মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া: কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) কাজল কান্তি শীলের ঘুষ লেনদেনের একটি ভিডিও গতকাল সোমবার ২০ নভেম্বর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে পেকুয়াজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

ঘুষ, দুর্নীতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অহরহ অভিযোগ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠালেও তার বিরুদ্ধে দৃশ্যত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, তহশিলদার কাজল কুমার শীল এক জমির মালিককে বলছেন, এক একর নিরাননব্বই শতক জমির নামজারী খতিয়ানের জন্য ১-২ হাজার টাকা না দিলে কেমন হবে। ভিডিওতে তহশিলদারকে আরো বলতে শুনা যায়, এক একর নিরান নব্বই শতক জমি মানে দুই একর জমি! আরো টাকা দিতে হবে। এসময় তহলিশলদার কয়েক হাজার টাকা দালাল ছৈয়দ আলমের হাত থেকে নিয়ে পকেটে ভরছেন। এরপর তার আস্থাভাজন ছৈয়দ আলমকে তহশিলদারকে বলছেন, আরো টাকা দিতে হবে। এসময় ছৈয়দ আলম আরো টাকার ব্যবস্থা করে দেবে তহশিলদার আশ্বস্থ করেন।

গতকাল সোমবার সারাদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তহশিলদারের ঘুষ গ্রহণের ভাইরাল ভিডিও নিয়ে সর্বত্রে আলোচনা- সমালোচনা সৃষ্টি হয়।

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে মহেশখালী ঘোরকঘাটা ভূমি অফিস থেকে গত তিন বছর পূর্বে বদলি হয়ে পেকুয়া সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগদান করেন কাজল কুমার শীল। এখানে যোগদান করেও তিনি জড়িয়ে পড়েন একই ধরনের অনিয়মে।

ঘুষ গ্রহণের ভাইরাল ভিডিও প্রসঙ্গে জানতে তহশিলদার কাজল কুমার শীলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মূলত আমি সঠিক কাগজ ছাড়া ভূমি নামজারির কোনো কাজ করি না। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে একটি দালাল চক্র আমাকে ফাঁসানোর জন্য এসব করছেন। ভিডিওটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। আমি ওই টাকা ফেরত দিয়েছি, নেইনি।

এ প্রসঙ্গে জানতে পেকুয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুম্পা ঘোষ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার গত কয়েক দিন পূর্বে বদলী হয়ে অন্যত্র চলে গেছেন।সে এখন আমার অধীনে নেই। এছাড়া ঘুষ গ্রহণের বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি।

মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া: কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহশিলদার) কাজল কান্তি শীলের ঘুষ লেনদেনের একটি ভিডিও গতকাল সোমবার ২০ নভেম্বর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে পেকুয়াজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

ঘুষ, দুর্নীতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অহরহ অভিযোগ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠালেও তার বিরুদ্ধে দৃশ্যত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, তহশিলদার কাজল কুমার শীল এক জমির মালিককে বলছেন, এক একর নিরাননব্বই শতক জমির নামজারী খতিয়ানের জন্য ১-২ হাজার টাকা না দিলে কেমন হবে। ভিডিওতে তহশিলদারকে আরো বলতে শুনা যায়, এক একর নিরান নব্বই শতক জমি মানে দুই একর জমি! আরো টাকা দিতে হবে। এসময় তহলিশলদার কয়েক হাজার টাকা দালাল ছৈয়দ আলমের হাত থেকে নিয়ে পকেটে ভরছেন। এরপর তার আস্থাভাজন ছৈয়দ আলমকে তহশিলদারকে বলছেন, আরো টাকা দিতে হবে। এসময় ছৈয়দ আলম আরো টাকার ব্যবস্থা করে দেবে তহশিলদার আশ্বস্থ করেন।

গতকাল সোমবার সারাদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তহশিলদারের ঘুষ গ্রহণের ভাইরাল ভিডিও নিয়ে সর্বত্রে আলোচনা- সমালোচনা সৃষ্টি হয়।

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে মহেশখালী ঘোরকঘাটা ভূমি অফিস থেকে গত তিন বছর পূর্বে বদলি হয়ে পেকুয়া সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগদান করেন কাজল কুমার শীল। এখানে যোগদান করেও তিনি জড়িয়ে পড়েন একই ধরনের অনিয়মে।

ঘুষ গ্রহণের ভাইরাল ভিডিও প্রসঙ্গে জানতে তহশিলদার কাজল কুমার শীলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মূলত আমি সঠিক কাগজ ছাড়া ভূমি নামজারির কোনো কাজ করি না। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে একটি দালাল চক্র আমাকে ফাঁসানোর জন্য এসব করছেন। ভিডিওটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। আমি ওই টাকা ফেরত দিয়েছি, নেইনি।

এ প্রসঙ্গে জানতে পেকুয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুম্পা ঘোষ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার গত কয়েক দিন পূর্বে বদলী হয়ে অন্যত্র চলে গেছেন।সে এখন আমার অধীনে নেই। এছাড়া ঘুষ গ্রহণের বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি।