ঢাকা ব্যুরো: ক্ষমতাসীন দল তথা আওয়ামী লীগকে অন্ধ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলে (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, উন্নয়নের নামে লুটপাট প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরকারের অংশীদারিত্ব রয়েছে।ভয়াবহ দুর্নীতি, সীমাহীন অপচয় ও লুটপাট সরকার না দেখার ভান করছে। বেমালুম অস্বীকার করে দুর্নীতি ও অপচয়কে তারা আরও উৎসাহিত করেছে।

আ স ম রব বলেন, আমাদের দেশের খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদসহ বিশেষজ্ঞগণ অনেক প্রকল্পের গড়মিল ভুলভ্রান্তি, সামঞ্জস্যহীন অর্থ ব্যয় চিহ্নিত করেছেন। অন্য দেশের সঙ্গে তুলনামূলক বিশ্লেষণ উত্থাপন করেছেন। কিন্তু সরকার তার কোনো প্রতিকার না করে অবজ্ঞার মাধ্যমে তাদেরকে অর্বাচীন বলে চিহ্নিত করেছে। ফলে অন্যায়, দুর্নীতি, অপচয় ও অপকর্মের মাত্রা এমনভাবে বেড়েছে যা দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের কিনারে নিয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, রিজার্ভের অপরিকল্পিত ব্যয় ও প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে মারাত্মক জটিল ও ঘোলাটে করে তুলেছে। এটা আকস্মিক কোনো ঘটনা বা দুর্ঘটনা নয়। তথাকথিত ‘অপ্রতিরোধ্য উন্নয়নের’ ডামাডোলে দেশের অর্থনীতি আজ বিপর্যয়ের সম্মুখীন।

জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি, অফুরন্ত রিজার্ভ নিয়ে সরকার আত্মতৃপ্তিতে নিমজ্জিত থাকলেও বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতিতে জীবনযাত্রার মান তছনছ হয়ে পড়েছে। সরকার তা বিবেচনায় নেয়নি। এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার মূলে রয়েছে স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর সংকীর্ণ স্বার্থ উদ্ধার করা। আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে।

অংশীদারত্বমূলক উন্নয়ন দর্শনে অর্থনীতির সমন্বিত ও ইতিবাচক পদক্ষেপে উন্নয়নের সমতা ও কল্যাণ অর্জন করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন জেএসডির সভাপতি।

ঢাকা ব্যুরো: ক্ষমতাসীন দল তথা আওয়ামী লীগকে অন্ধ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলে (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, উন্নয়নের নামে লুটপাট প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরকারের অংশীদারিত্ব রয়েছে।ভয়াবহ দুর্নীতি, সীমাহীন অপচয় ও লুটপাট সরকার না দেখার ভান করছে। বেমালুম অস্বীকার করে দুর্নীতি ও অপচয়কে তারা আরও উৎসাহিত করেছে।

আ স ম রব বলেন, আমাদের দেশের খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদসহ বিশেষজ্ঞগণ অনেক প্রকল্পের গড়মিল ভুলভ্রান্তি, সামঞ্জস্যহীন অর্থ ব্যয় চিহ্নিত করেছেন। অন্য দেশের সঙ্গে তুলনামূলক বিশ্লেষণ উত্থাপন করেছেন। কিন্তু সরকার তার কোনো প্রতিকার না করে অবজ্ঞার মাধ্যমে তাদেরকে অর্বাচীন বলে চিহ্নিত করেছে। ফলে অন্যায়, দুর্নীতি, অপচয় ও অপকর্মের মাত্রা এমনভাবে বেড়েছে যা দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের কিনারে নিয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, রিজার্ভের অপরিকল্পিত ব্যয় ও প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে মারাত্মক জটিল ও ঘোলাটে করে তুলেছে। এটা আকস্মিক কোনো ঘটনা বা দুর্ঘটনা নয়। তথাকথিত ‘অপ্রতিরোধ্য উন্নয়নের’ ডামাডোলে দেশের অর্থনীতি আজ বিপর্যয়ের সম্মুখীন।

জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি, অফুরন্ত রিজার্ভ নিয়ে সরকার আত্মতৃপ্তিতে নিমজ্জিত থাকলেও বেকারত্ব ও মুদ্রাস্ফীতিতে জীবনযাত্রার মান তছনছ হয়ে পড়েছে। সরকার তা বিবেচনায় নেয়নি। এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার মূলে রয়েছে স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর সংকীর্ণ স্বার্থ উদ্ধার করা। আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে।

অংশীদারত্বমূলক উন্নয়ন দর্শনে অর্থনীতির সমন্বিত ও ইতিবাচক পদক্ষেপে উন্নয়নের সমতা ও কল্যাণ অর্জন করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন জেএসডির সভাপতি।