নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগ সরকার করোনাকে রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। আজ শনিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া নাগরিক ফোরাম (জিনাফ)-এর ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি, সুচিকিৎসা এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন ও ন্যায় বিচারের দাবিতে এক আলোচনা সভায় বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সরকারের বিধিনিষেধ দীর্ঘকাল মানতে আমরা বাধ্য নই। সময়ই আমাদের বলে দেবে কখন কী করতে হবে। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি বা বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে সরকারের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কর্মসূচি হয়েছে। বিএনপির শক্তি সরকার পরিমাপ করতে পেরেছে। আওয়ামী লীগ সরকার যে জনরোষে পড়েছে তা মোকাবিলা করতেই করোনা নামক বিধি নিষেধের অস্ত্রটি ব্যবহার করেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের জরিপেও ৮৮ শতাংশ মানুষ বলছে রাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশে বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
আগামী নির্বাচনের আগেই ইভিএম বাক্স বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, নারায়ণগঞ্জকে তারা উদাহরণ সৃষ্টি করতে চান। তারা মনে করেন নারায়ণগঞ্জে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। আমার একটা কথা মনে হয়, এই সরকার, এই নির্বাচন কমিশনারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়- এ কথা শুনে পশু-পাখি-জানোয়াররাও কিন্তু বিব্রতবোধ করে। আপনারা (সরকার) বিব্রতবোধ করেন না কেন? আপনারা কেন মনে করেন যে, হাসিনার উদাহরণ হিসেবে তার অধীনে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, জনগণ বিশ্বাস করেছে? মোটেও না। জনগণ বিশ্বাস করে নাই।আর ইভিএম। আগামী নির্বাচনের আগেই এই ইভিএমের বাক্স বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেওয়া হবে।
নির্বাচনী স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যার যার ভোট সে সে দেবে, কেন্দ্রে গিয়ে দেবে, দিনের ভোট দিনে করবে। আন্দোলনটা কিন্তু আমাদের এই জায়গায়।সেই ভোটে বিএনপি ক্ষমতায় যাবে এ কথা আমরা বলছি না। ভোটে পরাজিত হওয়ার মধ্যে সম্মান আছে, কিন্তু ভোট চুরি করে জয়লাভের মধ্যে সম্মান নাই, চোর বলে আখ্যায়িত হয়। আজকে যারা পার্লামেন্টে আছে প্রকাশ্যেই তো মানুষ বলে যে, ভোট চোর। এর চেয়ে বড় অপমান কী হতে পারে?
নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি তুলে তিনি বলেন, সরকারের উদ্দেশে একটা কথাই বলব, ভবিষ্যত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ক্ষমতায় থাকেন বা বিরোধী দলে থাকেন, সকলের মাঝে থাকেন। বেঁচে থাকতে পারেন, সুস্থ থাকতে পারেন, শান্তিতে থাকতেও পারেন। সেই উদ্যোগটা গ্রহণ করেন। স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে, সংসদ বাতিল করে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে যদি নির্বাচনটা দেন। হয়ত মানুষের যে ক্ষোভ আছে এবং মানুষ যতটা আপনাদেরকে ঘৃণা করে সেখান থেকে কিছুটা হলেও সহানুভূতির অংশ আপনাদের ভাগ্যে জুটতে পারে।
মন্ত্রী-এমপি ও নেতাকর্মীসহ সরকারের নানা দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, হয়ত বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের কারাগারে যাওয়ার পর্বটা শেষ হবে। তবে, কারাগার ফাঁকা থাকবে না। দুর্নীতি, সন্ত্রাসসহ নানা অপকর্মের সাথে জড়িত ক্ষমতাসীনদের কারাগারে যেতে হবে। দ্বিগুন বড় করতে হবে কারাগার।
নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগ সরকার করোনাকে রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। আজ শনিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া নাগরিক ফোরাম (জিনাফ)-এর ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি, সুচিকিৎসা এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন ও ন্যায় বিচারের দাবিতে এক আলোচনা সভায় বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সরকারের বিধিনিষেধ দীর্ঘকাল মানতে আমরা বাধ্য নই। সময়ই আমাদের বলে দেবে কখন কী করতে হবে। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি বা বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে সরকারের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে কর্মসূচি হয়েছে। বিএনপির শক্তি সরকার পরিমাপ করতে পেরেছে। আওয়ামী লীগ সরকার যে জনরোষে পড়েছে তা মোকাবিলা করতেই করোনা নামক বিধি নিষেধের অস্ত্রটি ব্যবহার করেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের জরিপেও ৮৮ শতাংশ মানুষ বলছে রাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশে বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
আগামী নির্বাচনের আগেই ইভিএম বাক্স বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, নারায়ণগঞ্জকে তারা উদাহরণ সৃষ্টি করতে চান। তারা মনে করেন নারায়ণগঞ্জে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। আমার একটা কথা মনে হয়, এই সরকার, এই নির্বাচন কমিশনারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়- এ কথা শুনে পশু-পাখি-জানোয়াররাও কিন্তু বিব্রতবোধ করে। আপনারা (সরকার) বিব্রতবোধ করেন না কেন? আপনারা কেন মনে করেন যে, হাসিনার উদাহরণ হিসেবে তার অধীনে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, জনগণ বিশ্বাস করেছে? মোটেও না। জনগণ বিশ্বাস করে নাই।আর ইভিএম। আগামী নির্বাচনের আগেই এই ইভিএমের বাক্স বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেওয়া হবে।
নির্বাচনী স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যার যার ভোট সে সে দেবে, কেন্দ্রে গিয়ে দেবে, দিনের ভোট দিনে করবে। আন্দোলনটা কিন্তু আমাদের এই জায়গায়।সেই ভোটে বিএনপি ক্ষমতায় যাবে এ কথা আমরা বলছি না। ভোটে পরাজিত হওয়ার মধ্যে সম্মান আছে, কিন্তু ভোট চুরি করে জয়লাভের মধ্যে সম্মান নাই, চোর বলে আখ্যায়িত হয়। আজকে যারা পার্লামেন্টে আছে প্রকাশ্যেই তো মানুষ বলে যে, ভোট চোর। এর চেয়ে বড় অপমান কী হতে পারে?
নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি তুলে তিনি বলেন, সরকারের উদ্দেশে একটা কথাই বলব, ভবিষ্যত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ক্ষমতায় থাকেন বা বিরোধী দলে থাকেন, সকলের মাঝে থাকেন। বেঁচে থাকতে পারেন, সুস্থ থাকতে পারেন, শান্তিতে থাকতেও পারেন। সেই উদ্যোগটা গ্রহণ করেন। স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে, সংসদ বাতিল করে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে যদি নির্বাচনটা দেন। হয়ত মানুষের যে ক্ষোভ আছে এবং মানুষ যতটা আপনাদেরকে ঘৃণা করে সেখান থেকে কিছুটা হলেও সহানুভূতির অংশ আপনাদের ভাগ্যে জুটতে পারে।
মন্ত্রী-এমপি ও নেতাকর্মীসহ সরকারের নানা দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, হয়ত বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের কারাগারে যাওয়ার পর্বটা শেষ হবে। তবে, কারাগার ফাঁকা থাকবে না। দুর্নীতি, সন্ত্রাসসহ নানা অপকর্মের সাথে জড়িত ক্ষমতাসীনদের কারাগারে যেতে হবে। দ্বিগুন বড় করতে হবে কারাগার।