ঢাকা ব্যুরো: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফ বাংলাদেশের প্রত্যাশা অনুযায়ী ঋণ দিচ্ছে। এই ঋণের প্রথম কিস্তির ৪৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার আগামী ফেব্রুয়ারিতে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন। এ সময় অর্থ সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‌‌‌‘আমরা যেভাবে চেয়েছিলাম, আইএমএফ সেভাবেই আমাদের ঋণ দিচ্ছে। ঋণের আনুষ্ঠানিকতা আগামী তিন মাসের মধ্যে শেষ হবে। ঋণের প্রথম কিস্তি আগামী ফেব্রুয়ারিতে পাওয়া যাবে। এর পরিমাণ ৪৪৭ মিলিয়ন (৪৪ কোটি ৭০ লাখ) মার্কিন ডলার। মোট ৭ কিস্তিতে এ ঋণ পাওয়া যাবে। পরের ছয় কিস্তির প্রতিটিতে ৬৬৬ মিলিয়ন (৬৬ কোটি ৬০ লাখ) ডলার করে ঋণ মিলবে। ২০২৬ সালের মধ্যে পুরো ঋণ পাওয়া যাবে।’

চলমান অর্থনৈতিক সংকটসহ রিজার্ভ ও ডলারের যোগান বাড়াতে আইএমএফের কাছে ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ চেয়েছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য গত ২৬ অক্টোবর থেকে আইএমএফ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করছে।

গত জুলাই মাসে আইএমএফের কাছে ঋণ চেয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। ঢাকায় আইএমএফ মিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সংস্থাটির এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দ।

ঢাকা ব্যুরো: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফ বাংলাদেশের প্রত্যাশা অনুযায়ী ঋণ দিচ্ছে। এই ঋণের প্রথম কিস্তির ৪৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার আগামী ফেব্রুয়ারিতে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বুধবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন। এ সময় অর্থ সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‌‌‌‘আমরা যেভাবে চেয়েছিলাম, আইএমএফ সেভাবেই আমাদের ঋণ দিচ্ছে। ঋণের আনুষ্ঠানিকতা আগামী তিন মাসের মধ্যে শেষ হবে। ঋণের প্রথম কিস্তি আগামী ফেব্রুয়ারিতে পাওয়া যাবে। এর পরিমাণ ৪৪৭ মিলিয়ন (৪৪ কোটি ৭০ লাখ) মার্কিন ডলার। মোট ৭ কিস্তিতে এ ঋণ পাওয়া যাবে। পরের ছয় কিস্তির প্রতিটিতে ৬৬৬ মিলিয়ন (৬৬ কোটি ৬০ লাখ) ডলার করে ঋণ মিলবে। ২০২৬ সালের মধ্যে পুরো ঋণ পাওয়া যাবে।’

চলমান অর্থনৈতিক সংকটসহ রিজার্ভ ও ডলারের যোগান বাড়াতে আইএমএফের কাছে ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ চেয়েছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য গত ২৬ অক্টোবর থেকে আইএমএফ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করছে।

গত জুলাই মাসে আইএমএফের কাছে ঋণ চেয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। ঢাকায় আইএমএফ মিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সংস্থাটির এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দ।