নগর প্রতিবেদক: চলমান এক দফা দাবি আদায়ের অবৈধ সরকারের পদত্যাগ ও দ্রব্যমূল্য উর্ধগতির ভোটের অধিকার মানবাধিকার আইনের শাসন পুন:প্রতিষ্ঠার দাবিতে গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমানোর জন্য ও অবরোধ বানচাল করার প্রতিবাদে সারাদেশ যেই ধরপাকড় ও গণগ্রেপ্তার শুরু হয়েছে- তার এই অংশ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের বিভিন্ন স্তরের জেলা মহানগর থানা ইউনিয়নে প্রত্যেক এলাকায় শ্রমিক দলের নেতৃবৃন্দকে গণ গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বিবৃতির মাধ্যমে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।

আব্দুল্লাহ আল নোমান, গ্রেফতার করে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না, এই আন্দোলন গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলন। এই সংগ্রাম স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রাম, এই সংগ্রামের মাধ্যমে গণ-আন্দোলনের মুখে এ সরকার পালিয়ে যেতে বাধ্য হবে। সরকার পদত্যাগ করে মানুষের আন্দোলন প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলে শুভ বুদ্ধির উদয় হবে বলে আশা করছি।

তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য সীমাহীন লাগামছাড়া। মানুষ দু’মুঠো খেয়ে বেঁচে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়ছে।এ সরকারের লোকেরা লুটপাট দুর্নীতি করে অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। আজকের রিজার্ভ ফান্ড শূন্য। আমদানি রপ্তানি বন্ধের উপক্রম। গার্মেন্টস শ্রমিকেরা তাদের জীবন নির্বাহ করার জন্য নিয়ম-নীতি মোতাবেক তাদের বেঁচে থাকার অধিকারের জন্য আন্দোলন করছে সেখানে নির্বিচারে গুল্লি করে হত্যা করছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারের আজ্ঞাবহ কিছু পেটুয়া বাহিনী সরকারকে প্রোডাকশন দিয়ে টিকিয়ে রাখতে পারবেনা। এবার জনগণ যে কোন কিছুর মূল্যের বিনিময় হোক তাদের জীবনের রক্ষার জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত হয়েছে। এই অবৈধ সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। গ্রেফতার গুলি করে গণতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে শান্তিকামী জনতাকে দমিয়ে রাখা যাবেনা। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাস সহ জাতীয় নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি আন্দোলনকে আরো বেগবান করার জন্য দেশবাসীর প্রতি উদার আহবান করছি।

বিবৃতি দাতারা হলেন- বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল নোমান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শ ম জামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ সভাপতি ইদ্রিস মিয়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যান, উত্তর জেলা সভাপতি মোতালেব চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, বান্দরবান জেলার সভাপতি আব্দু শুক্কুর, রাঙ্গামাটি জেলার সভাপতি মমতাজ মিয়া, ফেনী জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি হুমায়ুন কবির,নোয়াখালী জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নিজামুদ্দিন নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেন যে যারা গ্রেফতার হয়েছেন তাদের মধ্যে অসংখ্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ফেনী জেলা শ্রমিক দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অলিক উল্লাহ, চকরিয়া উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন লালটু, কুমিল্লা উত্তর জেলা শ্রমিক দলের প্রচার সম্পাদক ফজলুল হক, লামা পৌর সভা শ্রমিক দলের সভাপতি মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, চিরিঙ্গা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি বেলাল উদ্দিন, কক্সবাজার ইদগাও শ্রমিক দলের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, আনোয়ারা বৈরাগ ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ শওকতুল আলম, শাকিল পৌরসভা শ্রমিক দলের আহ্বায় মোঃ দুলাল মিয়া, যুগ্ন আহবায়ক মহসিন, ফারুক হোসেন ভূঁইয়া, নোয়াখালী পৌর শ্রমিক দলের আহবায়ক কাজী নেওয়াজ হৃদয়, নোয়াখালী পৌরসভা ৮ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হোসেন, বাকরিয়া থানা হোটেল শ্রমিক দলের সভাপতি আবু কালাম, ফলমুন্ডি লোডিং আনলোডিং এর সভাপতি মোহাম্মদ সালে আহাম্মদ, নাসিরাবাদ শ্রমিক দলের নেতা মোহাম্মদ ফয়েজ, মোহাম্মদ সেলিম, চট্টগ্রাম ডবলমুরি শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হযরত আলী, ২৭ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুর সাত্তার, ৯ নং পাহাড়তলী ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সভাপতি মোহাম্মদ সিকান্দার প্রমুখ।

নগর প্রতিবেদক: চলমান এক দফা দাবি আদায়ের অবৈধ সরকারের পদত্যাগ ও দ্রব্যমূল্য উর্ধগতির ভোটের অধিকার মানবাধিকার আইনের শাসন পুন:প্রতিষ্ঠার দাবিতে গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমানোর জন্য ও অবরোধ বানচাল করার প্রতিবাদে সারাদেশ যেই ধরপাকড় ও গণগ্রেপ্তার শুরু হয়েছে- তার এই অংশ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের বিভিন্ন স্তরের জেলা মহানগর থানা ইউনিয়নে প্রত্যেক এলাকায় শ্রমিক দলের নেতৃবৃন্দকে গণ গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বিবৃতির মাধ্যমে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।

আব্দুল্লাহ আল নোমান, গ্রেফতার করে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না, এই আন্দোলন গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলন। এই সংগ্রাম স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রাম, এই সংগ্রামের মাধ্যমে গণ-আন্দোলনের মুখে এ সরকার পালিয়ে যেতে বাধ্য হবে। সরকার পদত্যাগ করে মানুষের আন্দোলন প্রতি সম্মান প্রদর্শন করলে শুভ বুদ্ধির উদয় হবে বলে আশা করছি।

তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য সীমাহীন লাগামছাড়া। মানুষ দু’মুঠো খেয়ে বেঁচে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়ছে।এ সরকারের লোকেরা লুটপাট দুর্নীতি করে অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। আজকের রিজার্ভ ফান্ড শূন্য। আমদানি রপ্তানি বন্ধের উপক্রম। গার্মেন্টস শ্রমিকেরা তাদের জীবন নির্বাহ করার জন্য নিয়ম-নীতি মোতাবেক তাদের বেঁচে থাকার অধিকারের জন্য আন্দোলন করছে সেখানে নির্বিচারে গুল্লি করে হত্যা করছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারের আজ্ঞাবহ কিছু পেটুয়া বাহিনী সরকারকে প্রোডাকশন দিয়ে টিকিয়ে রাখতে পারবেনা। এবার জনগণ যে কোন কিছুর মূল্যের বিনিময় হোক তাদের জীবনের রক্ষার জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত হয়েছে। এই অবৈধ সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। গ্রেফতার গুলি করে গণতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে শান্তিকামী জনতাকে দমিয়ে রাখা যাবেনা। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাস সহ জাতীয় নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি আন্দোলনকে আরো বেগবান করার জন্য দেশবাসীর প্রতি উদার আহবান করছি।

বিবৃতি দাতারা হলেন- বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল নোমান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শ ম জামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ সভাপতি ইদ্রিস মিয়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যান, উত্তর জেলা সভাপতি মোতালেব চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, বান্দরবান জেলার সভাপতি আব্দু শুক্কুর, রাঙ্গামাটি জেলার সভাপতি মমতাজ মিয়া, ফেনী জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি হুমায়ুন কবির,নোয়াখালী জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নিজামুদ্দিন নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেন যে যারা গ্রেফতার হয়েছেন তাদের মধ্যে অসংখ্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ফেনী জেলা শ্রমিক দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অলিক উল্লাহ, চকরিয়া উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন লালটু, কুমিল্লা উত্তর জেলা শ্রমিক দলের প্রচার সম্পাদক ফজলুল হক, লামা পৌর সভা শ্রমিক দলের সভাপতি মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, চিরিঙ্গা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি বেলাল উদ্দিন, কক্সবাজার ইদগাও শ্রমিক দলের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, আনোয়ারা বৈরাগ ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ শওকতুল আলম, শাকিল পৌরসভা শ্রমিক দলের আহ্বায় মোঃ দুলাল মিয়া, যুগ্ন আহবায়ক মহসিন, ফারুক হোসেন ভূঁইয়া, নোয়াখালী পৌর শ্রমিক দলের আহবায়ক কাজী নেওয়াজ হৃদয়, নোয়াখালী পৌরসভা ৮ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হোসেন, বাকরিয়া থানা হোটেল শ্রমিক দলের সভাপতি আবু কালাম, ফলমুন্ডি লোডিং আনলোডিং এর সভাপতি মোহাম্মদ সালে আহাম্মদ, নাসিরাবাদ শ্রমিক দলের নেতা মোহাম্মদ ফয়েজ, মোহাম্মদ সেলিম, চট্টগ্রাম ডবলমুরি শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হযরত আলী, ২৭ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুর সাত্তার, ৯ নং পাহাড়তলী ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সভাপতি মোহাম্মদ সিকান্দার প্রমুখ।