চকরিয়া প্রতিনিধি: কক্সবাজারের চকরিয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে চারটি পরিবারের বসতবাড়ি। এ ঘটনায় কমপক্ষে ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। গত বুধবার ৮ এপ্রিল রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউসুপের বাপের পাড়ায় মোমবাতির আগুন থেকে অগ্নিকাণ্ডের সুত্রপাত হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
এলাকাবাসি জানান, ওই এলাকার আবদুল মোনাফের ছেলে নজরুল ইসলামের বাড়ি থেকে আগুনের সুত্রপাত ঘটে। এরইমধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা মুহূর্তে পাশের তিনটি বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থায় স্থানীয় গ্রামবাসী এগিয়ে এসে দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।
ততক্ষণে ওই চার পরিবারের বাড়ির আসবাবপত্র, গুরুত্বপূর্ণ দলিল দস্তাবেজ, নগদ টাকা এবং মজুদকৃত খাদ্যশস্যসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
এমন পরিস্থিতিতে গত দুইদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত চারটি পরিবারের নারী-পুরুষ খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর পুড়ে যাওয়া বসতঘর দেখতে যান স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়ে জরুরি ভিত্তিতে সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেন সংশ্লিষ্ট ১ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার।
এদিকে চকরিয়া কোনাখালীতে অগ্নিকাণ্ডে দরিদ্র চার পরিবারের বাড়ি পুড়ে যাবার বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকালে মানবিক সহায়তা সামগ্রী নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন চকরিয়া যুব রেড ক্রিসেন্ট টিমের সদস্যরা।
রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি কক্সবাজার ইউনিটের সার্বিক সহযোগিতায় চকরিয়া উপজেলা যুব রেডক্রিসেন্ট টিমের পক্ষ থেকে এসময় ক্ষতিগ্রস্ত চারটি পরিবারের সদস্যদের হাতে সহায়তা সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি কক্সবাজার টিমের আজীবন সদস্য মো. মাইনুল ইসলাম, চকরিয়া উপজেলা যুব রেডক্রিসেন্ট টিমের ডেপুটি লিডার মোহাম্মদ ইশফাতুল হাসান ইশফাত, টিমের আইসিটি মিডিয়া বিভাগের প্রধান মোবারক করিম ফাহিম, যুব সদস্য ফজলুল করিম, ইমাম হোসাইন, আবু সালেহীন, মোহাম্মদ জাহেদ ও মো. ফজিও প্রমুখ।




