মোঃ সফিউল আলম, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শ্রীপুর ইউনিয়নে সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে একেই সময় দুই পরিবারের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ও ১০ভরি সর্ণ অলংকারসহ লুট করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। এমন একটি অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শ্রীপুর ইউনিয়ন বশুয়ারা গ্রামের মোঃ রুহুল আমিনের ছেলে সোহাগ গংদের উপর।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আমান মিয়া গংদের সঙ্গে রুহুল আমিন গংদের জমিজমা নিয়ে দেওয়ানী আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে। জমির কাগজ পত্র অনুযায়ী কুমিল্লা জর্জ কোর্ট আমান গংদের পক্ষে রায় ঘোষণা করেন। এই রায়কে কেন্দ্র করে গতকাল বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী সকাল ১০টায় রুহুল আমিনের ছেলে সোহাগ বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে আমান মিয়া ও আরছ মিয়ার বাড়িতে ঢুকে ককটেল ফাটিয়ে বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে বাড়ি ঘর সহ দুটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে নগদ টাকা সহ স্বর্ণ অলংকার ও ৬টি মোবাইল লুট করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।

সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত ৬জন। এতে আরছ মিয়া কুমিল্লা মেডিকেলে ভর্তি রয়েছেন বলে জানায় স্থানীয় লোকজন। অন্য দিকে আরছ মিয়াকে বাঁচাতে গিয়ে হামলার শিকার হয় আরছ মিয়ার বড় বোন ফিরোজা বেগম । খবরটি বিভিন্ন জায়গায় চউর হলে কথেক সন্ত্রাসী পালিয়ে যাওয়ার সময় এলেকার লোকজন খবর পেয়ে সন্ত্রাসীদেরকে আটক করে চৌদ্দগ্রাম থানা প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ৯নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বজলুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে শান্ত হওয়ার জন্য পরামর্শ দিলে উল্টো ইউপি সদস্য বজলুর রহমানের উপর আক্রমণ চালায় সোহাগ গংরা। এতে আতংকিত রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়রা আরও জানান, সোহাগ বিভিন্ন অস্ত্র মামলার দু’টি ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী তারপরেও সে এলাকায় এসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। এ ঘঠনায় ১৫ থেকে ২০জনকে আসামী করে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন রুহুল আমিন গংদের বিরুদ্ধে আমান মিয়া গংরা।

মোঃ সফিউল আলম, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি: কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শ্রীপুর ইউনিয়নে সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে একেই সময় দুই পরিবারের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ও ১০ভরি সর্ণ অলংকারসহ লুট করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। এমন একটি অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শ্রীপুর ইউনিয়ন বশুয়ারা গ্রামের মোঃ রুহুল আমিনের ছেলে সোহাগ গংদের উপর।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আমান মিয়া গংদের সঙ্গে রুহুল আমিন গংদের জমিজমা নিয়ে দেওয়ানী আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে। জমির কাগজ পত্র অনুযায়ী কুমিল্লা জর্জ কোর্ট আমান গংদের পক্ষে রায় ঘোষণা করেন। এই রায়কে কেন্দ্র করে গতকাল বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী সকাল ১০টায় রুহুল আমিনের ছেলে সোহাগ বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে আমান মিয়া ও আরছ মিয়ার বাড়িতে ঢুকে ককটেল ফাটিয়ে বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে বাড়ি ঘর সহ দুটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে নগদ টাকা সহ স্বর্ণ অলংকার ও ৬টি মোবাইল লুট করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।

সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত ৬জন। এতে আরছ মিয়া কুমিল্লা মেডিকেলে ভর্তি রয়েছেন বলে জানায় স্থানীয় লোকজন। অন্য দিকে আরছ মিয়াকে বাঁচাতে গিয়ে হামলার শিকার হয় আরছ মিয়ার বড় বোন ফিরোজা বেগম । খবরটি বিভিন্ন জায়গায় চউর হলে কথেক সন্ত্রাসী পালিয়ে যাওয়ার সময় এলেকার লোকজন খবর পেয়ে সন্ত্রাসীদেরকে আটক করে চৌদ্দগ্রাম থানা প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ৯নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বজলুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে শান্ত হওয়ার জন্য পরামর্শ দিলে উল্টো ইউপি সদস্য বজলুর রহমানের উপর আক্রমণ চালায় সোহাগ গংরা। এতে আতংকিত রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়রা আরও জানান, সোহাগ বিভিন্ন অস্ত্র মামলার দু’টি ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী তারপরেও সে এলাকায় এসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। এ ঘঠনায় ১৫ থেকে ২০জনকে আসামী করে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন রুহুল আমিন গংদের বিরুদ্ধে আমান মিয়া গংরা।