বতন্ত্র প্রার্থী আর কেউ নয় আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল্লাহ চৌধুরী। এলাকার নির্যাতিত সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তৃণমুলের কাছে জনপ্রিয় ব্যক্তি শহিদুল্লাহ চৌধুরী।

তারই মুখোমুখি হয়েছেন আমাদের বিশেষ প্রতিবেদক।

আজীবন নৌকার মানুষ হঠাৎ করে নৌকা ছেড়ে আনারস প্রতীক থেকে নির্বাচন করছেন কেমন লাগছে জানতে চাইলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, আমি আওয়ামী লীগের মানুষ রক্তে আমার আওয়ামী লীগ মিশে আছে। তৃণমুল নেতা-কর্মীদের বাঁচাতে স্বতন্ত্র প্রতীকে নির্বাচন করছি। মাননীয় নেত্রী যদি ডিজিএফআই দিয়ে তদন্ত করতেন তাহলে বুঝতেন বাজালিয়ার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগের তৃণমুল কর্মীদের হৃদয়ের কাঁন্না। নিজের ইচ্ছায় নয়, কর্মীদের ইচ্ছায় নির্বাচন এসেছি।

আনারস প্রতীকে নির্বাচনে বিজয় হলে আপনি সাধারণ মানুষের জন্য কি করবেন জানতে চাইলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, আল্লাহ যদি রহমত করে, বাজালিয়ার মানুষ যদি ভালবেসে ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করে তাহলে আমি পাঁচ বছর শুধু তাদের সেবাই করবো। কারণ বাজালিয়ার মানুষই আমার মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন। সরকারী যত ধরণের সুযোগ সুবিধা আছে সেই সব সুবিধা নিয়ম অনুযায়ী সকলেই পাবে। জন্ম নিবন্ধন থেকে কোন টাকা নেব না। যা সরকারি ফি তা আমি নিজেই দিয়ে দেব। তারপর বিধবা ভাতা, বয়ষ্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মাসিক চাউল, গর্ভবতী ভাতা, কৃষি ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতাসহ সকল ভাতা ভোগীদের আর এক টাকাও খরচ হবে না।

আওয়ামী লীগ সরকারের যে উন্নয়ন হয়েছে সে উন্নয়নতো বাজালিয়ার কোথাও চোখে পড়ে না বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, আমার নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে উন্নয়নের বাজেট দিয়েছে সেই বাজেট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বাস্তবায়ন করার কথা। সেটা যদি চেয়ারম্যান বাস্তবায়ন না করে তাহলে মাননীয় নেত্রী কি করবে ? জনগণ আমাকে একবার নির্বাচনে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুক, বাজালিয়ার উন্নয়ন করতে না পারলে জিন্দেগীতে আর ভোট চাইতে আসবো না। মিড়িয়ার মাধ্যমে আমি আমার সম্মানিত বাজালিয়াবাসীকে জানাতে চাই প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে উন্নয়ন হবে এবং সেই উন্নয়নের রূপরেখা আমি নিজেই তৈরী করে রেখেছি।

কৃষি নির্ভর বাংলাদেশ সাথে কৃষি বান্ধব সরকারও আপনি জয়ী হলে কৃষকের জন্য কি করবেন জানতে চাইলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, প্রথম কথা হলো কৃষিতে খরচ কমানো। সরকার সারের উপর ভুর্তুকি দিচ্ছে, আমি নির্বাচিত হলে প্রাকৃতিক সারের উৎপাদন বাড়াবো। কৃষি সেচের দাম কমানো জন্য যা যা করতে হয় তাই করবো। কৃষিতে ট্রাক্টর খরচ কমাবো। কৃষকের এখন এককানি জমিতে চাষ পানি সার ও মুজুরিসহ একটা বিশাল টাকা খরচ হচ্ছে। আমি এলাকার সকল কৃষকের সাথে বসে কিভাবে খরচ অর্ধেকে আনা যায় তার ব্যবস্থা করবো।

বাজালিয়ার মাহিল্যার ডেবা একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষি উৎপাদন ভূমি এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, এখন মাহিল্যার ডেবাকে অভিশাপ মনে হলেও আসলে এটা বাজালিয়ার জন্য আর্শিবাদ। আমি নির্বাচিত হলে এই মাহিল্যার ডেবাকে চাষাবাদের উপযোগী করে ফেলব। বর্যাকালে মাছের জন্য এবং শীতকালে কৃষি আবাদের উপযোগী করে তুলব। যদি খাল কাটতে হয় খাল কাটবো। যদি সুইচ গেইট দিতে হয় সুইচ গেইট দেব। আমাদেরকে নিজস্ব উৎপাদনের দিকে ফিরে যেতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও গ্রাম ভিক্তিক উন্নয়ন চাই। যদি গ্রাম ভিক্তিক উন্নয়ন না হয় তাহলে গ্রাম শহর কিভাবে হবে?

প্রায়ই পত্র-পত্রিকায় দেখা যায়, বাজালিয়ার তরুণ ও যুবসমাজ মাদক আর ইয়াবার করাল গ্রাসে পড়ে সর্বনাশ হয়ে যাচ্ছে লোকাল প্রশাসন কোন ব্যবস্থাই গ্রহণ করছে না, এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, আসলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশ প্রধান মহোদয়, ব্যারের মাননীয় সদস্যদের পক্ষে কখনো সম্ভবপর নয় ঘরে ঘরে পাহারা দেওয়া। সামাজিক শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য সরকার একটি কাঠামো করে দিয়েছে। সেই কাঠামো হলো প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ। এখানে নয় জন নির্বাচিত মেম্বার, তিন জন নির্বাচিত মহিলা মেম্বার, একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, একজন সচিব, একজন দফাদার, নয় জন গ্রাম পুলিশসহ মোট চব্বিশ জনের একটা বহর। এরাই সমাজের সকল মানুষকে নিয়ে সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে। দুষ্টের দমন ও সৃষ্টের পাহারা দিবে। এটা যদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান না করে, তাহলে মাননীয় নেত্রী কি আমাদের ঘরে ঘরে এসে পাহারা দিবে ? আপনিই বলুন ?

সর্বোপরি নির্বাচন বিষয়ে আমাদের মাধ্যমে আপনি কোন বার্তাটি বাজালিয়াবাসীকে জানাতে চান বললে, তিনি দি ক্রাইমকে বলেন, বাজালিয়ার সকল জনগণকে, সকল ধর্মের অনুসারীদেরকে আমি জানাতে চাই- আপানারা আমাকে একটি বার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করুন। আমি নির্বাচিত হলে- বাজালিয়ায় কোন হানাহানি থাকবে না, সকলকে নিয়ে মিলে মিশে একটি সুন্দর সমৃদ্ধ বাজালিয়া করতে চাই। বাজালিয়ায় মাদক থাকবে না, জুয়া খেলা থাকবে না, নারী নির্যাতন থাকবে না, অবিচার থাকবে না, অন্যায় থাকবে না। একটি কৃষি বান্ধব বাজালিয়া হবে, ঘরে ঘরে পুষ্টিকর খাদ্যের উৎপাদন বাড়াবো, সমাজের যুবক ও তরুণদের নিয়ে বাজালিয়ায় বিভিন্ন ধরণের উৎপাদনমুখী কর্মকান্ড পরিচালিত হবে। প্রবীণ মা-বাবাদের জন্য বিভিন্ন ধরণের সুযোগ-সুবিধা তৈরী করে দেব। বাজালিয়ার সকল মানুষের জন্য সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবো। সকল ওয়ার্ডের জন সাধারণের যাতাযাতের জন্য রাস্তা-ঘাট করে দেওয়া হবে। প্রত্যেকটা মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল কলেজের অবকাঠামোসহ বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করবো। এলাকার জন সাধারণ, যুবসমাজ, তরুণ-তরুণী, ইমাম, শিক্ষক, সুধী সমাজ এবং সরকারী বে-সরকারী সকল কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি উন্নয়নমুখী উৎপাদনমুখী বাজালিয়া করার প্রত্যয়ে কাজ করবো। এলাকার সকল শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন ধরণের ট্রেনিং এর ব্যবস্থা কবরো। সর্বশেষ বলতে চাই আপনারা কেউ ভোট বিষয়ে মারমারি করবেন না। সকলে আমার ভাই ও এলাকার আপনজন। আমরা কেউ কারো পর নয়। যদি আমাকে যোগ্য মনে হয় এলাকার উন্নয়নে কাজে আসব তাহলে আমাকে আমার “আনারস মার্কায়” একটি ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন। আল্লাহর রহমতে আমি আপনাদের ইজ্জত রক্ষা করব। আসসালামু আলাইকুম। মিড়িয়ার ভাইকে ধন্যবাদ।
আপনাকেও ধন্যবাদ।