মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন,পেকুয়া: কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার দুই বৃহত্তম বাজারে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের ছনুয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা এবিএম সাইদুর রহমানের নিয়োগকৃত দুই ক্যাশিয়ারের বেপরোয়া চাঁদাবাজি চলছে। দীর্ঘদিন ধরে পেকুয়া বাজার ও আরবশাহ বাজারে রেঞ্জারের নিয়োগকৃত দুই ব্যক্তি অবৈধভাবে চোরাই গাছ ও কাঠবাহি টলি ও পিকআপ গাড়ি আটকিয়ে চাঁদা উত্তোলেন করছে বলে সরেজমিনে অনুসন্ধানে তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা যায়, প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা এবং গভীর রাতে পেকুয়া বাজার ও রাজাখালী ইউনিয়নের আরবশাহ বাজারে অবৈধ করাতকলে চকরিয়া, লামা ও আজিজ নগর থেকে পিকআপ ও ট্রলি ভর্তি করে অবৈধ গাছ এনে রাখা হয়। আর এসব অবৈধ গাছ ভর্তি প্রতিটি গাড়ি থেকে পেকুয়া বাজারে মাহমদ নামের এক ব্যক্তি ২০০-৪০০টাকা পর্যন্ত চাঁদা উত্তোলন করেন। কোন গাছ/কাঠবাহী গাড়ির চালক টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে তার গাড়ি বন বিভাগের লোকজনকে খবর দিয়ে বাজারে নিয়ে এসে আটক করিয়ে দেন মাহমদ নামের ওই ব্যক্তি।

লামার আজিজ নগর থেকে পেকুয়া বাজারে গাছ নিয়ে আসা এক কাঠ ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, উপকূলীয় বন বিভাগের ছনুয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা এবিএম সাইদুর রহমান পেকুয়া বাজারে আগত প্রতিটি গাছবাহি গাড়ি থেকে চাঁদা উত্তোলনের জন্য মাহমদ নামের এক ব্যক্তিকে ক্যাশিয়ার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। রেঞ্জারের নামে গত এক বছর ধরে পেকুয়া বাজারে গাছ/কাঠবাহী ট্রলি ও পিকাআপ থেকে চাঁদা উত্তোলন করছেন মাহমদ। আর মাহমদের উত্তোলিত চাঁদার টাকা থেকে নির্দিষ্টহারে ভাগ পৌঁছে দেওয়া হয় ছনুয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা এবিএম সাইদুর রহমানের কাছে।

অপরদিকে, পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী আরবশাহ বাজারে আগত অবৈধ কাঠ/গাছবাহিী গাড়ী থেকে চাঁদার টাকা উত্তোলনের জন্য নুরুন নবী নামের এক ব্যক্তিকে ক্যাশিয়ার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে ছনুয়ার রেঞ্জার সাইদুর রহমান। নুরুন নবী রেঞ্জারের নামে প্রতি ট্রলি থেকে ৫০ টাকা ও পিকআপভর্তি গাছের গাড়ি থেকে ১০০ টাকা করে চাঁদার টাকা উত্তোলন করছেন মর্মে এ প্রতিবেদকের কাছে স্বীকারও করেছেন।

ক্যাশিয়ার নিয়োগ দিয়ে পেকুয়া বাজার ও আরবশাহ বাজারে চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের ছনুয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা এবিএম সাইদুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি কাউকে ক্যাশিয়ার হিসেবে নিয়োগ দিইনি।আমার নামে কেউ চাঁদাবাজি করলে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা করব।

এ প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শেখ আবুল কালাম আজাদ এ প্রতিবেদককে বলেন, ছনুয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা কর্তৃক ক্যাশিয়ার নিয়োগ করে পেকুয়ার দুই বাজারে চাঁদাবাজির বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন,পেকুয়া: কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার দুই বৃহত্তম বাজারে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের ছনুয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা এবিএম সাইদুর রহমানের নিয়োগকৃত দুই ক্যাশিয়ারের বেপরোয়া চাঁদাবাজি চলছে। দীর্ঘদিন ধরে পেকুয়া বাজার ও আরবশাহ বাজারে রেঞ্জারের নিয়োগকৃত দুই ব্যক্তি অবৈধভাবে চোরাই গাছ ও কাঠবাহি টলি ও পিকআপ গাড়ি আটকিয়ে চাঁদা উত্তোলেন করছে বলে সরেজমিনে অনুসন্ধানে তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা যায়, প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা এবং গভীর রাতে পেকুয়া বাজার ও রাজাখালী ইউনিয়নের আরবশাহ বাজারে অবৈধ করাতকলে চকরিয়া, লামা ও আজিজ নগর থেকে পিকআপ ও ট্রলি ভর্তি করে অবৈধ গাছ এনে রাখা হয়। আর এসব অবৈধ গাছ ভর্তি প্রতিটি গাড়ি থেকে পেকুয়া বাজারে মাহমদ নামের এক ব্যক্তি ২০০-৪০০টাকা পর্যন্ত চাঁদা উত্তোলন করেন। কোন গাছ/কাঠবাহী গাড়ির চালক টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে তার গাড়ি বন বিভাগের লোকজনকে খবর দিয়ে বাজারে নিয়ে এসে আটক করিয়ে দেন মাহমদ নামের ওই ব্যক্তি।

লামার আজিজ নগর থেকে পেকুয়া বাজারে গাছ নিয়ে আসা এক কাঠ ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, উপকূলীয় বন বিভাগের ছনুয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা এবিএম সাইদুর রহমান পেকুয়া বাজারে আগত প্রতিটি গাছবাহি গাড়ি থেকে চাঁদা উত্তোলনের জন্য মাহমদ নামের এক ব্যক্তিকে ক্যাশিয়ার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। রেঞ্জারের নামে গত এক বছর ধরে পেকুয়া বাজারে গাছ/কাঠবাহী ট্রলি ও পিকাআপ থেকে চাঁদা উত্তোলন করছেন মাহমদ। আর মাহমদের উত্তোলিত চাঁদার টাকা থেকে নির্দিষ্টহারে ভাগ পৌঁছে দেওয়া হয় ছনুয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা এবিএম সাইদুর রহমানের কাছে।

অপরদিকে, পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী আরবশাহ বাজারে আগত অবৈধ কাঠ/গাছবাহিী গাড়ী থেকে চাঁদার টাকা উত্তোলনের জন্য নুরুন নবী নামের এক ব্যক্তিকে ক্যাশিয়ার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে ছনুয়ার রেঞ্জার সাইদুর রহমান। নুরুন নবী রেঞ্জারের নামে প্রতি ট্রলি থেকে ৫০ টাকা ও পিকআপভর্তি গাছের গাড়ি থেকে ১০০ টাকা করে চাঁদার টাকা উত্তোলন করছেন মর্মে এ প্রতিবেদকের কাছে স্বীকারও করেছেন।

ক্যাশিয়ার নিয়োগ দিয়ে পেকুয়া বাজার ও আরবশাহ বাজারে চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের ছনুয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা এবিএম সাইদুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি কাউকে ক্যাশিয়ার হিসেবে নিয়োগ দিইনি।আমার নামে কেউ চাঁদাবাজি করলে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা করব।

এ প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শেখ আবুল কালাম আজাদ এ প্রতিবেদককে বলেন, ছনুয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা কর্তৃক ক্যাশিয়ার নিয়োগ করে পেকুয়ার দুই বাজারে চাঁদাবাজির বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।