প্রথম ইনিংস- আয়ারল্যান্ড: ২১৪/১০ (৭৭.২ ওভার) বাংলাদেশ: ৩৬৯/১০ (৮০.৩ ওভার) লিড: ১৫৫ রান
দ্বিতীয় ইনিংস-আয়ারল্যান্ড: ৯৩/৫ (৪৭ ওভার)
প্রথম ঘন্টার শেষে শরিফুল ফেরান আগের দিনের অপরাজিত মুরকে। এরপর প্রতিরোধ গড়েন টেক্টর-টকার। দুজনে কাটিয়ে দেন প্রথম সেশন। কোনো বিপদ ছাড়াই মধ্যাহ্ন বিরতিতে যায় তারা। এই সেশনে ৩০ ওভারে মাত্র ৬৬ রান নেয় আইরিশরা, হারায় ১ উইকেট। টেক্টর-টকারের জুটি থেকে ৮৯ বলে ৪২ রান আসে। প্রথম সেশনে সফল বোলার শরিফুল। সাকিব-তাইজুলরা হাত ঘোরালেও উইকেটের দেখা পাননি।
১৫৪ বলে গড়া ৩৮ রানের জুটি ভাঙলেন শরিফুল
৬.৩ ওভারে ১৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর মুর-টেক্টর জুটির শুরু। গতকাল ১০ ওভার খেলে দিন শেষ করেন বিপদ ছাড়াই। আজ দিনের শুরু থেকেই সাবলীল খেলছেন দুজনে। উইকেট কামড়ে ধরে ব্যাটিং করে যাচ্ছিলেন দুজন। কাটিয়ে দিয়েছিলেন প্রথম ঘণ্টা। বিপত্তি বাধে আজ দিনে শরিফুলের দ্বিতীয় ওভারে। ব্যাক অব লেন্থের বল বেরিয়ে যাচ্ছিলো আউট সাইড অফ দিয়ে, অহেতুক ব্যাট চালিয়ে খেসারত দিলেন মুর। ব্যাটের কানায় লেগে বল যায় উইকেটরক্ষক লিটনের হাতে। ৭৮ বলে ১৬ রান করেন মুর। তার আউটে ভাঙ্গে ১৫৪ বলে ৩৮ রানের জুটি। ক্রিজে টেক্টরের সঙ্গী টকার।

ক্যাচ মিসে বাংলাদেশের দিন শুরু
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিন বৃহস্পতিবার মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। ১২৮ রানে পিছিয়ে থেকে দিন শুরু করে স্বাগতিক শিবির। হাতে আছে ৬ উইকেট। বাংলাদেশের হয়ে বোলিং শুরু করেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। দিনের দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে আসেন তাইজুল ইসলাম। তার পঞ্চম বলে সুযোগ হাতছাড়া করেন লিটন দাস। খোঁচা লেগে উইকেটের পেছনে গেলেও লিটন তালুবন্দি করতে পারেননি। ৫২ বলে ৯ রান করে টেক্টর বেঁচে যান।
দ্বিতীয় দিন এগিয়ে বাংলাদেশ
দ্বিতীয় দিন শেষে আয়ারল্যান্ডের সংগ্রহ ২৭ রান। হারিয়েছে ৪ উইকেট। ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে হলে করতে হবে ১২৮ রান। বাংলাদেশের প্রয়োজন ৬ উইকেট। ১৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর টেক্টর-মুর দিন পার করে দেন। টেক্টর ৮ ও মুর ১০ রানে অপরাজিত আছেন। সাকিব-তাইজুল নেন ২টি করে উইকেট।

আয়ারল্যান্ডের প্রথম ইনিংস
মিরাজের ঘুর্ণিতে গ্রাহাম হুম বোল্ড হলে আয়ারল্যান্ড ২১৪ রানে অলআউট হয়। টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে ৭৭.২ ওভারে অলআউট হয় তারা। তাইজুল ইসলাম নেন ৫ উইকেট। ২৮ ওভার বোলিং করে ৫৮ রান দিয়ে এই উইকেটগুলো নেন তাইজুল। মেডেন দেন ১০টি। এটি তার ক্যারিয়ারের ১১তম ফাইফার। এ ছাড়া ২টি করে উইকেট নেন মেহেদি হাসান মিরাজ ও এবাদত হোসেন। সাকিব আল হাসান বোলিংয়ে আসেন ৬৬তম ওভারে। ৩ ওভার বোলিং করে তিনি ৮ রান দেন। আইরিশদের হয়ে সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন টেক্টর। এ ছাড়া টকার ৩৭, ক্যাম্পার ৩৪ ও অ্যাডেয়ার ৩২ রান করেন।
বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস
প্রথম দুই সেশনে দাপট দেখালেও তৃতীয় সেশনটা ভালো যায়নি বাংলাদেশের। মাত্র ১৬.৩ ওভারে ৫৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিক শিবির। মিরাজের ফিফটিতে (৫৫) লিড পার হয় দেড়শ। সর্বোচ্চ ১২৬ রান করেন মুশফিক। সাকিবের ব্যাট থেকে আসে ৮৭ রান। মাঝে লিটন খেলেন ৪১ রানের ইনিংস। আয়ারল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ২১৪ রান করে। বাংলাদেশ করে ৩৬৯ রান। লিড ১৫৫। ম্যাকব্রিন ২৮ ওভারে ১১৮ রান দিয়ে নেন ৬ উইকেট। এ ছাড়া ২টি করে উইকেট নেন অ্যাডেয়ার ও হোয়াইট।




