প্রেস বিজ্ঞপ্তি: “লোককলা চর্চা কেন্দ্র বাংলাদেশ” এর সম্মানীয় সাবেক উপদেষ্টা আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ভৌত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলাম ও বিজ্ঞানী প্রফেসর বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়ার স্মরণে এক আলোচনা সভা গতকাল শনিবার (১৩ জুন) বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রের সভাপতি কবিয়াল হরিপদ দেয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-খ্যাতিমান ভাস্কর, চ.বি গবেষক ডি.কে দাশ মামুন।
কবিয়াল সন্তোষ কুমার দে’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অতিথিবৃন্দের মাঝে উপস্থিত ছিলেন- জাপানের অনারারি কনসাল জেনারেল, বীরমুক্তিযোদ্ধা মুহম্মদ নুরুল ইসলাম, কবি ও লেখক দিলীপ কুমার দাশ, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মোহাম্মদ হোসেন, অধ্যাপক অজিত কান্তি দাশ,সাংবাদিক মুকুল সিকদার, কবিয়াল আবদুল লতিফ, কবিয়াল মোঃ ইউসুফ , বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলম নবী,কবিয়াল শ্যামল কান্তি দাশ, নাট্যকর্মী জাহানারা পারুল, কবিয়াল অজিত দেবনাথ, কবিয়াল সঞ্জিত দেবনাথ,কবিয়াল নির্মল শীল, সংগঠক কামাল উদ্দিন, কবিয়াল পন্ডিত অরুন কান্তি নাথ , কবিয়াল অজিত দেবনাথ, শিল্পী জ্যোতি শর্মা, মৈত্রী আচার্য্য, শিল্পী পম্পী দাশ, অজিত কান্তি দেবনাথ, শিল্পী বিথী সিংহ, সনজিত দেবনাথ, প্রমুখ। প্রধান শিক্ষক তরনী কুমার সেন,অধ্যাপক আখেরুনেচ্ছা দিনা, আইটি এক্সপার্ট ধনঞ্জয় শর্মা, অধ্যাপক তাহেরা খাতুন প্রমুখ। কবিয়ালবৃন্দকে শপথ পাঠ করান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহম্মদ নুরুল ইসলাম।
অতিথি ও আলোচকগণ বলেন,বাংলার দুই দিকপাল যশস্বী বিজ্ঞানি ও প্রতিথযশা প্রফেসর ড.জামাল নজরুল ইসলাম ও প্রফেসার বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া। লোককলার উন্নয়নে উভয় মহাত্মার ভুমিকা প্রণিধানযোগ্য। বিজ্ঞানের দুই মহান গুনধর মানুষ ছিলেন-লোকশিল্প ও লোকসাহিত্যের নিবেদিত প্রান ব্যক্তি। তাঁরা উভয়ে স্বজাত্যবোধে উজ্জীবিত মহান ব্যক্তিত্ব। এই দুই মহামানবের জন্য দেশের কোথায় কোন প্রতিষ্ঠান নামকরণ কিংবা সৃষ্টি করা হয়নি।
বক্তারা তাদের নামে লোকসাহিত্য ও লোকশিল্প চর্চার গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতি জোর দাবী জানান। আলোচনা সভার শেষে কবিয়ালদের বিশেষ পরিবেশনায় কবিগানের আসর অনুষ্ঠিত হয়।




