নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে মানবাধিকার কর্মী পরিচয়ধারী মো. নাছিবুর রহমান (৪৩) নামে এক ইয়াবা ব্যবসায়িকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৭)। এসময় তার ল্যাপটপ, পাওয়ার ব্যাংক ও অ্যাডাপ্টারের ভিতর থেকে ৩ হাজার ৬৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। গতকাল রোববার রাত পৌনে নয়টার দিকে বাকলিয়া থানা এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত নাছিবুর ফরিদপুর জেলার গোয়াল চামুর এলাকার মৃত শফিউদ্দিনের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো.নূরুল আবছার জানান, যাত্রীবাহী বাসযোগে মাদক ব্যবসায়ী কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের দিকে আসার খবরের ভিত্তিতে রোববার রাত পৌনে নয়টার দিকে বাকলিয়া থানা এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় কথিত মানবাধিকার কর্মী মো. নাছিবুর রহমানের হেফাজতে থাকা ট্রলিব্যাগের ভিতরে ল্যাপটপ, ল্যাপটপের চার্জার ও পাওয়ার ব্যাংকের ভিতরে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় ৩ হাজার ৬৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে নাছিবুর স্বীকার করেন দীর্ঘদিন যাবৎ মানবাধিকার কর্মী পরিচয়ের আড়ালে বিশেষ কৌশলে কক্সবাজার থেকে ইয়াবা নিয়ে আসছিলেন। পরবর্তীতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে পাচার করে আসছেন। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ ৮৯ হাজার টাকা।
নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে মানবাধিকার কর্মী পরিচয়ধারী মো. নাছিবুর রহমান (৪৩) নামে এক ইয়াবা ব্যবসায়িকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৭)। এসময় তার ল্যাপটপ, পাওয়ার ব্যাংক ও অ্যাডাপ্টারের ভিতর থেকে ৩ হাজার ৬৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। গতকাল রোববার রাত পৌনে নয়টার দিকে বাকলিয়া থানা এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত নাছিবুর ফরিদপুর জেলার গোয়াল চামুর এলাকার মৃত শফিউদ্দিনের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো.নূরুল আবছার জানান, যাত্রীবাহী বাসযোগে মাদক ব্যবসায়ী কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামের দিকে আসার খবরের ভিত্তিতে রোববার রাত পৌনে নয়টার দিকে বাকলিয়া থানা এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় কথিত মানবাধিকার কর্মী মো. নাছিবুর রহমানের হেফাজতে থাকা ট্রলিব্যাগের ভিতরে ল্যাপটপ, ল্যাপটপের চার্জার ও পাওয়ার ব্যাংকের ভিতরে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় ৩ হাজার ৬৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে নাছিবুর স্বীকার করেন দীর্ঘদিন যাবৎ মানবাধিকার কর্মী পরিচয়ের আড়ালে বিশেষ কৌশলে কক্সবাজার থেকে ইয়াবা নিয়ে আসছিলেন। পরবর্তীতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে পাচার করে আসছেন। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ ৮৯ হাজার টাকা।



