ঢাকা ব্যুরো: অবৈধ দখলদার ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনের জন্ম হয়ে অবৈধভাবে এই নির্বাচন কমিশনের যখন নিয়োগ দেওয়া হয় তখন দেশের প্রধান বিরোধী দল সহ কোন রাজনৈতিক দল বা সুশীল সমাজের কারো সাথে আলোচনা করা হয়নি।আজ বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ মুসলিম সমাজের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মাসুদ হোসেন গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন।
বিবৃতিতে আরো বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার তাদের ইচ্ছা মত সংবিধান সংশোধন করে এই অবৈধ নির্বাচন কমিশনকে নিয়োগ দিয়েছে। দেশের কোন রাজনৈতিক দল ও জনগণের এই অবৈধ নির্বাচন কমিশনের প্রতি বিন্দুমাত্র আস্থা নাই। অতএব এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত জাতীয় ও স্থানীয় কোন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা অধিকার নাই। ঘোষিত তফসিলটি সম্পূর্ণ অবৈধ।এই অবৈধ তফসিলে সরকার বিরোধী কোন রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। দেশের জনগণ এই তফসিলকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।জনগণ এই তফসিল এর অধীনে কোন নির্বাচন হতে দেবে না।
তিনি বলেন, অনতিবিলম্বে অবৈধ এই তফসিলটি বাতিল করতে হবে। সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে অবৈধভাবে ব্যবহার করে তাদের খেয়ালখুশি মতো যা ইচ্ছা তাই করে যাচ্ছে। সরকার তার আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে তফসিল ঘোষণা করে দেশকে সংঘাতের দিকে নিয়ে গেছে। দেশে গৃহযুদ্ধ লাগার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দেশকে গৃহযুদ্ধের হাত থেকে বাঁচাতে হলে ঘোষিত তফসিল বাতিল করে বিরোধী দলগুলোর সাথে সংলাপের মাধ্যমে সমঝোতা করে বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকারকে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হবে। তা না হলে দেশের জনগণকে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব হারাতে হতে পারে।
বাংলাদেশ মুসলিম সমাজের চেয়ারম্যান বলেন, দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। হু হু করে বাড়ছে ডলারের দাম। ইতিমধ্যে ইউরোপ-আমেরিকার সহ আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলো মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো জাতিসংঘের কাছে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ দাখিল করেছে। ইতিমধ্যেই সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সরকারের কাছ থেকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে। এটি দেশের জন্য অশনি সংকেত। এ বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দলসহ সর্বস্তরের জনগণকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।




