ক্রীড়া প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলা হতে ২১টি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের মাধ্যমে শুরু হয়েছে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা।গতকাল শনিবার (১১ মার্চ) নগরীর এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে বেলুন উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী।

তিনি বলেন, আজকে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য হাতে নিয়েছে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার যে চারটি উপাদান যেমন স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট সোসাইটি, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট। এ চারটি উপাদান গড়ার ক্ষেত্রে তোমাদের দায়িত্ব রয়েছে।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতি বৃহত্তর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে যে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠায় সেখানে একজন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর আকা ছবি স্থান পায়। সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নিজেদের মধ্যে সম্প্রীতি ও বন্ধুত্ব বাড়ায়। এ সম্প্রীতি সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়ায় হবে তোমাদের আগামী দিনের লক্ষ্য।

বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক নাজিমুল ইসলাম’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মু. মাহমুদ উল্লাহ মারুফ। এসময় চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলার সমাজসেবা কার্যালয়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীসহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ক্রীড়া প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলা হতে ২১টি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের মাধ্যমে শুরু হয়েছে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা।গতকাল শনিবার (১১ মার্চ) নগরীর এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে বেলুন উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী।

তিনি বলেন, আজকে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য হাতে নিয়েছে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার যে চারটি উপাদান যেমন স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট সোসাইটি, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট। এ চারটি উপাদান গড়ার ক্ষেত্রে তোমাদের দায়িত্ব রয়েছে।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতি বৃহত্তর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে যে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠায় সেখানে একজন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর আকা ছবি স্থান পায়। সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নিজেদের মধ্যে সম্প্রীতি ও বন্ধুত্ব বাড়ায়। এ সম্প্রীতি সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়ায় হবে তোমাদের আগামী দিনের লক্ষ্য।

বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক নাজিমুল ইসলাম’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মু. মাহমুদ উল্লাহ মারুফ। এসময় চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলার সমাজসেবা কার্যালয়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীসহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।