উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানীর উত্তরা মেগা সিটিএলাকা জুড়ে চলছে কাউন্সিলর আফসার উদ্দীন খানের নেতৃত্বে রমরমা চাঁদাবাজি।এছাড়াও ঢাকা উত্তর সিটি- কর্পোরেশন এর ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফসার উদ্দীন এর উপর নানাবিধ অনৈতিক কর্মকান্ডের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সিটি- কর্পোরেশনের অঞ্চল ১ এর সরকারী ভাড়া প্রদানকৃত অফিসটি জনসেবা কর্মকান্ডের বিপরীতে “জনছেদার” অফিসে রুপান্তর করেছে।

ঢাকা উত্তর সিটিকর্পোরেশন এর দুই তৃতীয়াংশ ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর অফিস পর্যবেক্ষন করে দেখা গেছে, ওয়ার্ডগুলিতে কাউন্সিলরগণ তাদের নিজ নিজ বাসভবন অথবা সুবিধা মত ভাড়া নিয়ে অফিস পরিচালনা করছেন। ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ কাউন্সিলর বৃন্দের বেতন ভাতার পাশাপাশি অফিস ভাড়া বাবদ ১২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করেন।কিন্তু অফিসগুলোতে এলাকাবাসী নাগরিক সেবা পাওয়ার বদলে কিন্তু ১ নং ওয়ার্ডে ব্যাতিক্রম, আঞ্চলিক অফিস ১ কাউন্সিলর আফসারের কব্জায় সেখানে তিনি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে তার কার্যালয় হিসাবে ব্যাবহার করছেন। আঞ্চলিক অফিসে মূলত ট্রেড লাইসেন্স রাজস্ব শাখা, এক্সএন, সর্বোপরি নির্বাহী কর্মকর্তা তাদের কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন। সেই ক্ষেত্রে কোন আঞ্চলিক অফিসে কাউন্সিলর এর কার্যালয় নেই এখানে মাসিক বা সপ্তাহিক সভা অনুষ্ঠানে কাউন্সিলর বৃন্দ উপস্থিত থাকে। তবে আঞ্চলিক অফিসে আলাদা করে কাউন্সিলর এর রাজনৈতিক কর্যালয় নেই। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর অঞ্চল ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাহেবের অফিসটি জনমনে প্রশ্ন তোলে এটা কি প্রোটকল না প্রভাব?

গত ২ ফেব্রুয়ারিতে দি ক্রাইম পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে উত্তরা প্রতিনিধি উত্তরা মডেল টাউন এলাকা জুড়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজির প্রতিবেদন প্রকাশ করলে চাঁদাবাজ আফসারের পক্ষ নিয়ে উত্তরার এক কথিত সাংবাদিক নেতা বদরুল আলম মজুমদার ঐ প্রতিবেদককে নিউজ ডিলিট করার প্রস্তাব দিলে রিপোর্টার রাজি না হলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এবিষয়ে উত্তর খান থানায় ওই প্রতিবেদক কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরী লিপিবদ্ধ করেছে।যার জিডি ট্র্যাকিং নম্বর ৩৫৩।

আঞ্চলিক অফিসের কাউন্সিলর আফসার উদ্দীন খানের স্থায়ী কার্যালয় সম্পর্কিত তথ্য জানতে সিটি-কর্পোরেশন এর জনসংযোগ কর্মকর্তাকে বিষয়সমুহ নিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য ফোন করলে তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এবিষয়ে দি ক্রাইমের অনুসন্ধানী অভিযোগের বক্তব্য নিতে কাউন্সিলর আফসারকে ফোন কল ও মেসেজ করলেও তিনি এ প্রতিবেদকের ফোন রিসিভ করেনি ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

উত্তরা প্রতিনিধিঃ রাজধানীর উত্তরা মেগা সিটিএলাকা জুড়ে চলছে কাউন্সিলর আফসার উদ্দীন খানের নেতৃত্বে রমরমা চাঁদাবাজি।এছাড়াও ঢাকা উত্তর সিটি- কর্পোরেশন এর ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফসার উদ্দীন এর উপর নানাবিধ অনৈতিক কর্মকান্ডের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সিটি- কর্পোরেশনের অঞ্চল ১ এর সরকারী ভাড়া প্রদানকৃত অফিসটি জনসেবা কর্মকান্ডের বিপরীতে “জনছেদার” অফিসে রুপান্তর করেছে।

ঢাকা উত্তর সিটিকর্পোরেশন এর দুই তৃতীয়াংশ ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর অফিস পর্যবেক্ষন করে দেখা গেছে, ওয়ার্ডগুলিতে কাউন্সিলরগণ তাদের নিজ নিজ বাসভবন অথবা সুবিধা মত ভাড়া নিয়ে অফিস পরিচালনা করছেন। ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ কাউন্সিলর বৃন্দের বেতন ভাতার পাশাপাশি অফিস ভাড়া বাবদ ১২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করেন।কিন্তু অফিসগুলোতে এলাকাবাসী নাগরিক সেবা পাওয়ার বদলে কিন্তু ১ নং ওয়ার্ডে ব্যাতিক্রম, আঞ্চলিক অফিস ১ কাউন্সিলর আফসারের কব্জায় সেখানে তিনি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে তার কার্যালয় হিসাবে ব্যাবহার করছেন। আঞ্চলিক অফিসে মূলত ট্রেড লাইসেন্স রাজস্ব শাখা, এক্সএন, সর্বোপরি নির্বাহী কর্মকর্তা তাদের কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন। সেই ক্ষেত্রে কোন আঞ্চলিক অফিসে কাউন্সিলর এর কার্যালয় নেই এখানে মাসিক বা সপ্তাহিক সভা অনুষ্ঠানে কাউন্সিলর বৃন্দ উপস্থিত থাকে। তবে আঞ্চলিক অফিসে আলাদা করে কাউন্সিলর এর রাজনৈতিক কর্যালয় নেই। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর অঞ্চল ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাহেবের অফিসটি জনমনে প্রশ্ন তোলে এটা কি প্রোটকল না প্রভাব?

গত ২ ফেব্রুয়ারিতে দি ক্রাইম পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে উত্তরা প্রতিনিধি উত্তরা মডেল টাউন এলাকা জুড়ে বেপরোয়া চাঁদাবাজির প্রতিবেদন প্রকাশ করলে চাঁদাবাজ আফসারের পক্ষ নিয়ে উত্তরার এক কথিত সাংবাদিক নেতা বদরুল আলম মজুমদার ঐ প্রতিবেদককে নিউজ ডিলিট করার প্রস্তাব দিলে রিপোর্টার রাজি না হলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এবিষয়ে উত্তর খান থানায় ওই প্রতিবেদক কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরী লিপিবদ্ধ করেছে।যার জিডি ট্র্যাকিং নম্বর ৩৫৩।

আঞ্চলিক অফিসের কাউন্সিলর আফসার উদ্দীন খানের স্থায়ী কার্যালয় সম্পর্কিত তথ্য জানতে সিটি-কর্পোরেশন এর জনসংযোগ কর্মকর্তাকে বিষয়সমুহ নিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য ফোন করলে তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এবিষয়ে দি ক্রাইমের অনুসন্ধানী অভিযোগের বক্তব্য নিতে কাউন্সিলর আফসারকে ফোন কল ও মেসেজ করলেও তিনি এ প্রতিবেদকের ফোন রিসিভ করেনি ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।