বশির আহমেদ, বান্দরবান: নানা আয়োজনে বান্দরবানে বাংলা বর্ষবরণ উৎসব পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়েছে৷ আজ মঙ্গলবার(১৪ এপ্রিল) সকালে বান্দরবান জেলা প্রশাসন চত্বরে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে পহেলা বৈশাখের কর্মসূচির উদ্ধোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী।

উদ্ধোধনের পর জেলা প্রশাসন ও পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখের বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রায় বাঙালির ঐতিহ্য পালকি, ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে বাঙালি নারী পুরুষেরা বিভিন্ন সাজসজ্জা এবং পাহাড়ের এগারোটি নৃজনগোষ্ঠীদের নারী-পুরুষেররা নিজস্ব ঐতিহ্য সংস্কৃতির পোষাক সাজসজ্জায় অংশ নেয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটে গিয়ে শেষ হয়।

সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী বলেন, জাতি ধর্ম বর্ণ ভেদাভেদ ভুলে পাহাড়ি বাঙালি পরস্পর মিলে পার্বত্য চট্টগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। পাহাড়ের সকল জনগোষ্ঠী ঐক্যবদ্ধভাবে ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন সরকারকে স্বনির্ভর, দূর্ণীতি, সন্ত্রাসমুক্ত রাষ্ট্র গড়ে তোলতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে৷ বিগত সময়ের সমস্যাগুলো দূর করে প্রিয় বাংলাদেশ আগামী এক বছরেই এগিয়ে যাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বপ্নের পথে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই, জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার আব্দুর রহমান’সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা।

শোভাযাত্রায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মত।

বশির আহমেদ, বান্দরবান: নানা আয়োজনে বান্দরবানে বাংলা বর্ষবরণ উৎসব পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়েছে৷ আজ মঙ্গলবার(১৪ এপ্রিল) সকালে বান্দরবান জেলা প্রশাসন চত্বরে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে পহেলা বৈশাখের কর্মসূচির উদ্ধোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী।

উদ্ধোধনের পর জেলা প্রশাসন ও পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে পহেলা বৈশাখের বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রায় বাঙালির ঐতিহ্য পালকি, ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে বাঙালি নারী পুরুষেরা বিভিন্ন সাজসজ্জা এবং পাহাড়ের এগারোটি নৃজনগোষ্ঠীদের নারী-পুরুষেররা নিজস্ব ঐতিহ্য সংস্কৃতির পোষাক সাজসজ্জায় অংশ নেয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটে গিয়ে শেষ হয়।

সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী বলেন, জাতি ধর্ম বর্ণ ভেদাভেদ ভুলে পাহাড়ি বাঙালি পরস্পর মিলে পার্বত্য চট্টগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। পাহাড়ের সকল জনগোষ্ঠী ঐক্যবদ্ধভাবে ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন সরকারকে স্বনির্ভর, দূর্ণীতি, সন্ত্রাসমুক্ত রাষ্ট্র গড়ে তোলতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে৷ বিগত সময়ের সমস্যাগুলো দূর করে প্রিয় বাংলাদেশ আগামী এক বছরেই এগিয়ে যাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বপ্নের পথে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই, জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার আব্দুর রহমান’সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা।

শোভাযাত্রায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মত।