দি ক্রাইম ডেস্ক: কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে মব সৃষ্টিকারীদের হামলায় পীর শামীম জাহাঙ্গীর নিহতের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিহতের বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক ফজলুর রহমান বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় এই মামলাটি করেন। এর আগে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত আইনি পদক্ষেপ নিলেন তারা।

কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দায়েরকৃত মামলায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও প্রায় ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে পীরের দরবারে হামলায় উস্কানি দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে ইতিমধ্যেই জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, নিহতের বড় ভাইয়ের দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ইসলাম ধর্ম বিকৃতির অভিযোগে দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে শাহ সুফি মো. শামীম জাহাঙ্গীরের দরবারে হামলা চালায় স্থানীয় মব সৃষ্টিকারী মুসল্লি ও এলাকাবাসী। ওই সময় দরবারে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি শামীম জাহাঙ্গীর ও তার অনুসারীদের বেধড়ক মারধর করা হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় শামীমকে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। রোববার বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর নেপথ্যে কাদের ভূমিকা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

দি ক্রাইম ডেস্ক: কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে মব সৃষ্টিকারীদের হামলায় পীর শামীম জাহাঙ্গীর নিহতের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিহতের বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক ফজলুর রহমান বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় এই মামলাটি করেন। এর আগে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত আইনি পদক্ষেপ নিলেন তারা।

কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দায়েরকৃত মামলায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও প্রায় ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে পীরের দরবারে হামলায় উস্কানি দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে ইতিমধ্যেই জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, নিহতের বড় ভাইয়ের দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ইসলাম ধর্ম বিকৃতির অভিযোগে দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে শাহ সুফি মো. শামীম জাহাঙ্গীরের দরবারে হামলা চালায় স্থানীয় মব সৃষ্টিকারী মুসল্লি ও এলাকাবাসী। ওই সময় দরবারে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি শামীম জাহাঙ্গীর ও তার অনুসারীদের বেধড়ক মারধর করা হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় শামীমকে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। রোববার বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর নেপথ্যে কাদের ভূমিকা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।